চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া চার সাদা বাঘ শাবকের নাম পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা
পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা চারটি নদীর নামে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জম্ম নেওয়া চার সাদা বাঘ শাবকের নাম। চারটি শঅবকের মধ্যে একটি মেয়ে যার নাম হালদা বাঘিনী, বাকি তিনটি বাঘ। এ চিড়িয়াখানায় জম্ম নেওয়া প্রথম সাদা বাঘটির নাম রাখা হয়েছিল শুভ্রা।
গত ৩০ জুলাই চারটি সাদা বাঘের জম্মের পর এক মাস আলাদা একটা খাঁচায় মা ‘পরী’র সঙ্গে রাখা হয়েছিল। গত সোমবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে বাঘ শাবকগুলোকে প্রথম জনসমক্ষে আনা হয়।
এ সময় বাঘগুলোর নামকরণ করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও চিড়িয়াখানা নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।
চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ জানান, প্রতিটি বাঘ শাবকের বর্তমান ওজন প্রায় দেড় কেজি। এখনো মায়ের দুধ পান করে বেড়ে উঠছে তারা। এক মাস পর মুরগির মাংস খেতে দেওয়া হবে বাঘ শাবকদের।
চিড়িয়াখানায় এখন বাঘের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬টি। এর মধ্যে পাঁচটি দুর্লভ সাদা বাঘ, তিনটি ছেলে ও দুইটি মেয়ে। তিনি জানান, সাদা বাঘের শাবকগুলো দেখতে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দর্শকদের ভিড় বাড়ছে।
একসময় চার বছর বাঘশূন্য থাকা চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে দরপত্রের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রজাতির বাঘ-বাঘিনী আমদানি করা হয়।
বাঘগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্যানথার টাইগ্রিস । এর মধ্যে বাঘটির বয়স ছিল ১১ মাস, বাঘিনীর বয়স ৯ মাস।
দুটি কাঠের বাক্সসহ বাঘ দুটির ওজন ছিল ৪২০ কেজি। এগুলোর গড় আয়ু ১৪-১৫ বছর। তবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ভীম নামের একটি বাঘ ২৩ বছর বেঁচেছিল।
জে-আর


আপনার মতামত লিখুন