খুঁজুন
শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাচ্ছেন ৮৫ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাচ্ছেন ৮৫ জন

ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। এই পুরস্কারের জন্য অপেক্ষায় থাকেন ক্রীড়াঙ্গনের সবাই। ২০১৩-২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৮৫ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন।

আগামীকাল বুধবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে এক অনুষ্টানে মাধ্যমে ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা পুরস্কৃত হবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেকে একটি আঠারো ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, এক লক্ষ টাকার একটি চেক এবং একটি সম্মাননাপত্র পাবেন।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে কখনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন হয়নি। এবারই প্রথম সম্মেলন করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। নানা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আট বছরের জন্য ৮৫ জন ক্রীড়া ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৩-২০২০ সালের জন্য সর্বমোট ৩৪০ জন ক্রীড়াবিদ/ক্রীড়া সংগঠকের আবেদন পায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রাপ্ত আবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি যাছাই/বাছাইয়ের নিমিত্ত এ সংক্রান্ত নীতিমালার আলোকে মন্ত্রণালয় থেকে ৩টি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া) এর নেতৃত্বে গঠিত ওয়ার্কিং কমিটি প্রাপ্ত আবেদনসমূহ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে সচিবের নেতৃত্বে গঠিত বাছাই উপ-কমিটি ওয়ার্কিং কমিটি থেকে প্রাপ্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির নিকট সুপারিশকারে উপস্থাপন করে। জাতীয় বাছাই কমিটি কর্তৃক চুড়ান্তভাবে ২০১৩ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৪ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৫ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৬ সালের জন্য ১৩ জন, ২০১৭ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৮ সালের জন্য ১0 জন, ২০১৯ সালের জন্য ১১ জন এবং ২০২০ সালের জন্য ৮ জনসহ সর্বমোট ৮৫ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

২০২০ সালের জন্য নির্বাচিত: (৮) জন

(১) বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল (মরণোত্তর), ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় ও সংগঠক
(২) বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমান সিনহা (মরণোত্তর), ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্রিকেট)
(৩) নাজমুল আবেদীন (ফাহিম), ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্রিকেট কোচ)
(৪) মোঃ মহসীন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৫) মো. মাহাবুবুল এহছান রানা, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি)
(৬) গ্র্যান্ডমাস্টার মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (দাবা)
(৭) বেগম মোছা: নিলুফা ইয়াসমিন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৮) আব্দুল কাদের স্বরণ, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন – বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)

২০১৯ সালের জন্য নির্বাচিত (১১) জন

(৯) তানভীর মাজহার তান্না, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল)
(১০) মৃত অরুন চন্দ্র চাকমা, ক্যাটাগরি – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স) (মরণোত্তর)
(১১) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলাম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (আরচারি)
(১২) দিপু রায় চৌধুরী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ক্রিকেট)
(১৩) কাজী নাবিল আহমেদ, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল)
(১৪) ইন্তেখাবুল হামিদ, ক্যাটাগরি – সংগঠক (শ্যুটিং)
(১৫) বেগম মাহফুজা রহমান তানিয়া, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(১৬) বেগম ফারহানা সুলতানা (শীলা), ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাইক্লিং)
(১৭) টুটুল কুমার নাগ, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি)
(১৮) মাহবুবুর রব, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)
(১৯) বেগম সাদিয়া আক্তার উর্মি, ক্যাটাগরি- খেলোয়াড় (টেবিল টেনিস- বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)

২০১৮ সালের জন্য নির্বাচিত (১০) জন

(২০) ফরিদা আক্তার বেগম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স)
(২১) জ্যোৎস্না আফরোজ, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(২২) মোঃ রফিক উল্যা আখতার (মিলন), ক্যাটাগরি – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স)
(২৩) কাজী আনোয়ার হোসেন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(২৪) মোঃ শওকত আলী খান (জাহাঙ্গীর), ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল)
(২৫) মীর রবিউজ্জামান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (জিমন্যাস্টিকস)
(২৬) মোহাম্মদ আলমগীর আলম, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি)
(২৭) তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান, ক্যাটাগরি – সংগঠক (রেফারী)
(২৮) নিবেদিতা দাস, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(২৯) মাহমুদুল ইসলাম রানা, ক্যাটাগরি – সংগঠক (তায়কোয়ানডো)

২০১৭ সালের জন্য নির্বাচিত (১১) জন

(৩০) শাহরিয়া সুলতানা, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন)
(৩১) আওলাদ হোসেন, ক্যাটাগরি – সংগঠক (জুডো, কারাতে ও মার্শাল আর্ট)
(৩২) ওয়াসিফ আলী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (বাস্কেটবল);
(৩৩) শেখ বশির আহমেদ (মামুন), ক্যাটাগরি – সংগঠক (জিমন্যাস্টিকস)
(৩৪) মো: সেলিম মিয়া, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(৩৫) হাজী মো: খোরশেদ আলম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (রোইং)
(৩৬) আবু ইউসুফ, ক্যাটাগরি- খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৩৭) এ. টি. এম. শামসুল আলম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (টেবিল টেনিস)
(৩৮) রহিমা খানম যুথী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক)
(৩৯) আসাদুজ্জামান কোহিনুর, ক্যাটাগরি – সংগঠক (হ্যান্ডবল)
(৪০) মো: মাহবুব হারুন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি)

২০১৬ সালের জন্য নির্বাচিত (১৩) জন

(৪১) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(৪২) লেঃ কমান্ডার এ কে সরকার (অবঃ), ক্যাটাগরি – সংগঠক (বাস্কেটবল)
(৪৩) বেগম সুলতানা পারভীন লাভলী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৪৪) বীর মুক্তিযোদ্ধা শামীম-আল-মামুন, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ভলিবল)
(৪৫) আরিফ খান জয়, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৪৬) খন্দকার রকিবুল ইসলাম, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৪৭) মোহাম্মদ জালাল ইউনুস, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্রিকেট)
(৪৮) মো: তোফাজ্জল হোসেন, ক্যাটাগরি – সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স)
(৪৯) কাজল দত্ত, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ভরোত্তোলন)
(৫০) মো: তাবিউর রহমান পালোয়ান, ক্যাটাগরি – সংগঠক (কুস্তি)
(৫১) জেড. আলম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল ) (মরণোত্তর)
(৫২) আবদুর রাজ্জাক (সোনা মিয়া), ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি) (মরণোত্তর)
(৫৩) কাজী হাবিবুল বাশার, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড়

২০১৫ সালের জন্য নির্বাচিত (১১) জন

(৫৪) অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্যারম)
(৫৫) মো: আহমেদুর রহমান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় ও সংগঠক (জিমন্যাস্টিক্স)
(৫৬) আহমেদ সাজ্জাদুল আলম, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্রিকেট)
(৫৭) খাজা রহমতউল্লাহ, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি) (মরণোত্তর)
(৫৮) মাহ্‌তাবুর রহমান বুলবুল, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় ও সংগঠক (বাস্কেটবল)
(৫৯) বেগম ফারহাদ জেসমীন লিটি, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৬০) বরুন বিকাশ দেওয়ান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৬১) রেহানা জামান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(৬২) মো: জুয়েল রানা, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৬৩) বেগম জেসমিন আক্তার, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন, কারাতে ও তায়কোয়ানডো)
(৬৪) বেগম শিউলী আক্তার সাথী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)

২০১৪ সালের জন্য নির্বাচিত (১০) জন

(৬৫) শামসুল বারী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় ও সংগঠক (হকি) (মরণোত্তর)
(৬৬) এনায়েত হোসেন সিরাজ, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ক্রিকেট)
(৬৭) মো: ফজলুর রহমান বাবুল, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল)
(৬৮) সৈয়দ শাহেদ রেজা, ক্যাটাগরি – সংগঠক (হ্যান্ডবল)
(৬৯) মো: ইমতিয়াজ সুলতান জনি, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৭০) মোহাম্মদ এহসান নামিম, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (হকি)
(৭১) বেগম কামরুন নেছা, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৭২) মো: সামছুল ইসলাম, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(৭৩) মিউরেল গোমেজ, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৭৪) মো: জোবায়েদুর রহমান রানা, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)

২০১৩ সালের জন্য নির্বাচিত (১১) জন

(৭৫) মুজাফ্‌ফর হোসেন পল্টু, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় ও সংগঠক (ক্রিকেট)
(৭৬) কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ক্যাটাগরি – সংগঠক (হ্যান্ডবল)
(৭৭) উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ভারোত্তোলন)
(৭৮) সামশুল হক চৌধুরী, ক্যাটাগরি – সংগঠক (ফুটবল)
(৭৯) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: শাহ্‌জাহান মিজি, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (সাঁতার)
(৮০) রোকেয়া বেগম খুকী, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৮১) বেগম মুনিরা মোর্শেদ খান (হেলেন), ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (টেবিল টেনিস)
(৮২) মো: ইলিয়াস হোসেন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ফুটবল)
(৮৩) বেগম জ্যোৎস্না আক্তার, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স)
(৮৪) ভোলা লাল চৌহান, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (স্কোয়াশ)
(৮৫) খালেদ মাহমুদ সুজন, ক্যাটাগরি – খেলোয়াড় (ক্রিকেট)

Feb2

বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় সদ্য গঠিত ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শুক্রবার বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি দুইটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানায়, দুটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী অসন্তুষ্ট ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা ডেইলি স্টারকে বলেন, বিভিন্ন মহলে সমালোচনার কারণে বিষয়টি সরকারে ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে বলেও মনে করা হচ্ছে। এ কারণেই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র আরও জানায়, নতুন নাম নির্ধারণে স্থানীয় জনগণের মতামত, এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ভৌগোলিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নতুন নাম চূড়ান্ত করার আগে আরেকটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে মতামত দিতে বলা হবে। এরপর প্রস্তাবিত নামগুলো যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন নাম চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকায় সদ্য গঠিত তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে বিতর্কের পর এ সিদ্ধান্ত এলো।

নামগুলো তার পারিবারিক উপাধি ও দুই ছেলের নামের সঙ্গে মিল থাকায় গত সোমবার সংসদে প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।

তবে অভিযোগ নাকচ করে সংসদে শাহে আলম বলেন, ‘নামগুলো অলৌকিকভাবে তার ছেলেদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে।’

৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

দেশের প্রথম বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত বন্দর টার্মিনাল পিসিটির জন্য এসেছে ৪টি অত্যাধুনিক কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। চীন থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারে সংগ্রহ করা ৪টি শিপ টু শোর কিউসিজি নিয়ে আসা বিশেষায়িত ডেক জাহাজ ‘LAN HAI HONG YUN’ শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে ভিড়েছে।

এর জন্য বন্দরের দুইজন অভিজ্ঞ পাইলট এবং তিনটি শক্তিশালী টাগবোট নিয়োজিত ছিল।

বিষয়টি পিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরব ভিত্তিক বেসরকারি টার্মিনাল অপারেটর রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর কিউজিসি নিয়ে আসা জাহাজটি থেকে আনলোডকালীন কর্ণফুলী চ্যানেলে পিসিটি সংলগ্ন এলাকায় সব বাণিজ্যিক জাহাজ ও কোস্টার, ট্যাংকার, ফিশিং ট্রলার চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পিসিটি জেটি থেকে কমপক্ষে ১০০ মিটার পূর্ব তীর ঘেঁষে চলাচলের জন্য অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি এবং এনসিটির জন্য কিউজিসি আনার অভিজ্ঞতা থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ বহির্নোঙর থেকে বিশেষায়িত জাহাজটি সহজে পিসিটিতে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দ্রুততম সময়ে এবং নিরাপদে জাহাজ থেকে কনটেইনার নামাতে বা জাহাজে তুলতে কিউজিসি সবচেয়ে আধুনিক। কিউজিসি না থাকলে নিজস্ব ক্রেন নেই এমন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাস করা যায় না কিংবা ঝুঁকির।

কিউজিসি সরবরাহের আদেশ দেওয়ার পর তৈরি করতে এক বছরের বেশি সময় লাগে। পিসিটিতে কিউজিসি যুক্ত হচ্ছে এটি নিঃসন্দেহে মেরিটাইম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক দিক। কিউজিসি আনলোড করার পর অপারেশনাল করতে মাসখানেক সময় লাগতে পারে।

সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের সানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে ৪টি কিউজিসি কেনার চুক্তি করে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ম্যানেজার আলতাফুল আজম, প্রকৌশল বিভাগের প্রধান (আরএসজিটি চট্টগ্রাম) ফেরদৌস রহমান, টেকনিক্যাল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের প্রধান (আরএসজিটি জেদ্দা) কোয়ান হি. হান, আরএসজিটি চট্টগ্রাম সিইও অ্যারউইন হেইজ, সানি-এর জেনারেল ম্যানেজার চেন জিং, বিদেশী বিক্রয় বিভাগের জিএম ট্যাং ওয়েইবিন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের ভাইস ডিন এলভি গুওজেন, মেনা-এর ডেপুটি জিএম টং লিচাও।

অত্যাধুনিক ক্রেনগুলোর আরএসজিটি বাংলাদেশের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউ’এস (২০ ফুট হিসেবে) থেকে ৬ লাখ টিইইউ’এসে বাড়বে যা এর পরিচালনার দক্ষতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং লজিস্টিক খরচ কমিয়ে দেবে। এর আগে ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন (আরটিজি) সংগ্রহে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে আরএসজিটি।

১ হাজার ২০০ কোটি টাকায় পিসিটি তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। চুক্তি অনুযায়ী সেই টার্মিনালে যন্ত্রপাতি কিনে পরিচালনা করছে রেড সি। তারই অংশ হিসেবে কিউজিসি আসছে পিসিটিতে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ ওঠানামা নিরাপদ রাখতে পিসিটির তিনটি জেটির একটিতে উচ্চতাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই বাকি দুটি জেটিতে বসানো হবে চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে পিসিটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর মেয়াদি চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল পিসিটির আধুনিকায়ন, গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের কথা। চুক্তির শুরুতে কনসেশন ফি ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে বন্দরকে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে কনটেইনার উঠানামা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি পণ্যের কনটেইনার। ১৯ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার। প্রতিমাসে এখন ১১-১২টি কনটেইনার জাহাজ পিসিটিতে ভিড়েছে। কিউজিসি অপারেশনাল হলে জাহাজের সংখ্যা ও কনটেনার হ্যান্ডলিং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী করতে পারবে পিসিটি।

পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যদের শার্ট হবে গাঢ় নীল (ডিপ ব্লু) রঙের এবং প্যান্ট হবে খাকি রঙের। আর মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা জলপাই (লাইট অলিভ)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমোদনক্রমে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫-এর সংশোধনী জারি করেন।

গেজেটে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষর করেন।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে ডিপ ব্লু রঙের শার্ট এবং কফি (শেইল) রঙের প্যান্টের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের রংও ডিপ ব্লু করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্ষেত্রে জ্যাকেট ও শার্ট হবে লাইট অলিভ রঙের।

এ ছাড়া নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, নারী সদস্যরা ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে ডিপ ব্লু ব্লাউজ পরতে পারবেন। মেট্রোপলিটন পুলিশের নারী সদস্যদের ক্ষেত্রে ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ ব্লাউজ পরার বিধান রাখা হয়েছে। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত বা মাথা ঢাকতে ইচ্ছুক নারী সদস্যরা সারা বছর ফুল স্লিভ শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।