খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে কন্টেইনার ডিপো নির্মাণের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে কন্টেইনার ডিপো নির্মাণের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ড উপজেলার ৮নং সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের গামারীতলা (দ. সোনাইছড়ী) গ্রামের ভিতরে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তা দিয়ে কাভার্ডভ্যান স্হাপন প্রক্রিয়াবন্ধ করার দাবিতে এবং এলাকাবাসিকে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বলে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে আজ ২২ আগস্ট (সোমবার) চট্রগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় এ গ্রামে দক্ষিণ সোনাইছড়ি আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম হাই স্কুল, দক্ষিণ সোনাইছড়ি জামে মসজিদ, গ্রামের উত্তর পাশে হাফিজ জুট মিলস সবুজ শিক্ষায়তন উচ্চ বিদ্যালয় ও দক্ষিনে শীতলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও শীতলপুর গাউছিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যায়নরত শতশত ছাত্র-ছাত্রী এ রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করে। এ রাস্তা ছাড়া এলাকাবাসী ও ওই সকল প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ছাত্রছাত্রীদের চলাচলের আর কোন বিকল্প রাস্তা নেই।

বিভিন্ন সময়ে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তা নষ্ট হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা জন্য রাস্তা এটিকে যাতে ভারী যান চলাচল করতে না পারে সেজন্য এলাকাবাসী রাস্তায় বাঁশের বেড়া দেয়।

এলাকার নুরুল আলম চৌধুরী নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি গ্রামের মধ্যে হাই স্কুল ও মসজিদের মাঝখানে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তার পরিত্যক্ত খালি জায়গায় কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপন করার অপচেষ্টা স্বরুপ ১ আগষ্ট সোমবার দিবাগত রাত্রে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে বাঁশের বেড়া সরিয়ে সকালে শত শত কাভার্ডভ্যান গ্রামের ভিতরে প্রবেশ করায়।

এতে এলাকাবাসী ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। গ্রামবাসী ও ছাত্র-ছাত্রীদের চলার পথে শত শত গাড়ির বেপরোয়া গতিতে আসা যাওয়ার ফলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে ও দুর্ঘটনা ঘটছে। কন্টেইনার ডিপোতে শতশত ড্রাইভার ও হেলপারের আনাগোনায় পুরো এলাকা মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে।

রাস্তাঘাটে ড্রাইভার ও হেলপার দের আনাগোনায় স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে। দিনে রাতে এলাকায় গাড়ি গুলোর বেপরোয়া চলাচল ও বিকট হর্নের শব্দ দূষণের কারনে ছাত্র- ছাত্রী ও মুসল্লিদের ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচেছ।

কন্টেইনার ডিপো নির্মাণ করার ফলে মহাসড়ক থেকে গ্রামের জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত কাভার্ডভ্যান /কন্টেইনার ট্রাক চলাচল করছে। এ কারণে গ্রামের মানুষের চলাচলের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসল্লীদের যাতায়াতের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, গ্রামের মধ্যে ট্রাক ডিপো তৈরীর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৫০০/ ৬০০ কাভার্ডভ্যান / কন্টেইনার ট্রাক আসা যাওয়া করে। ফলে স্কুলের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের চলাচলে বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। ট্রাকগুলোতে করে শত শত রাসায়নিক পদার্থসহ বিভিন্ন ক্যামিকেল আনা নেওয়া করছে।

যার ফলে এলাকাবাসী চরম আতংকের মধ্যে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএম ডিপোতে স্মরণকালের ভয়াবহ কেমিক্যাল কন্টেইনার বিস্ফোরণের কথা চিন্তা করে অবিলম্বে এ কন্টেইনার ডিপো বন্ধ করার আহবান জানিয়ে সম্প্রতি শতাধিক গ্রামবাসীর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি দিয়েছি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,

চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরে। এদিকে ডিপো স্হাপনকারী প্রভাবশালী নুরুল আলম চৌধুরী এলাকাবাসীকে হুমকি স্বরুপ মামলা – হামলা করে ডিপো স্হাপনের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

গ্রামবাসীর যৌক্তিক আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে অসৎ উদ্দেশ্য গত ১৫ আগষ্ট গ্রামবাসীকে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করে এলাকার গন্যমান্য ১৭ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে।

এ দিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। আমরা এলাকাবাসী ডিপো স্হাপনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ব। নুরুল আলম চৌধুরী যাতে এখানে ডিপো স্হাপন করতে না পারে ও গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা চাঁদা বাজির অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য সাংবাদিক সমাজের মাধ্যমে আমরা সংকারের উধ্বতন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাষ্টার মাহবুবুল আলম। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন যথাক্রমে মো. মাহবু্ুবুল আলম, সাবেক মেম্বার মো. আজগর আলী, মো. জাফর ইকবাল, শফিউল আজম, এ এম, দিদারুল আলম, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. আব্দুল মান্নান জিকু, মওলানা মো. সাহাব উদ্দিন প্রমুখ।

জে-আর

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।