খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পেকুয়ায় ১৪৪ ধারা কার্যকরে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় ১৪৪ ধারা কার্যকরে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

বিভাগীয় জেলা শহর চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার পেকুয়ায় একই স্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পেকুয়া স্টেডিয়াম থেকে চৌমুহনী হয়ে পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরীর বাজার পর্যন্ত। যে কোনো স্থানে যে কোনো প্রকারের সভা সমাবেশের উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। ২৭ আগস্ট (শনিবার) রাতে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূর্বিতা চাকমা এ ঘোষণা দেন।

তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, পেকুয়া উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান বজায় রাখার নির্মিত্তে আজ ২৮ আগস্ট (রোববার) সকাল ৬টা হতে রাত ৯ টা পর্যন্ত পেকুয়া স্টেডিয়াম হতে চৌমুহনী হয়ে পেকুয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় সকল প্রকার রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও মিছিল আয়োজনের উপর ১৪৪ ধারা জারি করা হলো।

জারিকৃত এ আদেশ সকল রাজনৈতিক দল ও সর্বসাধারণকে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়। এদিকে সকাল থেকে ১৪৪ ধারা জারিকৃত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

পেকুয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির মিয়ার বাজার ও চৌমুহনীতে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ ফরহাদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের অবস্থান ও টহল লক্ষ্য করা গেছে।

কর্মসূচির বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বারেক বলেন, আমাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল আজ ২৮ আগস্ট (রোববার) কিন্তু বিএনপি হুট করেই একই দিন মিছিল ডেকে বসে আমাদের স্থানে। তারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য আমাদের সমাবেশস্থলে মিছিল ডেকেছে। তিনি আরো বলেন, আগস্ট শোকের মাস এ মাসে বরাবরের ন্যায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করা বিএনপির প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির যেকোনো সহিংসতা রোধে আমরা প্রস্তুত আছি। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বিএনপি ঘটাতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন মিলে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবেন বলেও জানান।
এ ছাড়াও তিনি দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা তারা মেনে চলবেন বলেও জানান।

এদিকে উপজেলা যুবদলের সভাপতি কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং দলীয় নেতার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার ডাক দেয় বিএনপি। কিন্তু সেই কর্মসূচি পেকুয়াতে পালনের উদ্দেশ্যে তারা গণমিছিলের ডাক দেয় কিন্তু প্রশাসন সরকারি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গভীর রাতে ১৪৪ ধারা জারি করেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা দেখিয়ে দিতাম পেকুয়ার আপামর মানুষ কিভাবে আমাদের দল বিএনপি ও প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন ভাইয়ের জন্য রাস্তায় নেমে এসে কর্মসূচি পালন করে। এ ছাড়াও তিনি ১৪৪ জারির কারণে তাদের মিছিল স্থগিত করেছেন এবং খুব শিগগিরই আবার তারা কর্মসূচিটি ব্যাপকভাবে পালন করবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ ফরহাদ আলী বলেন, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমাদের পুলিশ সদস্যদের টহল ও ১৪৪ ধারা জারিকৃতস্থানে আমাদের পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রাখা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সদা প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান।

জে-আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…