খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেএসআরএম-আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর : সূচনা হলো সেরা থিসিস অ্যাওয়ার্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
কেএসআরএম-আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর : সূচনা হলো সেরা থিসিস অ্যাওয়ার্ড

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : কেএসআরএম ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশের (আইএবি) মধ্যে ১০ বছর মেয়াদী সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সম্প্রতি আইএবি সেন্টারে এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের জন্য ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস্: বেস্ট আন্ডারগ্রাজুয়েট থিসিস’ নামে একটি অ্যাওয়ার্ড চালু করা হবে।

এর মাধ্যমে মেধাবী স্থাপত্য শিল্প বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের পেশাগত জীবন শুরুর আগেই নিজেদের প্রতিভা প্রমাণ করার সুযোগ পাবে। এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরোয়ার জাহান ও আইএবির সভাপতি স্থপতি জালাল আহমদ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান, ব্র্যান্ড বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সিনিয়র কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও প্রোগ্রাম সমন্ময়ক স্থপতি আরেফিন ইব্রাহিম প্রমুখ।

এই কর্মসূচীর মাধ্যমে কেএসআরএম ও আইএবি যৌথভাবে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের জন্য কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড চালু করবে। এ লক্ষে আইএবি স্বীকৃত স্থাপত্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক পর্যায়ের শেষ বর্ষের ছাত্রদের সেরা গবেষণাপত্র (থিসিস) বা প্রকল্পের স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

সম্মাননা জানানো হবে স্টুডিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বাধিক মানসম্পন্ন ৩টি প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রকল্পসমূহ প্রদর্শন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে কেএসআরএম লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারোয়ার জাহান বলেন, আমরা সবসময় মানসম্পন্ন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করে থাকি। চেষ্টা করি তাদের মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন করতে।

সেই ধারাবাহিকতায় এবার আমরা আইএবি’র সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে স্থাপত্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরাদের তুলে আনার চেষ্টা থাকবে। যাতে শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বাস্তবমুখি স্থাপত্য শিক্ষার সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় ঘটে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…