খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের দাম বাড়ল ২২.৭৮%, দুই চুলায় দিতে হবে ১০৮০ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুন, ২০২২, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
গ্যাসের দাম বাড়ল ২২.৭৮%, দুই চুলায় দিতে হবে ১০৮০ টাকা

দ্রব্যমূল্য নিয়ে পেরেশানিতে থাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের সংসার খরচ আরও বাড়িয়ে এবার বাড়ল গ্যাসের দাম।

পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের পাইকারি দাম ৯ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বাড়িয়ে ১১ টাকা ৯১ পয়সা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), যা চলতি জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।

খুচরা পর্যায়ে সেই মূল্য সমন্বয় করে যানবাহনে ব্যবহারের সিএনজি বাদে সব পর্যায়েই গ্যাসের জন্য খরচ বাড়বে।

রান্নার গ্যাসের জন্য দুই চুলার (ডাবল বার্নার) মাসিক বিল ৯৭৫ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ১০৮০ টাকা। এক চুলার মাসিক বিল ৯২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৯০ টাকা করা হয়েছে।

আর আর প্রিপেইড মিটারে প্রতি ইউনিটের খরচ ১২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮ টাকা। সার্ভার সিস্টেম আপডেটে করার মাধ্যমে এ মাসেই নতুন দাম কার্যকর হয়ে যাবে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৪ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ০২ পয়সা করা হয়েছে। ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ১৩ টাকা ৮৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৬ টাকা। আর সার কারখানার জন্য ৪ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছে।

শিল্প কারখানায় আগে গ্যাসের মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটার ১০ টাকা ৭০ পয়সা। এখন বৃহৎ শিল্পকে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা, মাঝারি শিল্পকে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা এবং ক্ষুদ্র শিল্পকে ১০ টাকা ৭৮ পয়সা করে দিতে হবে।

বাণিজ্যিক গ্রাহকদের (হোটেল, রেস্তোরাঁ) ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটের দাম ২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ২৬ টাকা ৬৪ পয়সা। তবে সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের দাম আগের মতই প্রতি ঘনমিটার ৪৩ টাকা থাকছে।

রোববার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু ফারুক পাইপলাইনের গ্যাসের পাইকারি মূল্য ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

পাশাপাশি পাইকারি মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে খুচরা পর্যায়ে গণপরিবহনের সিএনজি ছাড়া সব স্তরেই মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়।

খুচরায় কতটা প্রভাব পড়ল?

খুরচা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সার কারখানার গ্যাসের দাম। এই স্তরে গ্যাসের দাম বেড়েছে ২৬০ শতাংশ।

মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে এর পরেই রয়েছে গৃহস্থালির প্রি-পেইড মিটার গ্রাহকদের খরচের মূল্যবৃদ্ধি। এই স্তরে দাম বেড়েছে ৪২ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

এত দিন বিদ্যুৎকেন্দ্র (সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল) যে দামে গ্যাস কিনত, এখন তার চেয়ে ১২ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি দিতে হবে। আবার ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য গ্যাসের দাম বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিইআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু ফারুক বলেন, “সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন থেকে কোনো উৎপাদন পর্যায়ে সরকার আর ভুর্তুকি দেবে না। ভর্তুকি যা দেওয়া প্রয়োজন তা কৃষক পর্যায়ে দেওয়া হবে। সে কারণেই আগের মত সারকারখানাগুলোতে ভর্তুকিতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না।”

নতুন মূল্য হারে শিল্পের গ্রাহকদের বৃহৎ, মাঝারি এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প- এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। বৃহৎ শিল্পের জন্য গ্যাসের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ, মাঝারি শিল্পে ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র শিল্পে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ।

চা বাগানের জন্য সরবরাহ করা গ্যাসের দামও সাড়ে ১১ শতাংশ বাড়িয়ে ১১ টাকা ৯৩ পয়সা করা হয়েছে। আর বাণিজ্যিক বা হোটেল রেস্তোরাঁয় গ্যাসের খরচ বাড়ছে ১৬ শতাংশ।

এই ছয় স্তরের বাইরে সিএনজি স্টেশনের গ্যাসের দাম আগের মতই প্রতি ঘনমিটার ৪৩ টাকা রাখা হয়েছে, যা একমাত্র স্বস্তির খবর।

এ বিষয়ে কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের পক্ষ থেকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ক্ষেত্রে দাম না বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের যুক্তি ছিল, এই খাতে দাম ইতোমধ্যে বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া দাম বাড়ালে গণপরিবহনে এর প্রভাবের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।”

গ্যাসে মূল্য এর আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১৯ সালের ১ জুলাই। তিন বছরের মাথায় তা আবার বাড়ানো হলো।

পেট্রোবাংলার পাশাপাশি ছয়টি বিতরণ সংস্থাও মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল গত জানুয়ারি মাসে। ওই প্রস্তাবের ওপর গত ২১ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত গণশুনানি হয়। ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অংশীজনদের লিখিত মতামত দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল।

কেন দাম বাড়ানো হল?

বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান বলেন, “এনার্জি খাত সংশ্লিষ্ট জাতীয় ও বৈশ্বিক বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ভোক্তার স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। শুনানি ও শুনানি পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।”

বিইআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু ফারুক বলেন, এলএনজি আমদানির ব্যয় মেটাতে পেট্রোবাংলার জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে ৩৩০০ কোটি টাকা, বিতরণ সংস্থাগুলোর করপরবর্তী মুনাফা থেকে ১৭ শতাংশ হিসাবে ২৫০০ কোটি টাকা এবং সরকারি ভর্তুকি হিসেবে ৬০০০ কোটি টাকাসহ মোট ১১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে হয়।

“এটা বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের বিদ্যমান ভারিত গড় মূল্যহার প্রতি ঘনমিটার ৯ দশমিক ৭০ টাকা থেকে ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বাড়িয়ে ১১ দশমিক ৯১ টাকা করা হয়েছে।”

বিইআরসির কারিগরি কমিটি ক্যাপটিভ পাওয়ারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা ৫০ পয়সা দাম নির্ধারণের কথা বললেও চূড়ান্ত ঘোষণায় তা কেন ১৬ টাকা করা হল, সেই প্রশ্নে রাখেন বাংলাদেশ টেক্সাটইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন।

উত্তরে কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি কমিশন গঠিত টিম। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারে। কিন্তু কমিশনের সিদ্ধান্তে সব সময় তার প্রতিফলন ঘটে না।

মহামারীর প্রভাব কাটতে না কাটতেই রাশিয়া ইউক্রেইন যুদ্ধ শুরু হওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, বেড়েছে পরিবহন ব্যয়। অন্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশকেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এ পরিস্থিতিতে জনজীবনে যেন বিরূপ কোনো প্রভাব না পড়ে তা কমিশন ‘গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ’ করেছে। তাছাড়া এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএও দাম কিছুটা বাড়ানোর পক্ষে ছিল।

“তবে তারা বলেছে, এমন কিছু যেন করা না হয়, যাতে রপ্তানি খাত ও শিল্পের ওপর বড় রকমের আঘাত আসে। আমরাও সব মানুষের স্বার্থ চিন্তা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইউটিলিটিগুলোর অর্থিক অবস্থা এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গেও পর্যালোচনা করা হয়েছে।”

কমিশনের সদস্য মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, “কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে কিছু কিছু জেনুইন খরচ অন্তর্ভুক্ত করেনি। যেমন এলসি কমিশন, অ্যাডভান্সড ইনকাম ট্যাক্স। কমিশন সব বিষয় বিবেচনা করে দাম নির্ধারণ করেছে। সে কারণে তাদের ইভালুয়েশনের চেয়ে আমাদের খরচ একটু বেড়েছে।”

Feb2

হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পবিত্র হজ পালনে হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভা কক্ষে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, পবিত্র হজ সামনে। আজ (রোববার) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক হয়েছে। হজযাত্রীরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলো চিহ্নিত করে তা কীভাবে দূর করা যায় কিংবা কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সভায় প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এবার হজযাত্রীদের সেবায় যারা নিয়োজিত থাকবেন, তারা সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে হবে। হাজীদের যাতে কোনো দুর্ভোগ পোহাতে না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

এদিকে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাত থেকে এ বছর হজের ফ্লাইট শুরু হবে। বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এ বছর সরকারি উদ্যোগে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি উদ্যোগে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন। এসব হজযাত্রীর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাবেন ৫০ শতাংশ। অন্যরা সোদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস বিমান সংস্থার ফ্লাইটে যাবেন।

সভায় হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, হাজীদের সব তথ্যাদি অনলাইনে সন্নিবেশিত করা, হজ এজেন্সির কাজের মূল্যায়ন, যেসব হজ এজেন্সি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করা, হাজীদের গাইডের জন্য মোয়াল্লেম সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীদের থেকে নিয়োগের (আগামী হজে থেকে) ব্যবস্থা করা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার ও মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এবছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী হজ পালন করবেন। আসছে ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে।

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।