খুঁজুন
, ,

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 May, 2022, 3:56 pm
নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে বহু প্রতিক্ষিত পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। আগামী ২৫ জুন যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে।

সোমবার (৩০ মে) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের এই একটি সিদ্ধান্ত বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি জাতির আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দিয়েছে।’

ঢাকা সেনানিবাসের সেনা সদরদপ্তরের মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আর্মি সিলেকশন বোর্ড-২০২২ এর বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি পদ্মা সেতু প্রকল্পে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ আনায়-কোনো বোর্ড মিটিং না করেই বিশ্বব্যাংক সেতুটি নির্মাণে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও পরে ওই অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছি (বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে) তা নিয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’

সেনাবাহিনীর বিভিন্ন জাতি গঠনমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আর্মি সবসময়ই অবকাঠামো নির্মাণসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রেখে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের আত্মবিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ সবাই জনগণের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজন সংক্রান্ত সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি বলেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিতে কক্সবাজারের খুরুসকুলে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সারা দেশে কেউ ভূমিহীন এবং গৃহহীন থাকবে না, কারণ তার সরকার বিনামূল্যে জমি দিয়ে বাড়ি করে দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশই একমাত্র উদাহরণ যেখান থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে তিন মাসের মধ্যে মিত্র বাহিনী তাদের দেশে ফিরে গেছে।

তৎকালীন পূর্ব (বর্তমানে বাংলাদেশ) এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিটি সেক্টরে বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানি সামরিক সার্ভিসে শুধুমাত্র একজন কর্নেল ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তবে এখন জেনারেলরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আছেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে নেতৃত্বের জন্য পেশাদারি দক্ষতা, উৎকর্ষ, সততা ও দেশপ্রেম সম্পন্ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিতে হবে।

আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে পেশাদারভাবে দক্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা সম্ভব এবং আপনাকে পদোন্নতির জন্য উচ্চ নৈতিক চরিত্রের উপর গুরুত্ব দিতে হবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। দায়িত্বপ্রাপ্তরা সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং ন্যায়বিচারের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আনুগত্যসহ নেতৃত্বের জন্য দৃঢ় মানসিকতা, সততা এবং অন্যান্য গুণাবলীসম্পন্ন কর্মকর্তারা উচ্চতর পদোন্নতির জন্য যোগ্য। যাদের সামরিক জীবনে সফল নেতৃত্বের রেকর্ড রয়েছে এমন অফিসারদের পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা উচিত।’

সেনাবাহিনীর সদস্যরা সর্বদা জনগণের পাশে থাকে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে বিশ্বব্যাপী দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরই একটি উন্নত, পেশাদার ও প্রশিক্ষিত বাহিনী গড়ে তুলতে ১৯৭২ সালে কুমিল্লায় মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার সরকার বঙ্গবন্ধুর প্রতিরক্ষা নীতি অনুসরণ করে ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়নের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অব্যাহত রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 3:50 pm
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ইন্তেকাল

সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর সোয়া ৪টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার আক্রান্ত নজরুল ইসলাম চৌধুরী বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কয়েকদিন আগে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সোমবার ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের ভাগনে রুকুন আহমেদ চৌধুরী জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরীর বিভারলি হিল সোসাইটিতে অবস্থিত বাসভবনের সামনে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টায় চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।

‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 2:02 pm
‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে আমরা কিন্তু বলেছিলাম সারাদেশে অনেকগুলো কাজের মধ্যে মূল দুটো কাজ করতে চাই। একটা হচ্ছে- খাল খনন যেটা শহীদ জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। আরেকটি হচ্ছে- বৃক্ষরোপণ, এটাও শহীদ জিয়া শুরু করেছিলেন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াও সেই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমরাও এই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাব।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একদিনের সফরে বরিশাল পৌঁছেছেন। বরিশালে পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আসার সময় দেখলাম অনেকে গাছের চারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। খেয়াল করলাম অনেকে পলিথিনসহ গাছের চারা রোপণ করে দিয়েছেন। যারা এই কাজ করেছেন তারা দয়া করে পলিথিনে মোড়ানো গাছের চারার পলিথিনটা খুলে মাটিসহ গাছটা মাটিতে রোপণ করুন। তা না হলে তো গাছটা নষ্ট হয়ে যাবে। সেজন্য আমাদের যত্ন সহকারে এই কাজটি করতে হবে।

এসময় দেশের জলবায়ু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই যে চট্টগ্রামে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এখন আবহাওয়ার বিষয়টা এমন কেন হচ্ছে? সারা পৃথিবীতেই আবহাওয়ার সমস্যা হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে বেশি হচ্ছে। আগে আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন শীতকালে যতটা শীত পড়তো এখন কিন্তু আগের মতো ততটা শীত পড়ে না। আবার গরমের সময় অনেক বেশি গরম পড়ে। এই সমস্যাগুলো যদি আমাদের সমাধান করতে হয় বা এই সমস্যাটা যদি কমিয়ে আনতে চাই তাহলে সারাদেশে অনেক গাছ লাগাতে হবে। ২০ কোটি মানুষের এই দেশে যে পরিমাণ গাছ থাকা প্রয়োজন, বর্তমানে তা নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া যেই কর্মসূচিটি শুরু করেছিলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিটিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আমরা অনেকগুলো কর্মসূচির পাশাপাশি এটাও সারাদেশে চালু রাখতে চাই। ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করব। আজকে এখানে আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।

এছাড়া গাছের রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, যারা চারা রোপণ করবেন তাদের দায়িত্ব কিন্তু রোপণ করেই শেষ হয়ে যায় না। একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হলেই কিন্তু বাবা-মায়ের কাজ শেষ হয়ে যায় না। বরং শিশুটাকে যত্ন সহকারে মানুষ করাই হচ্ছে আসল কাজ। আজকের এই চারাগুলো কিন্তু শিশু গাছ, একে শিশুর মতো বড় করতে হবে। এসময় তিনি আশেপাশে বসবাসকারী ও দোকানদারদের অনুরোধ জানান যেন গাছগুলো বড় না হওয়া পর্যন্ত সবাই সেগুলোর যত্ন নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই গাছটি যদি বড় হয় আপনি বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবেন, শান্তির ছায়ায় বসতে পারবেন। গ্রীষ্মকালে এই গাছের শীতল বাতাসের স্পর্শ পাবেন। সন্তান যত বড় হয় আপনার বুকটা ভরে উঠে আনন্দে, ঠিক এই গাছটি যখন বড় হবে দেখবেন একই রকম আপনি আনন্দ পাবেন। আসুন, আমরা যদি আমাদের এলাকাটা সুন্দর করতে চাই, দেশটা সুন্দর করতে চাই তাহলে বৃক্ষরোপণ করি সেই সঙ্গে গাছের যত্ন নেই।

বক্তব্যের শেষে তিনি সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে উপস্থিত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চারা রোপণ করেন এবং ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পর আজ প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে বরিশাল আসেন তারেক রহমান। তার সফরকে ঘিরে বরিশালজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রশাসন ও বিএনপির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

সফরসূচি অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পর তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন এলাকার বধ্যভূমি সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে দ্বিতীয় দফায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি জিআই স্বীকৃত বরিশালের আমড়া ও নারিকেল গাছের চারা নিজ হাতে রোপণ করেন। এছাড়া খালপাড়জুড়ে শতাধিক দেশীয় ফলজ, বনজ ও ফুলের গাছ রোপণের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সভায় বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক নেতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, বরিশাল সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ দলীয় শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 9:54 pm
টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বলেছেন, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে নগরের দক্ষিণ কাট্টলীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন লাকী স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নগরীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন মহেষ খাল, বারনীঘাট খাল, হালিশহর থানা রোড ও জেলেপাড়া রোড পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাৎক্ষণিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত খনন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এ সমস্যার সমাধান করবো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে খাল দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল সংস্কার, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।