খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপকার ভোগীদের বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
উপকার ভোগীদের বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ

মিরসরাই(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ের সংরক্ষিত পাহাড়ি বনের রক্ষকরাই ভক্ষকের ভুমিকায় অবর্তীর্ণ হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে খোদ বনবিভাগের চুক্তিভুক্ত এক উপকার ভোগী সহ কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা এসব গাছ কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে।অভিযোগে আরও জানা যায়, মধ্য ওয়াহেদপুর এলাকায় বাবুল ও টিটু দুটি গ্রুপে আলাদা আলাদাভাবে পাহাড়ি সরকারি গাছ কেটে সাবাড় করছে।

অভিযুক্তরা হলেন চুক্তিভুক্ত উপকারভোগী মোহাম্মদ মুন্না (২৬) পিতা মো: ভোলা, নজরুল ইসলাম ভূইয়া বাবলু (৩৩) মো: মানিক (৪৫) পিতা নুর আলম, মো: হাকিম আলি (৩৫) পিতা: নুরুজ্জামান, টিটু (৩৫) পিতা: মোহাম্মদ কবির প্রমুখ। তারা সকলেই ১৫ নং ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ৪ নং মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকার।

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বারৈয়াঢালা ও বড়তাকিয়া বিট কর্মকতারা চোরাই কাঠ উদ্ধার করলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করেনি। এতে বিট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ব্যাক্তি মালিকানা বাগানের সেগুন গাছ চুরি করে বিক্রির অপরাধে মুন্নাসহ ৩জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলেও এখনো কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

বারৈয়াঢালা রেঞ্জ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে সরকার কর্তৃক স্থানিয় উপকার ভোগীদের মাঝে চুক্তির মাধ্যমে প্রতি জন উপকার ভোগীকে ১ একর করে পাহাড়ী বনভুমি বরাদ্ধ দেয়া হয়। প্রতি একর পাহাড়ি ভুমিতে ১ হাজার মূল্যবান গাছের চারা রোপন করা হয়। তারমধ্যে শাল, সেগুন, গামারী, ইউক্লিপটাস উল্লেখযোগ্য। শর্ত অনুযায়ী চুক্তি ভূক্ত উপকারভোগীরা বরাদ্ধকৃত পাহাড়ি অংশে সরকার কর্তৃক তৈরিকৃত বাগানের মূল্যবান গাছের রক্ষনাবেক্ষন, পাহারা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। চুক্তির মেয়াদ শেষে সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ বিক্রি করে লভ্যাংশ নিয়ে যাবে উপকারভোগীরা। কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে বিপরীত।

প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, চুক্তিভুক্ত উপকার ভোগীরা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ পাহারা দিয়ে রক্ষা না করে নিজেরাই সেই গাছ ভক্ষণ করছে। মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া বিটের অর্ন্তগত মধ্যম ওয়াহেদ পুর এলাকার পাহাড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সরসজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, শাল, সেগুন, গামারী ও ইউক্লিপটাসসহ মূল্যবান গাছ কেটে নেয়ার দৃশ্য। গাছের মূল্যবান অংশ কেটে নেয়ার পর গাছের গোড়া গুলির করুণ চিত্র দেখে যে কারো মন খারাপ হবে। সরকারি ও ব্যাক্তিমালিকানায় তৈরি করা বনের গাছ কেটে নেয়ার পর পড়ে রয়েছে গাছের শত শত গোড়া। প্রতি কদমে কদমে এমন চিত্র।

সরকারী বনের মূল্যবান গাছ চুরি করে ক্ষান্ত হতে পারেনি চোরের দল। তারা সরকারি গাছের পাশাপাশি ব্যাক্তিমালিকানা বাগানের গাছও চুরি করে নিয়ে গেছে।

কাঠ পাচারের খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশের একটি ফোর্স ও বারৈয়াঢালা বন বিটের কর্মকর্তারা অভিযানে যান। কিন্ত ব্যর্থ হন। পরে গোপন সংবাদ পেয়ে বারৈয়াঢালা বিট কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন, নজরুল ইসলাম বাবুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাবুলের উপস্থিতিতে ১৪ টুকরো গামারী গাছ, ৬ টুকরো সেগুন গাছ ও ৪ টুকরো ইউক্লিপটাস গাছ সহ মোট ৮৪.৮৭ঘন ফুট চোরাই গাছ উদ্ধার করে বনবিভাগের হেফাজতে নিয়ে যান। তবে গাছ উদ্ধারের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও গাছ চুরির সাথে সম্পৃক্ত কাউকে অভিযুক্ত করে কোন প্রকার আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বনবিভাগ। এতে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‘যারা গাছের ব্যবসা করে সবাই চোরাই গাছ কিনে আমি একা না’

বাড়ি থেকে গাছ উদ্ধারের ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবলু জানান, মুন্না ও মানিক আমার পরিচিত লোক তারা ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আমার কাছে কিছু গাছ রেখে যায় পরের দিন বন বিভাগ ওই গাছ নিয়ে গেছে। আমি উপস্থিত থেকেই গাছ গুলি বনবিভাগকে বুঝিয়ে দিয়েছি। যারা গাছের ব্যবসা করে সবাই চোরাই গাছ কিনে আমি একা না। গাছ নেয়া যদি আমার অপরাধ হয় তাহলে আইন অনুযায়ী যা হবার তাই হবে, আমি সেটার জন্য প্রস্তুত।

হাকিম আলি জানান, আমি গাছ কাটিনা, আমি কৃষি কাজ করি আমাকে অযথা এখানে জড়নো হয়েছে।

টিটু জানান, আমি গাছ কেনা বেচা বা কাটার সাথে সম্পৃক্ত নই। শুনেছি, রুহুল আমিনের বাগান থেকে ৩টা সেগুন গাছ কেটে ফেলছে সেটা নিয়ে ঝামেলা হয়েছে।

মিরসরাই থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আতাউর জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে একটি অভিযোগের তদন্তভার আমাকে দেয়া হয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পেয়েছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম আলতাফ হোসেন বলেন, আমরা চোরাই গাছ উদ্ধার করেছি তবে এখনো কোন প্রকার আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বিষয়টি আমরা গভীর ভাবে তদন্ত করছি। কারা কারা এটার সাথে সম্পৃক্ত, কারা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে। তাদের সকলকে সনাক্ত করে একসাথে সকলকে আসামী করে আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। উদ্ধারকৃত গাছের মধ্যে ব্যাক্তি মালিকানা গাছ আছে বলে দাবি তুলেছেন একটি পক্ষ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…