খুঁজুন
, ,

সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 June, 2022, 8:23 pm
সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে

এক লিটার বোতলজাত সয়াবিনের নতুন দর মিলগেটে ১৯৫ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১৯৯ টাকা ও খুচরায় ২০৫ টাকা।

আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট পেশের দিন সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম দাঁড়াল ২০৫ টাকা।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খন্দকার নূরুল হকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বর্ধিত এই দাম জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ভোজ্যতেলের মিলগেট, পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ৫ মে সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে লিটারে বাড়ে ৩৮ টাকা। নতুন দাম হয় ১৯৮ টাকা।

এক বছর আগেও বোতলজাত তেলের লিটার ছিল ১৩৪ টাকা করে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি তা নির্ধারণ করা হয় ১৬৮ টাকা। ব্যবসায়ীরা মার্চ থেকে লিটারে আরও ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করতে চেয়েছিল। কিন্তু সরকার রাজি না হলে সেদিন থেকে বাজারে সরবরাহে দেখা দেয় ঘাটতি।

এরপর সরকার ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিক্রির ওপর থেকে ভ্যাট পুরোপুরি আর আমদানিতে ৫ শতাংশ রেখে বাকি সব ভ্যাট প্রত্যাহার করে নেয়। পরে গত ২০ মার্চ লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ঠিক করা হয় ১৬০ টাকা।

সেদিন পাঁচ লিটারের বোতল ৭৯৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৬০ টাকা এবং খোলা সয়াবিনের দাম ১৪৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

নতুন দর অনুয়ায়ী এখন থেকে খোলা সয়াবিন তেল এক লিটার মিলগেটে ১৮০ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১৮২ টাকা ও খুচরায় ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।

এক লিটার বোতলজাত সয়াবিনের নতুন দর মিলগেটে ১৯৫ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১৯৯ টাকা ও খুচরায় ২০৫ টাকা।

পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল মিলগেটে ৯৫২ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ৯৭২ টাকা ও খুচরায় ৯৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক লিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মিলগেটে ১৫৩ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১৫৫ টাকা ও খুচরায় ১৫৮ টাকা।

নির্ধারিত মূল্যের বেশি দরে বিক্রি হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুয়ায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Feb2
Feb2

আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 5:31 pm
আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল কাঠামো (প্রিন্সিপাল) নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের সময় ও ধাপ (সিকুয়েন্সিং) সরকারই নির্ধারণ করবে, আর এতে আইএমএফ সম্মত হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইএমএফ ধাপে ধাপে কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় কোন সংস্কার কখন বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে। এ বিষয়ে আইএমএফ সম্মতি দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের দায়িত্ব ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে আইএমএফ সম্মান করে।

তিনি আরও জানান, দেশের আর্থিক খাতে সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইএমএফ। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের উন্নয়ন এবং কর-জিডিপি (ট্যাক্স-জিডিপি) অনুপাত বৃদ্ধির বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। তবে এসব ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে তারা।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন কর্মসূচির ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলমান থাকবে। আগামী অক্টোবরে ব্যাংককে আইএমএফের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। এ ছাড়া আইএমএফের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরও করবেন বলে জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 4:56 pm
সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’

রোববার (১৩ জুলাই) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এক সেনা পরিবারে বড় হয়েছি। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে আমার ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে যায়। ’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান। তিনি তাঁদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 4:44 pm
আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এটি নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গৌরনদীতে আজ ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। বাকি পরিবারগুলোকেও ধাপে ধাপে এর আওতায় আনা হবে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার গঠনের পর যে বাজেট পাওয়া গেছে, সেটি আগের সরকারের তৈরি করা বাজেট ছিল। সেখানে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তবে নতুন বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী এক বছরের বাজেটের ভিত্তিতে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সে হিসাবে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় ৭ হাজার পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি। নারীদের এগিয়ে নিতে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে।

সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন।