খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমতে পারে স্বর্ণের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০২২, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
কমতে পারে স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে গত এক সপ্তাহে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশেও দামি এই ধাতুটির দাম কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

শনিবার (১৬ জুলাই) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, বিশ্ববাজারে দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে ঈদের আগে দেশের বাজারে এক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। এরপর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমেছে। অপরদিকে টাকার বিপরীতে ডলার ও দিরহামের দাম বেড়েছে। এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করবে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, এক মাসের বেশি সময় ধরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। এতে ১৫ মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামেও বড় পতন হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া প্লাটিনামের দাম কমেছে ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

এক মাস আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৫৬ দশমিক ৬১ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন তা এক হাজার ৭০৬ দশমিক ৭৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক মাসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ১৪৯ দশমিক ৮৩ ডলার। এর মধ্যে গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ৩৫ ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহে কমেছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম। সবশেষ সপ্তাহে প্রতি আউন্স রুপার দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৬১ ডলার বা ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৬৯ ডলারে। এছাড়াও প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহে কমেছে ৪৬ দশমিক ৪৬ ডলার বা ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৫০ দশমিক ৫০ ডলারে।

বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রেক্ষিতে সর্বশেষ ঈদুল আজহার তিনদিন আগে ৭ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৪ হাজার ৮৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৯ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে দেশের বাজারে এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হবে কি না জানতে চাইলে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। তবে এটাও দেখতে হবে স্বর্ণের দাম কমলেও টাকার বিপরীতে ডলার ও দিরহামের দাম বেড়েছে। দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে এসব বিষয় আমাদের বিবেচনায় নিতে হয়। আজ বিকেলে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠক আছে। ওই বৈঠকের মাধ্যমে আমরা স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় দরপতনের ঘটনা ঘটছে গত কয়েক মাস ধরেই।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ব অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হু হু করে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম।

রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম চার দশমকি ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়। যার প্রেক্ষিতে ৩ মার্চ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া সেসময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবার বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ এবং ২২ মার্চ দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও দেশে ১২ এপ্রিল সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ধাপে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা।

তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে ২৬ এপ্রিল আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়।

ঈদের পর এক সপ্তাহ না যেতেই ১১ মে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর ২২ মে আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৮২ হাজার ৪৬৫ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ২৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৫৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৮৫৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ওই দাম বাড়ানোর চারদিনের মাথায় দেশের বাজারে আবার স্বর্ণের দাম কমানো হয়। ২৬ মে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সেসময় সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ঈদুল আজহার তিনদিন আগে ৭ জুলাই আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়।

এন-কে

Feb2

মনোরেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
মনোরেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরের যানজট নিরসনে চট্টগ্রাম মহানগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থা ও মনোরেল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা নিয়ে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রেস্ট হাউজে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে বৈঠক করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ-ডিটিসিএ এর ৫ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করলে আগামী বছরের মধ্যে প্রকল্পের মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, এ প্রকল্পটির বাস্তবায়নের বিষয়ে আমি ইতিমধ্যে সড়ক ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পটির প্রি-ফিজিবিলিটি স্টাডিও সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ মহল অত্যন্ত আগ্রহী আছে। যদি আমরা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই শেষ করতে পারি, তাহলে আগামী বছরের মধ্যে প্রকল্পটির মূল কাজ করা সম্ভব হবে। আর তাহলে বাংলাদেশের প্রথম মনোরেল চালু হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে। সভায় চট্টগ্রাম নগরীর ট্রাফিক জ্যাম নিরসন, বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মনোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ-ডিটিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (ম্যাস ট্রানজিট) ও যুগ্মসচিব আবদুল লতিফ খান, ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি অব আরবান মেট্রো রেল ট্রানজিট কনস্ট্রাকশন অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এরিয়া-সিএমএ প্রকল্প পরিচালক ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মীর মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার, সিএমএ প্রকল্প এবং ম্যাস ট্রানজিট প্ল্যানার মুহাম্মদ আবদুর রকিব এবং সহকারী ম্যাস ট্রানজিট ইঞ্জিনিয়ার (বিআরটি) মোঃ ইনজামুল হক মেহেদী।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ও গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ শাফকাত আমিন, আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের প্রধান প্রতিনিধি কাউসার আলম চৌধুরী প্রকল্পের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

এসময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দরনগরী, বাণিজ্যিক রাজধানী এবং অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যানজট এ নগরীর উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন কর্মঘণ্টার অপচয়, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং জনভোগান্তির কারণে নগরবাসীকে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ বাস্তবতায় আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।”

তিনি বলেন, “মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। নগরবাসী দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে সড়কের ওপর চাপ কমে যাবে এবং যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। আমরা চাই পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট মহানগরীতে রূপান্তর করতে।”

মেয়র আরও বলেন, “চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ বিবেচনায় মনোরেল একটি সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হলে আগামী বছরের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। চট্টগ্রামবাসীর বহুদিনের প্রত্যাশা পূরণে সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের উন্নয়ন শুধু এই নগরীর উন্নয়ন নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি। মনোরেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত, গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডিটিসিএর কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “চট্টগ্রামের পরিবহন খাতের উন্নয়নে আপনাদের কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো, যা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ও উন্নত নগরী উপহার দেবে।”

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ-ডিটিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক ড. মোঃ মশিউর রহমান জানান, ৫ জুন থেকে ৭ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ডিটিসিএর ৫ সদস্যের এই টিম চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সরেজমিন পরিদর্শন করছেন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে সভা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে প্রকল্পের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবেন।

সভায় গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “চট্টগ্রামকে একটি স্মার্ট, আধুনিক ও টেকসই নগরে রূপান্তরের অংশ হিসেবে মনোরেল প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, পাহাড়-সমুদ্রবেষ্টিত অবস্থান, সীমিত সড়ক অবকাঠামো এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগর বিন্যাস বিবেচনায় এখানে মেট্রোরেলের তুলনায় মনোরেল অনেক বেশি বাস্তবসম্মত ও ব্যয়-সাশ্রয়ী সমাধান হতে পারে। মনোরেল নির্মাণে তুলনামূলকভাবে কম জায়গার প্রয়োজন হয় এবং বিদ্যমান সড়ক ব্যবস্থার ওপর কম প্রভাব পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। বন্দর, শিল্পাঞ্চল ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত হয়। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী যানজট নগরীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করছে। মনোরেল চালু হলে নগরবাসী দ্রুত ও নিরাপদ যাতায়াত সুবিধা পাবে, একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়বে।”

আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিশ্বের অনেক উন্নত শহরে মনোরেল সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি একটি পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত। চট্টগ্রামেও দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। আমরা আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগে এ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে।”

মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

মাটির গুণগত মান বজায় এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপণ কীভাবে হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলহাজরায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত। ভারতের গোয়ার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আজ শুধু ট্রফির লড়াই নয়, মর্যাদা, আধিপত্য, প্রতিশোধ এবং ইতিহাস গড়ারও লড়াই। বাংলাদেশের সামনে বিরল কীর্তি গড়ার হাতছানি। ২০২২ ও ২০২৪ সালের পর এবারও শিরোপা জিতলে টানা তৃতীয়বার সাফের চ্যাম্পিয়ন হবেন লাল-সবুজের মেয়েরা। স্বাগতিক ভারতের লক্ষ্য হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা।

ফাইনালে ওঠার পথে দুদলের যাত্রা ছিল ভিন্ন। গ্রুপপর্বে ভারত বাংলাদেশের অপরাজেয় পথচলায় ধাক্কা দেয় ৩-০ গোলের জয়ে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশকে ছন্নছাড়া দেখালেও সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় পিটার বাটলারের দল। অন্যদিকে ভারত ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। ফাইনালের আগে বাংলাদেশ শিবিরে আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। কোচ পিটার বাটলার শুরু থেকেই বলে আসছেন, ভারতের বিপক্ষে তার দল ভিন্ন চেহারায় মাঠে নামবে। গ্রুপপর্বের পরাজয়কে তিনি দেখছেন শিক্ষার অংশ হিসাবে। তার বিশ্বাস, ভারতের আক্রমণাত্মক ফুটবল বাংলাদেশের জন্য পালটা আক্রমণের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সেই কৌশল রপ্ত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে দল। বাংলাদেশের ফুটবলাররাও জানেন, ফাইনাল একেবারেই আলাদা ম্যাচ। গ্রুপপর্বের ফল এখানে কোনো মূল্য বহন করে না। বড় ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করার সামর্থ্য আগেও দেখিয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতও সতর্ক। কোচ ক্রিসপিন চেত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, ফাইনালে দুদলের সম্ভাবনাই সমান। ভুটানের বিপক্ষে জয় পেলেও নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন তিনি। ভারতেরও লক্ষ্য নিজেদের সেরাটা উপহার দেওয়া।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন দুদলের তারকা ফুটবলাররা। বাংলাদেশের আক্রমণভাগে ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর থাকবে বাড়তি দায়িত্ব। ভারতের আশা থাকবে সানফিদা নংরুম, মালাভিকা এবং গোলরক্ষক পন্থোই চানুকে নিয়ে।

একদিকে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন, অন্যদিকে ভারতের হারানো সিংহাসন পুনরুদ্ধারের আকাক্সক্ষা। সব হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে গোয়ার ফাইনাল আজ রূপ নেবে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহারণে। অপেক্ষা শেষ বাঁশির। কার হাতে উঠবে সাফের সোনালি ট্রফি। কার মাথায় শোভা পাবে দক্ষিণ এশিয়ার রানির মুকুট।