খুঁজুন
, ,

পুলিশের উচ্চ পদে রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 December, 2019, 10:45 pm
পুলিশের উচ্চ পদে রদবদল

পুলিশের উচ্চ পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ১১ জন ও ১১ জন অতিরিক্ত ডিআইজিকে কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক আদেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ১০ জনকে বদলি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানা যায়, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝিকে সিআইডিতে, পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি, খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মাসুদুর রহমানকে এসবি, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) নিশারুল আরিফকে এসপিবিএন ঢাকা, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আমিনুল ইসলামকে ডিআইজি পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সালেহ মোহাম্মদ তানভীরকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিএমপি, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আব্দুল কুদ্দুছ আমিনকে খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হারুন-অর-রশীদকে ডিআইজি হাইওয়ে পুলিশ, ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শেখ নাজমুল আলমকে ডিআইজি সিআইডি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবু ফয়েজকে এসবিতে বদলি করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি রফিকুল ইসলামকে সিআইডি, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সরওয়ারকে এসবি, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ইকবাল হোসেনকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, যশোরের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মঈনুল হককে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ডিএমপি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোজাহিদুল ইসলামকে রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, ডিএমপির ডিসি ইলিয়াস শরিফকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ডিএমপি, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার শ্যামল কুমার নাথকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সিএমপি, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনাকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেনকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক আনোয়ার হোসেনকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক পুলিশ সদর দপ্তর এবং ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনকে (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ডিএমপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের সহকারি পুলিশ সুপার মো. মাহিন ফরাজীকে সহকারি পুলিশ সুপার সি-সার্কেল নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিসের সহকারি পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলীকে সহকারি পুলিশ সুপার দূর্গাপুর সার্কেল নেত্রকোনা, র‌্যাবের সহকারি পুলিশ সুপার.মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞাকে সহকারি পুলিশ সুপার কসবা সার্কেল ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, আরএমপির সহকারি পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানাকে সহকারি পুলিশ সুপার সরাইল সার্কেল ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কেএমপি’র সহকারি পুলিশ সুপার মো. তারিক রহমানকে সহকারি পুলিশ সুপার রায়পুরা সার্কেল নরসিংদী, সিআইডি ঢাকার সহকারি পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানকে সহকারি পুলিশ সুপার ভেদরগঞ্জ সার্কেল শরীয়তপুর ও ৯ম এপিবিএন এর সহকারি পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবিরকে সহকারি পুলিশ সুপার পিএসটিএস বেতবুনিয়া রাঙামাটি, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলামকে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেনকে রংপুর জেলার (সদর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ সি-সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফসার উদ্দিন খাঁনকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

Feb2
Feb2

শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 11:21 am
শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও র‍্যাবের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে সেখানে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মূল প্রবেশপথে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশেই একটি জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জলকামানটি আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সকাল থেকে কেউ সেখানে ফুল দিতে আসেনি বলে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, সকাল থেকে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। ৩২ নম্বরের পশ্চিম পাশেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখা যায়।

সাধারণ মানুষের চলাচল ও প্রবেশের ওপরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে এলাকাটি সাধারণ মানুষের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। আর আজ ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বেড়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 10:27 am
শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।

২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 9:55 am
২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

তৃতীয় দিনের সকালের সেশনে হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম ফিরে গেলেন। তারপরও অনড় অবস্থানে মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে পেলেন দারুণ সঙ্গ। তার সঙ্গে প্রায় পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েছিলেন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই আউট হন মিরাজ। শেষ জুটিতে ৮ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ২২৮ রানে লিড এনে দেন তাসকিন ও ইবাদত হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে তারা ১৩৮ ওভার খেলে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে।

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

লাঞ্চের আগে ১২৬তম ওভারে পঞ্চম বলে ১২তম টেস্ট ফিফটি করেন মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চলতি ইনিংসে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে পঞ্চাশ ছোঁন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে তাকে করতালিতে অভিবাদন জানান সতীর্থরা।

৩২ রানে মিরাজ দিন শুরু করেন। ১১৭ বল খেলে ৫ চারে হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে তার। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের আধিপত্য তার হাতেই চলমান। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মিরাজ ১০৯ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ এবার ছড়ি ঘুরাচ্ছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

তারপর ১২৯তম ওভারের প্রথম বলে কামিন্সের এক বাউন্সারে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়। তাতে বাংলাদেশের স্কোর চারশ ছাড়ায়। বাংলাদেশের লিডও দুইশ ছাড়িয়ে গেছে। পরের বলেই একই জায়গায় তাসকিনকে জীবন দেন স্টিভেন স্মিথ। বলটা ধরতে পারলে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ডটি একার করে নিতে পারতেন তিনি।

৮ উইকেটে ৪১৭ রান করে প্রথম সেশনের সমাপ্তি টানে বাংলাদেশ। তারপর লাঞ্চ শেষে ফিরে চতুর্থ বলে হ্যাজলউডের পঞ্চম শিকার হন মিরাজ। অজি পেসার তার ৩০০তম টেস্ট উইকেট তুলে নেন। মিরাজ অ্যালেক ক্যারির গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৫৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৬৫ রান আসে তার ব্যাটে।

এই দিন বাংলাদেশের অবশিষ্ট চার উইকেটের সবগুলো নিয়েছেন হ্যাজলউড। ইবাদতকে (৭) ক্যারির ক্যাচ বানিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট নেন অজি পেসার।