খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির আনসার ভিডিপি ও নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
ফটিকছড়ির আনসার ভিডিপি ও নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ও সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে জরিনা (৪৭) নামের এক গৃহকর্মী।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি দায়ের হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের দক্ষিণ পাশের একটি ভবনে ব্যাচেলর হিসেবে বসবাস করতো নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ও আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম। সে বাসায় গৃহকর্তীর কাজ করতো জরিনা। দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে ২ কর্মকর্তার সাথে জরিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে সরল বিশ্বাসে বাসায় এলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জরিনাকে। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে দুই কর্মকর্তা। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে জরিনা প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেয়। বিষয়টি ইউএনও’র ক্ষমতাবহির্ভূত হওয়ায় আইনীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন জরিনাকে। পরে জরিনা ফটিকছড়ি থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির রাহমান সানি বলেন, আমার কাছে জরিনা অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। বিষয়টি সেনসেটিভ হওয়ায় এবং আমার ক্ষমতার বাহিরে হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জরিনাকে পরামর্শ দিয়েছি।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ ইবনে আনোয়ার বলেন, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ও সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এ ব্যাপারে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সাঈদুল ইসলাম বলেন, আমাকে ষড়যন্ত্রমূলক একটি মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমি ডায়বেটিস এর রোগী শারীরিক ভাবেও অক্ষম। আমাকে যে অভিযোগটি করা হচ্ছে সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থেকে সদ্য বিধায়ী নির্বাচন কর্মকর্তা ও বর্তমানে রামগড়ে কর্মরত হুমায়ুন কবির বলেন, মহিলাটি খারাপ। এ মহিলাকে দিয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…