খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে আব্দুস সালাম স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:৪০ অপরাহ্ণ
হাটহাজারীতে আব্দুস সালাম স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

.jpg

দেশের যুব সমাজকে ধংস ও মাদকের হাত থেকে রক্ষার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসিম। তাই বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে আরো উন্নত করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সুতরাং শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া করে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যানে অবদান রাখার কথা বলা হয়েছে।

দেশকে বিশ্বের সাথে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নের্তৃত্ব দিতে হলে বর্তমান প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় হাটহাজারীতেও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তোলার জন্য আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তথ্য প্রযুক্তির উপর কাজ করে যাচ্ছে। ফলে তথ্য প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীরা আগামীতে সুন্দর একটি দেশ উপহার দিবে।

গত রবিবার হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আব্দুস সালাম স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থী ফ্রিলাঞ্চিং এর উপর স্কিল ডেভেলাপমেন্ট করে ক্যারিয়ার গড়ার উপর ভক্তরা আলোচনা করেন।

আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং সমন্বয় কমিটির সদস্য মোঃ শাহজাহান ও সার্ভেয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন টিপুর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস. এম রাশেদুল আলম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ফরিদ আহমেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সভাপতি ড. শিপক কৃষ্ণ দেব নাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এম নিয়াজ মোর্শদ, সাংবাদিক কেশব কুমার বড়ুয়া, প্রভাষক আবু তালেব, ফ্রিল্যান্সিার আসমিকা তাবাচ্ছুম মিথিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম দিদারুল আলম দুলাল, রেজাউল করিম বাবু, কামাল উদ্দিন আকাতার প্রমুখ।

প্রকৌশলী রিয়াজ মোর্শেদের স্বাগত বক্তব্য শেষে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবীর, মো: রিফাত, মাহমুদুল হাসান, সাজ্জাত, মামুন, মিজান, মেহেরাজ, ইসতিয়াক।

৩য় বারের মত অনুষ্ঠিত আব্দুস সালাম স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় হাটহাজারীর বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৭৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। তন্মধ্যে মোট ৪১ জনকে কৃতিত্বের স্মারকসহ সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং তাদেরকে আইটি জোন কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের অধীনে বিনামূল্যে তিন মাসের কম্পিউটার কোর্স প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

এদের মধ্যে থেকে সেরা ৫ জন শিক্ষার্থীকে কৃতিত্বের স্মারকসহ গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স পূণরায় বৃত্তি দেওয়া হয়।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।