খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের কতিপয় মন্ত্রীর অতিকথনও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে উস্কানি দিচ্ছে-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
সরকারের কতিপয় মন্ত্রীর অতিকথনও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে উস্কানি দিচ্ছে-সুজন

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : সরকারের কতিপয় মন্ত্রীর অতিকথনও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে উস্কানি দিচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, এখনই যদি দ্রব্যমূল্য সন্ত্রাসীদের দমন করা না যায় তাহলে আগামী রমজান মাসে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে আমরা আশংকা প্রকাশ করছি। তিনি দ্রব্যমূল্য সন্ত্রাসীদের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য সরকারের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান।

অব্যাহতভাবে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ বিকেলে চট্টগ্রাম পেস ক্লাব চত্ত্বরে ‘‘পেঁয়াজ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ঘৃণার আগুন ছড়িয়ে দাও” শীর্ষক প্রতিবাদী কর্মসূচী পালনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। পেঁয়াজ বিহীন রান্না করা খাবার

মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর প্রেস ক্লাবের সামনে জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগ কর্তৃক আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পেঁয়াজ সন্ত্রাসীদের কুশপুত্তলিকায় ঘৃণা প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও প্রতিবাদী সভা শেষে পেঁয়াজ বিহীন মুরগীর মাংস, মাছ, পালং শাক, লাল শাক, নুডুলস, ছোলা, পাকুড়া ও পিয়াজুসহ নানান পদের রান্না পরিবেশন করা হয়।

চলাচলের উৎসুক সাধারন জনগন স্বতস্ফুর্তভাবে লাইন ধরে পেঁয়াজ বিহীন খাবারের স্বাদ গ্রহণ করেন এবং পেঁয়াজ বিহীন খাবারও যে এতো সুস্বাদুভাবে পরিবেশন করা যায় সেজন্য উদ্যোক্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ দিয়ে তারাও বাসায় পেঁয়াজ বিহীন রান্না করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিকেল ৪টায় নগরীর প্রেস ক্লাব চত্বরে ব্যাতিক্রমী এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিন।

প্রধান অতিথি সুজন নগরবাসীর উদ্দ্যেশে বলেন, পেঁয়াজ রান্নার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। কিন্তু কি কারণে মাসের পর মাস এভাবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করা হবে তা আমাদের বোধগম্য নয়। ইতিমধ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা মোতাবেক পেঁয়াজ ন খাইয়্যুম পেঁয়াজ ন কিইন্যুম শীর্ষক সচেতনতা সভা করেছি এবং জনগনকে পেঁয়াজ বিহীন খাবার রান্না করার অনুরোধ জানিয়েছিলাম।

জনগনও এতে ব্যাপক সাড়া দিয়েছে। তারপরও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ জনগন উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থরে লুকিয়ে থাকা স্বার্থান্বেষী একটি মহল প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানকে বাঁধাগ্রস্থ করতে পরিকল্পিতভাবে এ মূল্য বৃদ্ধিও চক্রান্ত করছে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা পেঁয়াজ কারবারির সাথে জড়িত বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করেছে তারপরও কি কারণে তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তা জনগন জানতে চায়। এদের আশ্রয়দাতা কারা তা জনসন্মূখে প্রকাশ করা আজ সময়ের দাবী। খোরশেদ আলম সুজন

তিনি আরো বলেন আমরা আশংকাজনক হারে লক্ষ্য করছি ভোগ্যপণ্যের গুজব রটিয়ে চক্রান্তকারীরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এরা দেশ ও জাতির শত্রু। এরা জনগনের দুশমন। এদের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান সুজন।

সভার বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন পেঁয়াজকে কেন্দ্র যে সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ধুলিস্যাত করে দিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আমরা চট্টগ্রামের নারী সমাজ একতাবদ্ধ। আমরা পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত সবার ঘরে ঘরে পেঁয়াজ বিহীন রান্না করবো। পেঁয়াজসহ সকল দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমরা রাজপথে থেকে আমাদের প্রতিবাদ জানিয়ে যাবো।

নাগরিক উদ্যোগের উপদেষ্ঠা হাজী মো. ইলিয়াছের সভাপতিত্বে এবং সমন্বয়কারী মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মমতাজ খাঁন, মহিলা কাউন্সিলর ওয়াসা বোর্ড মেম্বার আফরোজা কালাম, শারমিন সুলতানা ফারুক, মিথুন বড়ুয়া, বেসরকারি কারা পরিদর্শক আজিজুর রহমান আজিজ প্রমূখ।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, আব্দুর রহমান মিয়া, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, মো. নিজাম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক শওকত হোসাইন, ফরহান আহমেদ, মোঃ সালাউদ্দিন, আবুল কালাম বিএসসি, আবুল হাসেম বাবুল, মিসেস তাহমিনা বেগম, শফিউল আজম বাহার, মহিউদ্দিন শাহ, মাঈনুল হক লিমন, এনামুল হক মিলন, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, এ এস এম জাহিদ হোসেন, আবুল হাসান সৈকত, কাউন্সিলর নীলু নাগ, ডা. অঞ্জন দাশ, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, নাজিম উদ্দিন, সমীর মহাজন লিটন, সাইফুল্লাহ আনছারী, মো. মুরাদ, ফরহাদুল ইসলাম রিন্টু, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, অনির্বান দাশ বাবু, শেখ মামুনুর রশীদ, ফারজানা মুন্নী, সোলেমান সুমন, শাহনেওয়াজ রাজীব, পাভেল ইসলাম, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, তালেব আলী, নাঈম রনি, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, আফম সাইফুদ্দীন, নোমান চৌধুরী, সুজন বর্মন, ইরফানুল আলম জিকু, মিনহাজুল আবেদীন সানি, খোরশেদ আলম, হাসানুল আলম সবুজ, আবু তারেক রনি, এহসানুল কবির ববি, আবু সালেহ রিমন, শেখর দাশ, মো. ওয়াসিম, বিকাশ দাশ, আব্দুল জাহেদ মনি, সুভাষ মল্লিক সবুজ, রাকিবুল হাসান, ফয়সাল সাব্বির, ইবনে জামান ডায়মন্ড, মীর মো. ফয়সাল, আকবর হোসেন রাজন, মিজানুর রহমান প্রমূখ।

Feb2

সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০ হাজার টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করে রাজধানীর মহাখালী জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছে বলে জানায় র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী কাওরানবাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় ৫ ভাড়াটে সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় তার হাত ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। র‍্যাব-১ ও সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে দক্ষিণখান থেকে শরিফুল আলম করিম, বাড্ডা থেকে আমিনুল ইসলাম কালু, সাজ্জাদ বদি, সালাউদ্দিনকে এবং আরিফুজ্জামানকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই দ্বন্দ্ব থেকেই ২০ হাজার টাকায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়োগ দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এতে কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলেও জানায় র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, টেন্ডারকে ঘিরে বিরোধে জড়িত দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি ‘রুবেলের ইএমই ট্রেডার্স’ এবং অন্যটি ‘মোনায়েম গ্রুপ’। এর মধ্যে রুবেল মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। তার পক্ষে দেশে থাকা শরীফুল আলম করিমসহ অন্যরা কাজটি সম্পন্ন করেন।

র‍্যাব কর্মকর্তারা বলছে, মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। হামলার ধরণ দেখে মনে হয় এটি হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, বরং ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়, যা তদন্তে সহায়ক হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পেছনে থাকা মূল পরিকল্পনাকারী রুবেল বিদেশে অবস্থান করছে। তবে তিনি এই টেন্ডার কমিটিতে ছিলেন কিনা সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি র‍্যাব।

ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিলি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২৫)।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তার মেয়ের ননদ শিরিনা ও তার ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা তার মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।