খুঁজুন
, ,

নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর ‌‘ভয়ংকর’ দাবানল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 30 April, 2022, 2:41 pm
নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর ‌‘ভয়ংকর’ দাবানল

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে দেশটির বৃহত্তম দাবানল নেভাতে পারছেন না মার্কিন অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা। ওই অঙ্গরাজ্যের একগুচ্ছ পাহাড়ি গ্রামের কাছাকাছি স্থানীয় সময় শুক্রবার বিপজ্জনকভাবে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

বিজ্ঞানীরা বলছেন—দাবানলটি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাম্প্রতিক কয়েক ডজন দাবানলের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরের স্বাভাবিক দাবানলের চেয়ে বেশি বিস্তৃত ও সময়ের আগেই জ্বলছে এবারের দাবানলটি।

লেডক্সের নিকটবর্তী কৃষক সম্প্রদায়ের আবাস্থলের চারপাশের বনাঞ্চল থেকে ধোঁয়া উঠতে থাকায় সান্তা ফে এলাকা থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মোরা উপত্যকায় বসবাসরত হাজার হাজার মানুষ এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রবল বাতাসের কারণে গত ৬ এপ্রিল থেকে এক মাইল এলাকাজুড়ে অঙ্গার উড়ে দাবানল ছড়িয়েছে অনেক দূর পর্যন্ত। এতে সাংগ্রে ডি ক্রিস্টো পর্বতমালা এলাকার প্রায় ৩০ হাজার ৩৫১ হেক্টর পুড়ে গেছে, শত শত ঘরবাড়ি ও কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

দুর্ঘটনা-বিষয়ক কর্মকর্তা ও কমান্ডার কার্ল শোপ এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‌‘সেখানকার পরিস্থিতি খুব ভয়ংকর দেখাচ্ছে। যেভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

দাবানল লাগা এলাকায় আজ শনিবার দখিনা বাতাস বইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে করে আগুন ১৪ হাজার জনসংখ্যার মোরা গ্রামসহ একাধিক গ্রাম এবং লাস ভেগাস শহরের দিকেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

‘ধেয়ে আসছে এখানেই’

মোরা কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের কর্মকর্তা অ্যামেরিক প্যাডিলা প্রয়োজন পড়লে বাসিন্দাদের তাওস ও অ্যাঞ্জেল ফায়ার শহরের দিকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷

অগ্নি-বিশেষজ্ঞ স্টুয়ার্ট টার্নার বলছেন—দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলমান চরম খরার কারণে বনাঞ্চলের পর্বত ও উপত্যকাগুলো অতিদাহ্যপ্রবণ হয়ে উঠেছে।

টার্নার বলেন, ‘আগুন আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দাবানলটি খুবই ভয়ানক।’

এদিকে, মার্কিন বন বিভাগের ওপর খেপেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ—আগুনের ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশে ‘নিয়ন্ত্রিত আগুন’ জ্বালিয়েছিল বন বিভাগ, যা থেকে অনবধানতাবশত দাবানল সৃষ্টি হয়।

নিরাপত্তাজনিত কারণে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন মোরা কাউন্টির সাবেক কমিশনার স্কিপ ফিনলে। গাড়িতে মালামাল তুলতে দেখা যাচ্ছিল তাঁকে। তিনি বলেন, ‘মার্কিন বন বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার।’

এন-কে

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।