খুঁজুন
, ,

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের গণমাধ্যমে বৈষম্যের দেয়াল ভাঙ্গা প্রয়োজন-রিয়াজ হায়দার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 8 December, 2019, 4:44 pm
ঢাকা ও ঢাকার বাইরের গণমাধ্যমে বৈষম্যের দেয়াল ভাঙ্গা প্রয়োজন-রিয়াজ হায়দার

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ জাতীয় সংগঠন ‘বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের না চাইতেই অনেক কিছু দিয়েছেন। কথায় কথায় গ্রেফতারের যে প্রক্রিয়া ছিল সেটি বন্ধ করেছেন। সাংবাদিকদের ৫০০, ৫০১ ধারায় মানহানি মামলায় গ্রেফতারের ঝুঁকি এখন আর নেই।

তিনি বলেন, সরকার তথ্য অধিকার আইন করেছেন, তথ্য কমিশন করেছেন। সাংবাদিকদের কল্যাণ তহবিল ও কল্যাণ ট্রাস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর স্নেহসিক্ত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দায়িত্ব¡ গ্রহণের পর গণমাধ্যমকর্মীদের প্রত্যাশিত কিছু কাজ ‘রকেট গতি’তে করলেও গণমাধ্যমে সেবা, সহযোগিতা ও মর্যাদার প্রশ্নে এখনো আঞ্চলিক বৈষম্য বিদ্যমান রয়ে গেছে। সাংবাদিক

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে সাংবাদিকদের মধ্যকার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যে যে বৈষম্য তা রোধ করার জন্য তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিক নেতা রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রেস কাউন্সিল, প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ থেকে শুরু করে সব কটি সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এবং প্রধানমন্ত্রীর বহরে বিদেশ সফর ও সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা অপেক্ষাকৃত বঞ্চিত।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণের জন্য হলেও এই ‘বৈষম্যের দেয়াল ভাঙ্গা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি।

চট্টগ্রামের টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্টদের অ্যাসোসিয়শনের এক যুগ পদার্পণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদেও দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি এবং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বিশেষ অতিথি ছিলেন।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দিন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক ইকবাল, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নাসিরুদ্দিন তোতা, সাধারন সম্পাদক লতিফা আনসারি রুনা।

বক্তব্য রাখেন টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক শামসুল ইসলাম বাবু ও সাবেক সভাপতি এনামুল হক।

সাংবাদিক অনুপম পাথে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে অনুষ্ঠানে সাংবাদিক এজাজ মাহমুদ ও সৌমেন গুহকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া তিনজন সেরা রিপোর্টার ও ক্যামেরাপার্সনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। রিপোর্টার হিসেবে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন চ্যানেল-২৪-এর আকরাম হোসেন, দ্বিতীয় যৌথভাবে- দুইজন ফখরুল ইসলাম চ্যানেল-২৪ এবং মো. শোয়েব উদ্দিন-যমুনা টিভি, তৃতীয়- প্রণবেশ চক্রবর্তী-৭১ টিভি। ক্যামেরাপার্সনদের মধ্যে পুরস্কার পেয়েছেন মো. সেলিম, আবু জাহিদ, দিপংকর দাশ ও বাবুন পাল। ডকুমেন্টারীতে পুরস্কার পেয়েছেন এনামুল হক, সেলিম উল্লাহ, অমিত দাশ ও সঞ্জিব দেব বাবু।

রাত প্রায় বারোটায় অনুষ্ঠানের শেষ অংশে ছিল অনুষ্ঠানে অংশগ্রগ্রকারী সদস্য ও পরিবার বর্গের মধ্যে লাকী কুপন ড্র’র পুরস্কার বিতরণ পর্ব। এতে অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চ্যানেল ২৪ এর রিজিওনাল এডিটর কামাল পারভেজ, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উৎসব আহ্বায়ক রনী দাশ। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসোসিয়শনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব।

Feb2
Feb2

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 5:48 pm
পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। একটু আগে (বিকেল সাড়ে চারটা) স্পিকার বরাবর পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। বঙ্গভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লেখেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

ইতোপূর্বে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy) নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে; যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যেই কিছু সময় অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরও লেখেন, এসব রোগের প্রাদুর্ভাব ও শারীরিক-মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিকেল ৫টার পর সংবাদ সম্মেলন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদের ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 2:55 pm
জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয় দাবি করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়। আমরা একটা কথা পরিষ্কার বলেছি, অন্যায় আর জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে চলে না।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার রুকন সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমরা কোনো অন্যায় করি না। আমাদের ভুল, অন্যায়, দোষ ও অপরাধও হয়। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, যারা দেশ ও জাতিকে ভালোবাসেন, তারা আমাদের কোনো অন্যায় বা অপরাধ দেখলে তা আমাদের ধরে দিন। কথা দিচ্ছি- আমরা সংশোধন করব, ইনশাআল্লাহ।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনার গায়ে যদি সাদা কাপড় থাকে, তাহলে আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। ভেরি কেয়ারফুল! নৈতিকতার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীতে কোনো ছাড় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব সংশোধন করার। সহনীয় মাত্রার কোনো লঙ্ঘন হলে সংশোধনের মাধ্যমে তাকে আবারও দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু সেই মাত্রা যদি গুরুতর হয়, তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্তের দিকেই যেতে হবে। আর সেই বার্তা আমিসহ আমাদের সবার জন্য– সচেতন ও সতর্ক থাকার। সাবধান, সবাই সাবধান।

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 10:54 am
মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম নগরের বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩৫ টাকা ডজন। পাঙাশ মাছের দামও দু’শ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছুটা বেড়েছে চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজরের ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সপ্তাহে চাষের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে মাছ কম আসছে। এ কারণে কিছু মাছের দাম বেশি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি করছি। পাঙাশ ২২০ টাকা। তবে মরে গেলে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী। তারা জানান, ব্রয়লার আজকে ১৯০ টাকা কেজি কিনেছেন। গত মাসে মুরগির দাম কম ছিল। আজকে তো কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

এদিকে মাছের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।

আক্তারুজ্জামান নামে এক ক্রেতা বলেন, আমরা কী খাবো? সব কিছুর দাম তো বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে বেড়েছে সবজির দাম। মাছের দাম বাড়াটা হয়ত ‍বুঝা যায় না। কিন্তু ১০ টাকা হলেও বেড়েছে। দাম বাড়লেও আমাদের খেতে হবে।