খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএম ডিপোতে মালিকপক্ষের গাফিলতি থাকলেও আইনের আওতায় আসবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
বিএম ডিপোতে মালিকপক্ষের গাফিলতি থাকলেও আইনের আওতায় আসবে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকপক্ষের গাফিলতি থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৭ জুন) সচিবালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনা সন্দেহজনক। মালিকপক্ষও বলছে, এটি নাশকতা হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে বলা হচ্ছে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড। এটা কোনো বিস্ফোরক আইটেম নয়। এটি অনুমোদিত রপ্তানি পণ্য। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ রপ্তানি করছে। এই ডিপো আইএসপিএস কোড (আন্তর্জাতিক জাহাজ, বন্দর সুবিধা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোড) অনুসরণ করেছে। যে কমপ্লায়েন্সগুলো ছিল, সবগুলো মেনেছে। সেখানে অগ্নিনির্বাপক যে ব্যবস্থা থাকা দরকার, সবই ছিল। তারপরও ঘটনাটা ঘটে গেল।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিপদজনক পণ্য পরিবহনের যে নীতিমালা আছে, সেটাও সেখানে মানা হয়েছে। বলা হয়েছে, কনটেইনার ডিপোগুলোর মধ্যে বিএম কনটেইনার ডিপোর ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে ভালো। আমরা গতকাল পরিদর্শন করে যা দেখলাম, আগুনের যে চিত্রটা, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের যে কনটেইনারগুলো ছিল, কিছু কনটেইনারে আগুন ধরে গেছে, বিস্ফোরিত হয়ে গেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কীভাবে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল, বিস্ফোরণ হয়ে গেল। এটা অস্বাভাবিক আগুন। একটা স্তর বাদ দিয়ে আরেকটা স্তরে আগুনটা ধরেছে। এটা একটা সন্দেহ হচ্ছে। মালিকপক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটা নাশকতা কি না?

তিনি বলেন, এটা কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য নয়। যেহেতু এটা বিস্ফোরক নয়, তাই তাদের এটা ডিক্লেয়ার করার কিছু নেই। ব্যাপারটা এ রকমই। আমরা যাওয়ার আগে এক ধরনের চিন্তা করেছিলাম। যাওয়ার পরে আমরা আরেক ধরনের ব্যবস্থা দেখলাম।

হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড বিস্ফোরক না হলে সেখানে বিস্ফোরণ কেন ঘটল- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অক্সিজেন নিজে জ্বলে না কিন্তু অন্যকে জ্বলতে সহায়তা করে। এই ধরনের কোনো একটা ঘটনা হয়তো ঘটেছে। সেজন্য এখানে বলা হচ্ছে, এটা নাশকতা কি না। এই মুহূর্তে এটা বলা খুব কঠিন, তদন্তের আগে।

তিনি বলেন, গতকাল একটা ব্যাপক গুজব ছড়ানো হয়েছে। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন। এই উদ্বোধনের সঙ্গে এই ঘটনাটা জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনের যে আয়োজন এতে যে অর্থটা খরচ হবে, সেটা ন্যূনতম। (উদ্বোধন অনুষ্ঠান না করে) এই অর্থ দিয়ে আগুন মোকাবিলায় হেলিকপ্টার কেনা হবে বলে গুজব ছড়ানো হয়েছে। মিলিয়ন ডলার এখানে ব্যয়, সেটার সঙ্গে এটা খুবই যৎসামান্য। এটা পপুলার একটি গুজব।

এই যে মিলিয়ে দেওয়া হলো, পাশাপাশি নাশকতার ধারণা করা হচ্ছে। এটাতে খুবই যোগসূত্র পাওয়া যায়, জানান প্রতিমন্ত্রী।

এর মানে কি আপনারা নাশকতার ধারণা করছেন- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি যেটা দেখেছি, আপনি যদি প্র্যাকটিক্যালি যান, আপনারও এমনটা হতে পারে।

তিনি বলেন, সবকিছু তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে। যেহেতু আমাদের আশঙ্কাটা এখানে এসেছে। যারা তদন্ত করছেন, তারা হয়ত এই বিষয়টাও আমলে নেবেন। বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, সেই এগিয়ে যাওয়ায় অনেকে ঈর্ষান্বিত। সেই জায়গাগুলোতে অনেকে যুক্ত হচ্ছে কি না, সেটাও একটা ব্যাপার।

ডিপো একটি সেনসিটিভ জায়গা। আপনি যেটি সন্দেহ করছেন বা অনেকেই করছে, নাশকতা। তাহলে তো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমেরিকার মতো শতভাগ সিকিউরড জায়গায় টুইন টাওয়ারে কিন্তু হামলা করা হয়েছিল। ইংল্যান্ডে বাসা থেকে বের হলে ৩০-৪০টা ক্যামেরার মধ্যে আপনি চলে যাবেন। সেখানেও হামলা হয়েছে। নাশকতা যারা করে, তারা তো সেভাবেই করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার ফোন দুইবার হ্যাক হয়ে গেছে, শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্যাম্পেইনিং করার জন্য। তো এটা কি নাশকতা না? এটাওতো নাশকতা। কীভাবে হয়েছে আমিও তো জানি না। দেখা যাচ্ছে আমার আইডি হ্যাকিং করে পাকিস্তানি এক লোকের নামে চালানো হচ্ছে, একজন হিন্দু মহিলার নাম দিয়ে। আমার এটি উদ্ধার করতে প্রায় ২০-৩০ দিন লেগেছে। এটা তো বেশিদিন আগের ঘটনা না, ২০১৯ সালের ঘটনা। কাজেই যারা নাশকতা করবে, যারা বেড গেইম প্লে করে তারা আরও বেশি স্কিলড। তারা আরও বেশি মেধাবী।

যেহেতু সেখানে ক্ষতিকর কিছু ছিল না। মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে তাহলে ব্যবস্থার সুযোগ নেই-এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদন্তের মধ্যে বেরিয়ে আসবে। যদি মালিকপক্ষ তদন্তের মধ্যে আসে, গাফিলতি আছে, ডেফিনেটলি আইনের আওতায় আসবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

এটার মালিক সেখানকার আওয়ামী লীগের একজন নেতা। অনেকেই বলছেন তাকে ছাড় দেওয়ার একটা ব্যবস্থা হতে পারে। আপনি কি বলবেন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে রাজনীতির সঙ্গে তো কোনো সম্পর্ক নেই। সেখানে তো দেখলাম জামায়াতের আমিরও গেছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…