খুঁজুন
শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে লেবুর চমক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে লেবুর চমক

চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি লেবু উৎপন্ন হয় চন্দনাইশ উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চল। এবার লেবু চাষ করে চমক দেখিয়েছে লেবু চাষীরা। বিস্তৃীর্ণ পাহাড়ি জমিতে উৎপন্ন লেবু এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। লেবুর জনপ্রিয়তা এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এ লেবুর চাহিদা বিদেশেও দিন দিন বাড়ছে। তবে পুষ্ট, অপেক্ষাকৃত বড় ও দেখতে সুন্দর এমন লেবুর রপ্তানির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

এদিকে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লেবুর বাম্পার ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। অন্যদিকে লেবুর ন্যায্য দাম পেয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীরাও মহাখুশি।আবহাওয়া খরা রোদে তাপদাহে যখন সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ,

তখন মৌসুমের ফল লেবুর চাহিদা প্রচুর থাকায় চাষি ও খুচরা-পাইকারি বিক্রেতারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। দীর্ঘদিনের টানা গরমের কারণে এবং নানান পরিস্থিতিতে লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।

চন্দনাইশ পাহাড়ী এলাকায় প্রতি বছর লেবুর চাষ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লেবুর ফলন ভালো হয়েছে।

সে সাথে লেবুর দাম চড়া থাকায় কৃষকদের খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন কৃষকেরা। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু ফলটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্য বহন করে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, মূলত চন্দনাইশ উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়ন জুড়ে, দোহাজারী ইউনিয়নের লালুটিয়া, রায়জোয়ারা, হাশিমপুরের ছৈয়দাবাদ, কাঞ্চনাবাদের লর্ড এলাহাবাদ ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা জুড়ে লেবুর বাগান রয়েছে এবং সেখানে প্রতি বছরই প্রচুর পরিমাণে লেবুর চাষ হয়ে থাকে।

ফাল্গুন-চৈত্র মাসে লেবুর ফুল আসে এবং জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ মাস জুড়ে ফলন পাওয়া যায়। উপজেলার ১ হাজার ৫’শ হেক্টর পাহাড়ি জমিতে বাণিজ্যিকভাবে লেবুর চাষ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

চাষি ও পাইকারী ব্যবসায়ী ছাড়াও ১-২ হাজার খুচরা ব্যবসায়ী লেবু বিপণনের সাথে জড়িত। সবমিলে চন্দনাইশে লেবু চাষে প্রায় ৪-৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লেবুর ফলন ভালো হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বাগান মালিকরা লেবু নিয়ে এসে উপজেলার দোহাজারী, কাঞ্চননগর, বাদামতল, খাঁনহাট রেল স্টেশন ও বাগিচাহাটে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখেন বাজার লেবু বিক্রির প্রধান কেন্দ্রস্থলে।
লেবু চাষীদের সূত্রে জানা যায়, লেবু সাধারণত ৫ জাতের হয়ে থাকে।

এগুলো হচ্ছে-কাগজী লেবু, পাতী, এলাচী, বাতাবী ও নতুন জাতের হাইব্রীড সিডলেস নামে একটি লেবু চাষও বর্তমানে হচ্ছে। কাগজী লেবু ছোট আকৃতির হয়। চট্টগ্রাম ছাড়া আর কোথাও এত বিপুল পরিমাণ লেবু উৎপাদন হয় না।

স্থানীয়ভাবে লেবুর দুই টুকরি বা ঝুড়ি নিলে এক ভার হয়। সে রকম প্রতি ভারে ৫’শ থেকে ৬’শ পর্যন্ত লেবু থাকে। বর্তমানে প্রতি ভার লেবুর দাম ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে ৫-৬ গুণ দাম বেশি পাচ্ছে কৃষকেরা। ফলে কৃষকেরা বেজায় খুশি। ১টি লেবু খুচরা মূল্যে প্রকৃতি ভেদে ৭/৮ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সবচাইতে বেশি লেবুর চাষ হয় চন্দনাইশে।

চন্দনাইশের হাশিমপুর, ধোপাছড়ি, লালুটিয়া, রায়জোয়ারা, কাঞ্চননগর এলাকায় বেশকিছু লেবুর বাগান রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণ লেবু উৎপাদিত হয়ে থাকে। এখান থেকে পাইকারী ক্রেতারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের উৎপাদিত এ লেবু ঢাকার কাওরানবাজার, সেনবাজার, মগবাজার, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে সরবরাহ করে থাকেন ব্যবসায়ীরা।

সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে লেবু বাজারজাত হয়। ট্রাক, বাস এবং ট্রেন হচ্ছে লেবু পরিবহনের মাধ্যম। অনেক সময় বিভিন্ন স্থানে দ্রæত লেবু সরবরাহে বিলম্ব হলে শত শত মেট্রিক টন লেবু পচে-গলে নষ্ট হয়ে যায়।

এ কারণে এ অঞ্চলের লেবু ও পেয়ারা সংরক্ষণে বিভিন্ন সময়ে হিমাগার স্থাপনের দাবি উঠলেও রহস্যজক কারণে তা আজও উপেক্ষিত। ফলে লেবুর ফলন হলেও এর সুফল পাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। ৫ জাতের লেবুর মধ্যে কাগজী লেবুর গুনগতমান উন্নত।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে দিন দিন এর উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। চন্দনাইশে শত শত একর বনভূমি মাত্র ১৫শ হেক্টর ভূমিতে লেবু চাষ হচ্ছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিপুল পরিমাণ লেবু বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।

স্থানীয় চাষীদের মতে, সবজি রাখার জন্য হিমাগার না থাকায় উৎপাদিত লেবুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি সংরক্ষণ করতে না পারার কারণে অনেক সময় কম দামে শাকসবজি বিক্রি করতে হয়। লেবু চাষীদের মতে চলতি বছর প্রতিটি বাগান থেকে গড়ে কমপক্ষে ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকার লেবু বিক্রি করা সম্ভব হবে।

বাগান মালিক লিয়াকত আলী দৈনিক সময়ের কাগজকে জানান, বাগানে প্রচুর লেবুর ফলন হয়েছে। কিন্তু সরকারি ভাবে বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং হিমাগার না থাকায় মালিকরা তাদের ন্যায্যমূল্য হতে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তারা পরিত্যক্ত পাহাড়ি ভূমি চাষিদের লিজ দিয়ে লেবু চাষের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকারের কাছে আহŸান জানান। তাহলেই বিশেষায়িত জমি তৈরি করে পুষ্ট ও ভালো মানের রফতানিযোগ্য লেবু উৎপাদন ও রফতানি করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন ওই বাগান মালিক ও চাষিরা।

জে-আর

Feb2

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।

টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ইনজুরিতে আক্রান্ত তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচকে ছাড়াই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশটি নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জিতেছে। আজ (শনিবার) অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে মার্কিনীরা পা রেখেছে রাউন্ড অব থার্টি টু–তে।।

এর আগে ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেবার তারা গ্রুপপর্বে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে। তবে ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। এবারই প্রথম আসরের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে যুক্তরাষ্ট্র নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটেই অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন বার্গেসের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বাঁ দিক দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে আক্রমণে ওঠেন ফোলারিন বালোগুন। গত ম্যাচে জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকার সতীর্থ রিকার্ডো পেপি’র উদ্দেশে বল বাড়ালে, তার আগেই সামনে থাকা সকারুজ ডিফেন্ডারে গায়ে লেগে তাদের জালৈ জড়ায়।

এরপর ৪৩ মিনিটে ২১ বছর বয়সী অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের যুক্তরাষ্ট্রের স্কোরলাইন ২-০ করেছেন। সেট-পিস থেকে আসা আক্রমণে সার্জিনো ডেস্টের ডিফ্লেক্টেড শট হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। ভিডিও রিভিউয়ের পর গোলটি নিশ্চিত করা হয়। যা বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল।

এর আগে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই সবার আগে নকআউট পর্বে উঠেছে। এবার সেই দলে আরেক আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দিলো।