রাউজানে একমাসে অর্ধশত গরু চুরি
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলায় গরু চুরির ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত এক মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অর্ধশত গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এক রাতেই রাউজান উপজেলার চিকদাইর ও ডাবুয়া ইউনিয়নে ১৩টি গরু চুরি হয়েছে। ৩০ জুলাই (শনিবার) ভোর রাতে এ চুরির ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, চিকদাইর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের এজাহার মিয়ার বাড়ি আবুল কালামের চারটি, ডাবুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ডাবুয়া এলাকার নুর আহম্মদ সুখনীর বাড়ির মামুনুর রশিদের তিনটি, দিদারুল আলমের তিনটি, ও গণিঘাট এলাকার আমির মেম্বার বাড়ি থেকে তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।
গরু চুরি প্রসঙ্গে চিকদাইর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ চৌধুরী জানান, গরু চুরির পর চোর সনাক্ত ও চোরের দলকে ধরতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পুলিশকে চুরির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি চুরির সাথে জড়িতদের আটক করতে পারবে পুলিশ।
উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ২৮জুলাই ডাবুয়া ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকার ফজল করিমসহ দুই পরিবারের নয়টি গরু চুরি হয়। গত তিন মাস আগে ডাবুয়া ইউনিয়নের নয় নম্বার ওয়ার্ডের কলমপতি এলাকার আবদুল কাদের মুন্সির পাঁচটি গরু চুরি হয়।
গত ২৭ জুলাই পাহাড়তলী ইউনিয়নের ঊনসত্তর পাড়া এলাকা থেকে চারটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। গত কোরবানী ঈদের আগের দিন রাউজান ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের মাওলানা রাহাত আলী বাড়ি থেকে তিনটি কোরবানীর গরু চুরি হয়।
ঐ বাড়ির বাসিন্ধা উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি সারজু মোহাম্মদ নাছের এর একটিসহ তাদের বাড়ির আরো দুইটি চুরি হয়।
স্থানীয়দের তথ্য মতে, গত এক মাসে অর্ধ শতাধিক গরু চুরি হয়েছে রাউজানের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে।
রাউজানে উদ্বেগজনক ভাবে ঘোয়াল ঘর থেকে গরু চুরির ঘটনা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার অজয় দেব শীল বলেন, চিকদাইর ও ডাবুয়ায় গরু চুরির খবর পেয়েছি। তবে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এখন থেকে রাতে পুলিশের টহল বাড়ানো হবে। চোরের দলকে ধরার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান থানার ওসি (তদন্ত) কায়সার হামিদ বলেন, গরু চুরির বিষয়ে ধানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তারপরও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো।
জে-আর


আপনার মতামত লিখুন