খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, বাঁচাতে গিয়ে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুন, ২০২২, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
রামগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, বাঁচাতে গিয়ে নৈশপ্রহরীর মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জননী পরিবহন নামের যাত্রীবাহী একটি বাসে এক তরুণীকে দুই যুবক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে মো. শাহজাহান (৫০) নামে এক নৈশপ্রহরীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শাহজাহান রামগঞ্জ পৌরশহর বাস স্ট্যান্ডে নৈশপ্রহরীর কাজ করতেন। তিনি রামগঞ্জ পৌর পশ্চিম কাজীরখীল গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মৃত নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক। এই ঘটনায় ওই বাসের চালক আজাদ হোসেনকে আটক করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে রামগঞ্জ পৌরশহরের বাস স্ট্যান্ডে এই ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে আজাদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, আজাদ মূলত বাসের হেল্পার। কিন্তু এদিন তিনি নিজেই বাসটি চালিয়েছেন।

স্থানীয় লোকজন ও জননী বাস মালিক সমিতির সদস্য আবুল কালাম জানান, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা জননী পরিবহনের ওই বাসের চালক আজাদ জানায় পশ্চিম কাজীরখীল গ্রামের আখন বাড়ির এমরান হোসেন (২৬) তার বাসে এক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে। সঙ্গে সঙ্গে বাস টার্মিনাল এলাকার নাইটগার্ড শাহাজাহানসহ বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ওই সময় তারা দেখতে পান, এমরান ও তার সহযোগী ওই তরুণীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছেন। এতে শাহজাহান বাধা দিলে তাকে মারধর করে তারা পালিয়ে যায়। এরপর শাহজাহান পার্শ্ববর্তী একটি দোকানের সামনে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে উদ্ধার হওয়া তরুণী জানান, তিনি চাটখিল থেকে নোয়াখালী সোনাপুর যাওয়ার জন্য জননী নামের ওই বাসে উঠেন। কিন্তু ভুলক্রমে রামগঞ্জ সোনাপুর নামক স্থানে চলে আসেন। রামগঞ্জ বাস টার্মিনাল এসে তিনি বুঝতে পারেন তিনি ভুলক্রমে উল্টোপথে চলে এসেছেন। ঘটনাটি আজাদকে জানালে তিনি তাকে নোয়াখালীগামী অন্য বাসে তুলে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতে বসতে বলেন।

রামগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…