খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 17 August, 2022, 1:02 pm
চট্টগ্রামে জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামের নৌ-বাহিনী ঘাঁটি ঈশা খা মসজিদে জেএমবি সদস্যদের বোমা হামলার দায়ে ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম চট্টগ্রাম আদালতে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো সাখাওয়াত হোসেন, রমজান আলী, আবদুল মান্নান, আবদুল গাফফার ও বাবুল রহমান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনোরঞ্জন দাশ বলেন, আদালত ৫ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। তারা সবাই জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য। এর মধ্যে সাখাওয়াত পলাতক। বাকিরা কারাগারে রয়েছেন। এই মামলায় চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় দিয়েছেন।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জালাল উদ্দীন বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের নৌ-বাহিনী ঈশা খাঁ ঘাঁটির দুটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালীন সময়ে জেএমবি সদস্যরা বোমা হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২৫ জন আহত হয়। মুসল্লিরা জেএমবির সদস্যদের আটক করে পুলিশে দেয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন নৌ-বাহিনীর সাবেক সদস্য।

এন-কে

Feb2
Feb2

ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:33 pm
ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আলোচিত যুগ্ম কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‍পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা ও রাজশাহী সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ্‌।

এ ছাড়াও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের বর্ণিত কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:09 pm
২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পূর্বনির্ধারিত অবশিষ্ট পরীক্ষা আগামী ২৭ জুলাই থেকে আবার শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। আর আগে যেসব পরীক্ষা অন্যত্র অনুষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু চট্টগ্রামে স্থগিত হয়েছে, সেগুলো পরে নতুন রুটিন প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি সৈয়দ আক্তারুজ্জামনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক পরিস্থিতি, অংশীজনদের মতামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের প্রতিবেদন এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ২৭ জুলাই থেকে অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো যথারীতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বন্যার কারণে যেসব পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল, সেগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

এর আগে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার বিঘ্নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

একইসঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার অবশিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 2:20 pm
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নতুন ও দূরদর্শী বিএনপি সরকার চায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসুন, নতুন উদ্যোগ নিন এবং ব্যবসা প্রসারিত করুন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক ‘এফআইসিসিআই এফডিআই সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তা কিংবা বিদেশি বিনিয়োগকারী—যে কেউ বাংলাদেশে মূলধন বিনিয়োগ করলে সরকার সময়, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকবে। এটি কেবল একটি আশ্বাস নয়, ইনশাআল্লাহ এটি আমাদের সরকারের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, আজকের সম্মেলনে দেশি-বিদেশি করপোরেট প্রধান, সফল বিনিয়োগকারী ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হয়ে উঠছে।

তারেক রহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তির প্রবর্তন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এজন্য তিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিজের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে তিনি নিজেও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন, কোনো ব্যবসার সফলতা শুধু উদ্যোক্তার দক্ষতা বা রাজনৈতিক আশ্বাসের ওপর নির্ভর করে না; বরং সরকারের প্রবৃদ্ধি-সহায়ক নীতিমালা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রয়েছে দ্রুত বিকাশমান বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ ও পরিশ্রমী মানবসম্পদ, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং জনগণের সমর্থনপুষ্ট একটি নির্বাচিত সরকার। এসব শক্তি বাংলাদেশকে টেকসই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি নিয়মভিত্তিক, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত এবং বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা। নির্বাচনী ইশতেহারে সেই অর্থনৈতিক রূপান্তরের সুস্পষ্ট রূপরেখা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শুধু বিনিয়োগ নয়, বরং বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রার বিশ্বস্ত অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

সরকারের পাঁচ মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগেই অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, উন্নয়ন সহযোগী ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা থেকে সরকার বিনিয়োগবান্ধব সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের প্রধান চাহিদা ছিল আইনি সুরক্ষা জোরদার, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব নিয়ন্ত্রক কাঠামো, সহজ কর ব্যবস্থা, মুনাফা নির্বিঘ্নে নিজ দেশে পাঠানোর সুযোগ, শক্তিশালী পুঁজিবাজার এবং উন্নত অবকাঠামো। সরকার ইতোমধ্যে এসব ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার আইনি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ সুরক্ষা, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি, কর ও ভ্যাট প্রশাসন সহজীকরণ এবং মুনাফা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সহজ করছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার শক্তিশালী করা, স্টার্টআপে উৎসাহ দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং বন্দর, লজিস্টিকস ও জ্বালানি নিরাপত্তা উন্নয়নে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ওষুধ শিল্প, ইলেকট্রনিক্স, ডিজিটাল সেবা, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, উন্নত বস্ত্রশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও লজিস্টিকস খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, তৈরি পোশাক খাতের বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বাসযোগ্য অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করে।