খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হত্যা, মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও চুয়াডাঙ্গায় দৈনিক সকালের সময়ের জেলা প্রতিনিধি শামীম রেজাকে কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ও তার সহচর দ্বারা হেনস্তা এবং সারা দেশে সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন একাত্মতা পোষণ করেছে।

মানববন্ধনে সাংবাদিক শামীম রেজাকে হেনস্তাকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে বরখাস্ত করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।সাংবাদিক শামীম রেজার হেনস্তাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া না হলে চট্টগ্রাম থেকে সাংবাদিক সমাজ সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি দেয়ার হুশিয়ারী দেন।

বক্তারা আরো বলেন, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে তথ্য ভিত্তিক ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করে পত্রিকাটি সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে আসছে।

উক্ত পত্রিকার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অপচেষ্টা করেও কলম বন্ধ করতে পারেনি।চট্টগ্রামেও সকালের সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েও ব্যার্থ হয়েছে কুচক্রী মহল।

দৈনিক সকালের সময় চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টুর সভাপতিত্বে ৬ আগস্ট (শনিবার) সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগী চত্বরে মানববন্ধন আমাদের নতুন সময় চট্টগ্রামের সিনিয়র রিপোর্টার রিয়াজুর রহমান রিয়াজের সঞ্চালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক সকালের সময় চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার নজরুল ইসলাম।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মাহবুবুর রহমান দৈনিক আমাদের নতুন সময় চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কামাল পারভেজ, দৈনিক নয়া দিগন্ত স্টাফ রিপোর্টার ওমর ফারুক, নিউজ গার্ডেন সম্পাদক কামরুল হুদা,

সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা সম্পাদক এম আলী হোসেন, দৈনিক আজকের বিজনেজ বাংলাদেশ ব্যুরো প্রধান জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক পূর্বকোণ সহ সম্পাদক রাজীব রাহুল, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচর বিভাগীয় প্রধান কমল চক্রবর্তী, আব্দুল মতিন চৌধুরী রিপন, সাংবাদিক নুরুদ্দিন সাগর,

রাজু চৌধুরী, এশিয়ান টিভির নিজাম উদ্দীন খান, সোহাগ আরেফিন, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম প্রধান প্রতিবেদক মুজিব উল্যাহ তুষার, চট্টগ্রাম আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা এড. সেলিম চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও লেখক আ ফ ম মোদাচ্ছের আলী,

সাংবাদিক এম আর আমিন, মো. মোস্তফা জাহেদ, নেক্সাস টেলিভিশনের নাছির উদ্দীন, দৈনিক আমার সংবাদ চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মামুনুর রশীদ চৌধুরী, সি-চট্টলা টিভির মোহাম্মদ জোনাইদ, সাতকানিয়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সৈয়দ আক্কাস উদ্দীন,

দৈনিক অগ্নি শিখা ব্যুরো প্রধান স.ম জিয়াউর রহমান, দৈনিক বাংলাদেশের আলো ব্যুরো প্রধান জুয়েল বড়–য়া, আনিস খোকন, কে এম রাজিব, বিপ্লব দাশগুপ্ত, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. ইসমাইল, আরফাত ছিদ্দিকী, তৌহিদুল ইসলাম, মো. জুবাইর, মো. শফিকুল ইসলাম,

মো. আবদুল কাদের, মো. রফিকুল ইসলাম, শহিদুল হক ভূইয়া, বেলায়েত হোসাইন, বিপ্লব বড়–য়া বিজয়, সুমন বড়–য়া, ওসমান গনি, শেখ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী, এতে জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক, টিভি চ্যানেল, অনাইলন টিভির চট্টগ্রাম অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থাসহ বিভিন্ন সংগঠন।

জে-আর

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।