খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০২২, ১:০৪ অপরাহ্ণ
শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের জয়

প্রতিপক্ষকে পাহাড়সম লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল নিউজিল্যান্ড। অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকল আয়ারল্যান্ড। কিন্তু শেষ ওভারের নাটকীয়তায় পেরে উঠল না স্বাগতিকরা। শেষ বলের রোমাঞ্চকর জয়ে হোয়াইটওয়াশ করে ছাড়ল সফরকারীরা।

ডাবলিনে শুক্রবার তুমুল উত্তেজনা ছড়ানো তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৩৬০ রান। জবাবে ৩৫৯ রান করে ফেলেছিল আয়ারল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের জয় মাত্র ১ রানে।

শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০ রান। নিলেন ৮ রান। প্রথম বল ছিল ডট, দ্বিতীয় বলে ১ রান। তৃতীয় বলে ক্যাচ উঠলেও ফিল্ডার ধরতে পারেননি, ফল যায় বাউন্ডারির বাইরে। ৩ বল থেকে ৫।

বাকি ৩ বলে ৫ নিতে পারলেই ইতিহাসের সবচেয়ে শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচটিতে জয় হবে আয়ারল্যান্ডের। কিন্তু চতুর্থ বলেই বাউন্ডারি মারা ইয়ং ১ রানের পর দ্বিতীয় রান নিতে গিয়েই আউট হয়ে গেলেন। ৫ম এবং ৬ষ্ঠ বলে নিলেন কেবল ১টি করে রান।

শেষ পর্যন্ত মাত্র ১ রানের দুঃখজনক পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো আইরিশরা।

নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল আয়ারল্যান্ড, ২০২০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। স্টার্লিংয়ের ১০৩ বলে ১২০ রান ও টেক্টরের ১০৬ বলে ১০৮ রানের ইনিংসে সেই রেকর্ড ভাঙার আশা জাগায় তারা। শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হলো না।

আরেকটি কীর্তিও গড়ার পথে ছিল অ্যান্ডি বালবার্নির দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়তে পারত তারা। ২০১৫ সালে তাদের ৩৫০ রানের লক্ষ্যে জিতেছিল ইংল্যান্ড।

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। শুরু থেকেই মারমুখি ছিলেন কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিল। ফিন অ্যালেনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়েন ৭৮ রানের জুটি। ৩৩ রান করে আউট হন ফিন অ্যালেন। ১২৬ বলে ১১৫ রান করে আউট হন মার্টিন গাপটিল।

তিন নম্বরে নামা উইল ইয়ং আউট হন মাত্র ৩ রান করে। অধিনায়ক টম ল্যাথাম করেন ৩০ রান। হেনরি নিকোলস ৫৪ বলে করেন ৭৯ রান। গ্লেন ফিলিপস ৩০ বলে করেন ৪৭ রান। মিচেল ব্রেসওয়েল ২১ রানে এবং মিচেল সান্তনার অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৩৬০ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই অ্যান্ডি বালবিরনির উইকেট হারালেও বিচলতি হয়নি আয়ারল্যান্ড। অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে ৫৫ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন পল স্টার্লিং। ২০ বলে ২৬ রান করে আউট হন ম্যাকব্রাইন।

এরপর পল স্টার্লিং এবং হ্যারি টেকটর মিলে গড়ে তোলেন ১৭৯ রানের বিশাল এক জুটি। ২৪১ রানের মাথায় গিয়ে আউট হন পল স্টার্লিং। ততক্ষণে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ১২০ রান। ক্যারিয়ারে এটা তার ১৩তম সেঞ্চুরি।

হ্যারি টেকটর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে আউট হন ১০৮ রান করে। গ্যারেথ ডিলানি ২২, কার্টিস ক্যাম্পার ৫, লোরকান টাকার ১৪, জর্জ ডকরেল ২২ রান করে আয়ারল্যান্ডকে একেবারে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ১টি রানের জন্য ঠেকে যেতে হলো তাদের।

ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন মার্টিন গাপটিল।

আগামী সোমবার শুরু দুই দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

এন-কে

Feb2

তিউনিসিয়ার জালে সুইডেনের পাঁচ গোল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
তিউনিসিয়ার জালে সুইডেনের পাঁচ গোল

কানাডার মন্টেরিতে আজ (সোমবার) তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ৫-১ গোলের দুর্দান্ত জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে সুইডেন। দলের হয়ে গোল করেছেন তিন তারকা ইয়াসিন আয়য়ারি, আলেকজান্ডার ইসাক ও ভিক্টর গিওকেরেস।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই সুইডেনকে এগিয়ে নেন আয়য়ারি। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আবদেলমুহিব চামাখ নিজের লাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে আসায়, ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। এরপর আধঘণ্টার মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইসাক। গিওকেরেসের একটি চমৎকার পাসে বল পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে গোল করেন তিনি।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক দুই মিনিট আগে ওমার রেসিকের একটি দুর্দান্ত হেডারে ব্যবধান কমায় তিউনিসিয়া। তবে ৫৯ মিনিটে সুইডেনের দুই গোলের ব্যবধান আবারও ফিরিয়ে আনেন গিওকেরেস। তিউনিসিয়ার মিডফিল্ডার এলিয়েস স্কিরি বক্সের ঠিক বাইরে বল হারালে সেই সুযোগে গোলটি করেন তিনি।

ম্যাচ শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে মাটিয়াস সোয়ানবার্গ সাইড-ফুটের শটে দলের চতুর্থ গোলটি করেন। আর স্টপেজ টাইমে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে তিউনিসিয়ার বড় পরাজয় নিশ্চিত করেন আয়য়ারি।

এই জয়ের পর ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষে রয়েছে সুইডেন। দিনের অন্য ম্যাচে জাপান ও নেদারল্যান্ডস ২-২ গোলে ড্র করায় তারা সুইডেনের পেছনে রয়েছে।

লেবাননে হামলা বন্ধ, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারসহ যা থাকছে চুক্তিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
লেবাননে হামলা বন্ধ, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারসহ যা থাকছে চুক্তিতে

১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে অবসান ঘটতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের। আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলা চালানোর পর এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল।

ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘মেহের নিউজ এজেন্সি’র তথ্যমতে, খসড়া চুক্তিটিতে মোট ১৪টি প্রধান পয়েন্ট বা শর্ত রয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে স্থায়ী ও তাৎক্ষণিক সামরিক অভিযান বন্ধ করা। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নৌবাহিনীর সব ধরনের অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত ও অবাধ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া। ইরানের চারপাশ ও সীমান্ত এলাকা থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি।

ইরানের তেল বিক্রির ওপর থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা। চুক্তি স্বাক্ষরের ৬০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের ২৪ বিলিয়ন (২ হাজার ৪০০ কোটি) মার্কিন ডলারের তহবিল অবমুক্ত করা।

চুক্তি স্বাক্ষরের ৬০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষ পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়গুলোর একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাবে।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আটকে থাকা তহবিলের অন্তত অর্ধেক অর্থ ছাড় না করা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে বিধিনিষেধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ইরান চূড়ান্ত আলোচনায় বসবে না।

তবে এবারের আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে তেহরানের সমর্থনের বিষয়টি আলোচনার এজেন্ডা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

কারা প্রথম এই ঘোষণা দেন?
রোববার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রথম এই চুক্তির খবর প্রকাশ করেন। কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ মধ্যস্থতায় এই পরোক্ষ আলোচনা সফলতার মুখ দেখেছে।

শাহবাজ শরীফের ঘোষণার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে লেখেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তিতে তিনি নিজে অথবা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইলেকট্রনিক উপায়ে স্বাক্ষর করতে পারেন।

তবে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, ইরান চুক্তি লঙ্ঘন করলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে। অথবা মধ্যপ্রাচ্যের মোট রাজস্বের ২০ শতাংশের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের ‘অভিভাবক’ হতে পারে।

শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরকে হারাল আইভরি কোস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২০ পূর্বাহ্ণ
শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরকে হারাল আইভরি কোস্ট

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় আমাদ দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আইভরি কোস্ট।

দক্ষিণ আমেরিকার দলটি তিনবার পোস্ট ও বারে আঘাত করে গোলবঞ্চিত হয়। অন্যদিকে আইভরি কোস্টও একবার বারে আঘাত করেছিল। অবশেষে ৯০তম মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফরোয়ার্ড ডি-বক্সের কোনা থেকে বল জালে জড়ান।

প্রথমার্ধে ইকুয়েডর তুলনামূলক ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। ইমানুয়েল আগবাদুর ভুলের সুযোগ নিয়ে পেনাল্টি এরিয়ায় জায়গা পেয়েও এনার ভ্যালেন্সিয়া বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন।

জন ইয়েবোহ গোলের আরও কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন, কিন্তু ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া তার শটটি বারে লেগে ফিরে আসে। এছাড়া পেড্রো ভিটের থ্রু পাস থেকে বল পেয়ে অ্যালান মিন্দার শটও পোস্টে আঘাত করে।

১৯ বছর বয়সী ইয়ান দিওমান্দে আইভরি কোস্টের ডান প্রান্তে বেশ চমৎকার খেলছিলেন, কিন্তু তার তৈরি করা আক্রমণগুলো থেকে দল সুবিধা নিতে পারছিল না। নিকোলাস পেপে একটি সুযোগে শট নিতে বেশ দেরি করে ফেলেন এবং তার অন্য একটি শট সতীর্থ এলি ওয়াহির গায়ে লেগে প্রতিহত হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গঞ্জালো প্লাতার সাথে চমৎকার ওয়ান-টু পাসের পর ভ্যালেন্সিয়ার শটটি পোস্টের বাইরের দিকে লাগে। তবে বিরতির পর আইভরি কোস্টই বেশি ভালো সুযোগ তৈরি করতে শুরু করে।

দুর্দান্ত খেলতে থাকা দিওমান্দে বক্সে ঢুকে দুইবার শট নিলেও তা পোস্টের ওপর ও বাইরে দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে তার একটি ক্রস থেকে ওয়াহির নেওয়া শটও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

অন্যপ্রান্তে, প্লাতার ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া একটি শট দারুণভাবে রক্ষা করেন ইয়াহিয়াহ ফোফানা। জোয়েল অর্ডোনেজ একটি ফ্রি-কিক থেকে হেডের মাধ্যমে বল বারের ওপর দিয়ে পাঠান। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উইলফ্রিড সিঙ্গোর চমৎকার দৌড় ও ক্রসের পর ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে নিখুঁত শটে বল পোস্টের ভেতরের দিকে পাঠিয়ে শেষ পর্যন্ত ডেডলক ভাঙেন দিয়ালো।