খুঁজুন
, ,

নব্য রাজাকার সনাক্তের দাবি;মুক্তিযোদ্ধা দিবসকে স্বাগত জানালো চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 December, 2019, 4:04 pm
নব্য রাজাকার সনাক্তের দাবি;মুক্তিযোদ্ধা দিবসকে স্বাগত জানালো চট্টগ্রাম

নব্য রাজাকার ও নব আলবদর সনাক্তের মধ্য দিয়ে বর্ণচোরাদের রুখে মুক্তিযোদ্ধাদের অসমাপ্ত লক্ষ্য মাত্রা সমাপ্তের দাবি জানানো হয়েছে ।

মুক্তিযোদ্ধা দিবসকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রামের প্রগতিশীল জনতা।

এ উপলক্ষে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী । কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ জাতীয় সংগঠন ‘বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নে’র সহ-সভাপতি পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিজয়ের মাসকে বরণ এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভাটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ ট্রাস্ট চট্টগ্রামের সভাপতি সাহিত্যিক ও ছড়াকার আ.ফ.ম মুদাচ্ছের আলী, নগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন দেবনাথ, যুব সংগঠক এড. সৈয়দ খোরশেদ আলম হেলাল, সাংস্কৃতিক কর্মী কবি সজল দাশ, রিপন বড়ুয়া, তানভীরুল ইসলাম নাহিদ, মোহাম্মদ হোসেন, চট্টগ্রাম দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর, চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খোকন, সভাপতি তামাকুমন্ডলী লেইন দোকান কর্মচারী সমিতি মোহাম্মদ বখতিয়ার, চট্টগ্রাম হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ রনি, আন্দরকিল্লা হকার্স লীগের সভাপতি লোকমান হাকিম, মো: ওমর ফারুক, মো: ইউসুফ, মো: সোহেল, মো: আনোয়ার, মো: কাউসার, মোহাম্মদ কবির প্রমুখ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে এতোবেশি প্রাণ বলিদানের দৃষ্টান্ত বিশ্বে নেই। ত্রিশ লাখ বাঙালির আত্মত্যাগ মায়ের অশ্রু দ্বারা ও বীরের রক্তস্রোতে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি মাত্র অঙ্গুলি হেলেনে একটি নিরস্ত্র জাতি সামগ্রিকভাবেই সশস্ত্র হয়ে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চের অনেক আগে থেকেই বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামে প্রাণিত করেছিলেন। তাই স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সাথে সাথে এই পবিত্র মাতৃভূমি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল। এ গৌরব গাথা পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি মুক্তি সংগ্রামকে উদ্দীপ্ত করেছিল।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী নব্য রাজাকার ও নব আলবদর সনাক্তের মধ্য দিয়ে বর্ণচোরাদের রুখে মুক্তিযোদ্ধাদের অসমাপ্ত লক্ষ্য মাত্রা সমাপ্তের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে একটি বিজয়ী জাতির স্বাধীনতা কখনো ব্যর্থ হতে পারে না। আমরা এ সত্যটিকে ধারণ করে যাচ্ছি বলেই কোনো দুঃসময় চিরস্থায়ী হয়নি। শেখ হাসিনা আমাদের আদর্শের সর্বোচ্চ ঠিকানা। তাঁর বিশাল বিটপী নেতৃত্ব আমাদের প্রেরণা এগিয়ে যাওয়ার শক্তি।

সভাপতির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট স্মৃতি বিজড়িত বিজয়ের মাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপ কমিটির আহ্বায়ক মিরন হোসেন মিলন বলেন, মানবসভ্যতার ইতিহাসে যে কোনো দেশে মুক্তিযুদ্ধ মানবতাকেই বিজয়ী করেছে। এ বিজয় আমাদের কাছে ভালোবাসা ও অনুগতের ধন। এ ধনটিতে কোনো পাপ স্পর্শ করতে পারে না।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের শুরুতেই ১৯৭১ মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের স্মরণ ও ৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালোরাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্য এবং জাতীয় চারনেতা ও চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মাঈন উদ্দিন খান বাদল এম.পি’র আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।