খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ড পন্থিছিলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২, ৪:১০ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ড পন্থিছিলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধিঃ সীতাকুণ্ডের পন্থিছিলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষে মাদ্রাসাটিরই এডহক কমিটির সাবেক আহবায়ক ও ১ নং দাতা সদস্য ইউসুফ শাহ এ অভিযোগ আনেন।

লিখিত অভিযোগের কপি তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রদান করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের জুলাই মাসে স্থানীয় সংসদ সদস্য দিদারুল আলম মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির ১নং দাতা সদস্য ইউসুফ শাহকে নিয়োগ দেন। এর দুই মাস পর একই বছরের সেপ্টেম্বরে প্রথম বৈঠকে সুপারের নিকট মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে দেখাতে ব্যর্থ হন সুপার শহিদুল্লাহ। তখন সঠিক হিসাব উপস্থাপন করতে সুপারকে ১ সপ্তাহ সময় বেধেঁ দেন ইউসুফ শাহ। কিন্তু হিসাব না দিয়ে এই সময়ের মধ্যে কালক্ষেপণ করতে থাকেন সুপার শহিদুল্লাহ। পরবর্তীতে চাতুরী ও কৌশলের মাধ্যমে অনেকটা জোর খাটিয়ে সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে তৎকালীন কাউন্সিলর মো. জসিম উদ্দিনকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে বসান সুপার শহিদুল্লাহ।

অভিযোগের সূত্রে আরো জানা যায়, মো. শহিদুল্লাহ ২০০১ সালে পন্থিছিলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সুপার পদে যোগদান করেন। ২০০৫ সালে মাদ্রাসার চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের কাজীর দায়িত্বে যোগদান করেন। সে সময় কাজীর দায়িত্ব পালন করাকালীন মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন না করলেও তৎকালীন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে ‘ম্যানেজ’ করে সুপারের পদে নিয়োগ আটকে রাখেন তিনি। তিন বছর কাজীর দায়িত্ব পালন করার পর আবার মাদ্রাসার সুপারের পদে যোগ দেন তিনি। যোগ দিয়েই চাকরি না করেও বিগত তিন বছরের সরকারী বেতন-ভাতার ১১ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করে নেন তিনি। অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য কতৃক মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে অনুদানকৃত ১০ লাখ টাকার বেশিরভাগ তিনি আত্মসাৎ করেন। এছাড়া নুরানী শিক্ষা সম্পূর্ণ আলাদা প্রতিষ্ঠান হলেও এই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় তিনি অন্যায়ভাবে কুক্ষিগত করতেন।

ইউসুফ শাহ দাবি করেন মাদ্রাসা সুপারের দুর্নীতির সব তথ্য লিখিত আকারে দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রকৃত তদন্ত করলে তার আরো অনেক দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে।

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন সুপার শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন সব কিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। মাদ্রাসার কোন তহবিল আমি তসরুপ করিনি। তবে কাজীর দায়িত্ব পালন করা কালীন সরকারী বেতনের টাকা উত্তোলন করার কথা তিনি স্বীকার করেন। ‘চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেও সুপার পদে তিন বছর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি কেন ?’ এমন প্রশ্নের তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে তদন্তেে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে আমরা যা পেয়েছি সেই অনুযায়ী প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…