খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জ কলাবাড়ী সড়কের বেহাল দশা বাড়াচ্ছে ভোগান্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
কোম্পানীগঞ্জ কলাবাড়ী সড়কের বেহাল দশা বাড়াচ্ছে ভোগান্তি

শহীদুর রহমান জুয়েল : সংস্কারের অভাবে বেহাল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কলাবাড়ী গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ হতে শাহ আরপিন এবং ভোলাগঞ্জ হতে দয়ার বাজার দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার রাস্তাটির চরম বেহাল দশা। খানাখন্দে ভরপুর রাস্তাটিতে হরহামেশাই ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনা।

কলাবাড়ী সড়কে রয়েছে- কলাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কলাবাড়ী হাই স্কুল,কলাবাড়ী মহিলা মাদ্রাসা,মহজুলউল্লুম কলাবাড়ী মাদ্রাসা এতিমখানা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রামপঞ্চায়েত কার্যালয় সহ আর অনেক স্কুল মাদ্রাসা।

গোটা রাস্তায় পিচের আস্তরণ উঠে অংসখ্য খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বর্ষণে ওই সব গর্তে জল জমে প্রায় ডোবায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। যাতায়াত করাই দুষ্কর এই রাস্তা দিয়ে কয়েক লাখ মানুষ যাতায়াত করেন। চলে অংসখ্য ট্রেকার, বাস ও মিনিবাস।

একজন স্থায়ী বাসিন্দা জানান,কিছুসংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে এই রাস্তায় যাতায়াতকারী সকল মানুষ জিম্মি হয়ে আছে।তারা ব্যবসায়িক গাড়ি চালাবে ভালো কথা এজন্য তারা বিকল্প রাস্তা বানাতে পারত অথবা যাত্রী পরিবহনের জন্য আলাদা রাস্তা তৈরি করে দিতে পারত।কিন্তু বিষয়টা এমন দাড়িয়েছে যে সাধারণ মানুষগুলো বাচুক বা মরুক তাদের কোনোকিছু যায় আসেনা, তাদের পকেট ভারি করাই আসল বিষয়।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ নূরজামান জানান, রাস্তায় অসংখ্য গর্ত বেশ কয়েকটি প্রাথমিক,উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্কুল ছাএ ছাএী এই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে হয় এই রাস্তা উপরই নির্ভর করে লাখ বাসিন্দার জীবন আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ মাসুক মিয়া জানান,সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে এসব সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আবার রোদের সময় ধুলাবালুর কারণে চোখ-মুখ বন্ধ করে চলতে হয়। এসব রাস্তায় এখন জনগনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…