খুঁজুন
, ,

চার বছরেও পূর্ণাঙ্গ হয়নি সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের কমিটি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 August, 2022, 7:20 pm
চার বছরেও পূর্ণাঙ্গ হয়নি সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের কমিটি

২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক হারুনর রশিদ চৌধুরীর যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয় সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি। কমিটিতে সাইদুর রহমান দুলালকে আহ্বায়ক ও আ.ন.ম সেলিম চৌধূরী এবং হারেজ মোহাম্মদকে যুগ্ম আহবায়ক করে মোট ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়। ঘোষনার ৯০ দিনের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ থাকলেও দীর্ঘ চার বছরের অধিক সময়েও পূর্ণাঙ্গ হয়নি এই কমিটি। এ নিয়ে কানাঘুষা চলছে স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের মাঝে।

জানা যায়, সাধারণত জেলা কমিটি কর্তৃক উপজেলা কমিটি ঘোষনা করার নিয়ম থাকলেও কেন্দ্র থেকে ঘোষনা করা হয় সাতকানিয়া উপজেলা কমিটি।

ফলে মতপার্থক্য থাকে পূর্বের কমিটি ও বর্তমান কমিটির মাঝে। এছাড়াও পূর্বের কমিটির পূর্ণাঙ্গ এবং ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি থাকায় কর্মী সংকটে পড়ে বর্তমানে কমিটি।

ফলে একাধিকবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে চেয়ে বেগ পেতে হয় বর্তমান কমিটিকে। তবে উপজেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হলেও এ পর্যন্ত ৮ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কমিটি অনুমোদন দেয় বর্তমান কমিটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্য বলেন, এই কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের মাঝে সমন্বয় নেই।

তাছাড়া প্রাপ্ত পদানুসারে তাদের যোগ্যতার ঘাটতি আছে। এছাড়া কর্মী সংকট থাকার পরেও কমিটিতে বাণিজ্যের মনোভাব মূলত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বাঁধা সৃষ্টি করেছে।

অপর একজন বলেন, কমিটি ঘোষনার দীর্ঘদিন পর্যন্ত পূর্বের কমিটি সক্রিয় ছিল। সম্প্রতি আসাদ (পূর্বের কমিটির সভাপতি) ভাই পৌরসভা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হওয়াতে তিনি যুবলীগ নিয়ে একটু কম মাথা ঘামাচ্ছেন।

এক প্রকার তিনি স্বেচ্ছায় পদ থেকে সরে দাড়িয়েছেন বলা যায়। ফলে বর্তমান কমিটির একটু কার্য্যক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা যায়। তবে এই মুহূর্তে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার সুযোগ আছে বলে মনে হয়না।

জানতে চাইলে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী বলেন, আমাদের কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষনা হওয়াতে প্রথম দিকে পূর্বের কমিটির সাথে একটি মুখোমুখি অবস্থান ছিল। সেজন্য আমরা ধীরগতিতে অগ্রসর হয়েছি। আমরা চাইনি আমাদের নিজেদের মধ্যে কোন ঝামেলা হউক।

পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং তার পরবর্তীতে করোনার কারনে কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে আমাদের মাঝে কোন সমন্বয়হীনতা নেই। ইতিমধ্যে পৌরসভা সহ বেশ কিছু ইউনিয়নের কমিটি গঠন করেছি।

আর ৩টি ইউনিয়নের কমিটি গঠনের পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের একটি সিদ্ধান্ত আছে। নিয়মিত কেন্দ্র এবং জেলার সাথে আমাদের যোগাযোগ আছে। দলীয় নির্দেশনা পেলে খুব শীঘ্রই আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে ফেলব।

জানতে চাইলে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইদুর রহমান দুলাল বলেন, জাতীয় নির্বাচন, করোনা, জেলা কমিটি এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন নির্দেশনার কারনে আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারিনি। সবগুলো ইউনিয়নের কমিটি গঠন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা ছিল।

ইতিমধ্যে ৩টি ইউনিয়ন ব্যতীত সবকটি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার কমিটি গঠন করেছি। আর বর্তমানে আমাদের মাঝে যথেষ্ট সমন্বয় আছে। দলীয় নির্দেশনা পেলে খুব শীঘ্রই আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে ফেলব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিটি গঠনে একটি জঠিলতা আছে। উপজেলা কমিটি দেওয়া হয়েছিল ১৭ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জন্য। কিন্তু এর আগে জেলা কর্তৃক ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানার একটি কমিটি দেওয়া হয়ছিল।

এ বিষয়টি বিভাগীয় মিটিংয়ে আমরা উত্থাপন করেছিলাম। কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদক একটি নির্দেশ দিবে বলছিলেন। তবে অদ্যাবধি কোন নির্দেশ আসেনি। আশা করি জেলা কমিটি গঠন হলে এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত হবে এবং কমিটি গঠনে কোন জঠিলতা থাকবেনা।

গত ২৮ মে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সম্মেলন হয় এবং দলের সাংবিধানিক নিয়মানুসারে জেলা যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়। ফলে জেলা কমিটির কোন ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই কমিটিতে। এছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবর্তনের কারনেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে রয়েছে জঠিলতা।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথি চৌধুরী বলেন, কাগজ কলমে রাজনীতি হয়না। রাজনীতি নির্ভর করে মাঠের জনপ্রিয়তা এবং কর্মী সমর্থনের মাধ্যমে।

সাতকানিয়া যুবলীগের সমস্যা এটি একান্তই যুবলীগের সমস্যা নয়। এটি স্থানীয় আ’লীগ নেতাদের সমস্যা। তবে সাতকানিয়ায় যুবলীগের যথেষ্ট কর্মী-সমর্থক আছে এবং একটি শক্ত অবস্থান আছে।

আমি মনে করি কোন কমিটি আগে বা পরে বা বৈধ বা অবৈধ এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা না করে স্থানীয় আ’লীগ নেতারা যদি সমন্বিতভাবে কাজ করে তাহলে সাতকানিয়া যুবলীগের অবস্থান আরো শক্ত হবে। এবং অদুর ভবিষ্যতে জামাত-শিবির যুবলীগের সামনে দাড়াতে পারবেনা।

জে-আর

Feb2
Feb2

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 4:05 pm
তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)।

উপজেলা তিনটি হচ্ছে- চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। একটি নতুন থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা।

চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:40 pm
গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ

গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্টে ফিরলো পুলিশ। ৫ আগস্টের পরই পুলিশকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে পোশাক পরিবর্তন করা হয়েছিল। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেটি আবার বদলানোর সিদ্ধান্ত হয়।

বিএনপি সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের পর আজ বুধবার (১ জুলাই) গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্টের নতুন ইউনিফর্মে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেলো পুলিশ কর্মকর্তাদের।

বুধবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে গাঢ় নীল শার্টে ও খাকি প্যান্টে এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট ও খাকি প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়।

ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ জানান, আজকে থেকে নতুন পোশাক পরছে পুলিশ সদস্যরা। এখনো সব পুলিশ সদস্যের হাতে পৌঁছেনি নতুন পোশাক। পর্যায়ক্রমে সব সদস্যই পাবেন। যারা পেয়েছেন তারা নতুন ইউনিফর্মেই দায়িত্ব পালন করছেন।

এখানে উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশে সংস্কারের দাবি ওঠে। উঠে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের দাবিও। গত বছর ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশের শার্টের রং আইরন বা লোহা-ধূসর, আর প্যান্টের রং ছিল কফি শেল বা কফি-বাদামি ধূসর করা হয়। গত বছরের ২৫ নভেম্বর নতুন পোশাকে মাঠে নামে পুলিশ।

যদিও সেই পোশাক নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক পুলিশ সদস্য পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। পোশাকের রং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নির্বাচিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসতেই নতুন করে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের দাবি উঠে। গত ১৮ জুন পোশাকের রঙ পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর।

প্রজ্ঞাপনে পুলিশের শার্ট ও প্যান্টের পাশাপাশি জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার, জ্যাকেট, নারীদের পোশাক, মাথার আবরণ এবং পূর্ণহাতা পোশাকের রং–সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগে লোহা-ধূসর রঙের শার্টের ওপর লোহা-ধূসর রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার ব্যবহারের কথা ছিল। নতুন বিধানে সেটির পরিবর্তে নীল রঙের শার্টের ওপর গাঢ় নীল রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার যুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেলা পুলিশ এবং এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‍্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে ট্রাউজার হবে খাকি রঙের টিসি টুইল কাপড়ের। শার্ট হবে গাঢ় নীল রঙের টিসি প্লেইন ফেব্রিক কাপড়ের। শার্টের সামনে চারটি পকেট থাকবে। সামনের অংশে সমদূরত্বে সাতটি বোতাম থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে নারী পুলিশের পোশাকের বিষয়েও বিস্তারিত বলা হয়। নারী পুলিশ চাইলে শাড়ি পরতে পারবেন। জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে গাঢ় নীল ব্লাউজ পরা যাবে। মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে হালকা জলপাই রঙের ব্লাউজের কথা বলা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নারী পুলিশ সদস্যরা চাইলে মাথার আবরণ ব্যবহার করতে পারবেন। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত নারী পুলিশ সদস্যরাও সারা বছর পূর্ণহাতা শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন। গর্ভাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে নারী পুলিশ সদস্য সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে মৌসুম অনুযায়ী শার্টের ধরনও নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রীষ্মকালে শার্ট হবে অর্ধহাতা। শীতকালে শার্ট হবে পূর্ণহাতা। মাথার আবরণের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সেটি অনুমোদিত গাঢ় নীল রঙের হবে।

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:25 pm
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

সরকারের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে। তা না হলে জনগণ নিজেরাই জাদুঘর খুলে প্রবেশ করবে।

বুধবার (১ ‍জুলাই) রায়েরবাজারে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে হচ্ছে। এটা আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু নামকাওয়াস্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পালন করলে চলবে না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সরকার এখনো কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। আশা করছি, সরকার দ্রুতই কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এ সময় ১৪ দলীয় নেতা হাসানুল হক ইনুকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী উল্লেখ করে এই এনসিপির নেতা বলেন, ইনুর ১০ বছরের সাজা হতে পারে না। আমরা আপিলের মাধ্যমে তার কঠোর শাস্তি প্রত্যাশা করছি।