খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পেকুয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী পলাতক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:০০ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী পলাতক

বিভাগীয় জেলা শহর চট্টগ্রামের পেকুয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর (রোববার) সকালে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের দশের ঘোনা এলাকায় নিজবাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মর্তুজা বেগম (৩৫) ওই এলাকার আবদুস শুক্কুরের স্ত্রী এবং একই এলাকার মোজাহের আহমদের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে আবদুস শুক্কুর এলাকায় নেই। সকাল ১০টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক (এস আই) খায়ের উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, নিহত মর্তুজা বেগমের হাতে-পিঠে, মাথায় ও গালে ফুলা জখমের চিহ্ন আছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮ বছর আগে দশের ঘোনা এলাকার মোহাম্মদ শরীফের ছেলে আবদুস শুক্কুরের সঙ্গে মোজাহের আহমদের মেয়ে মর্তুজা বেগমের বিয়ে হয়।

এ দম্পতির এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। আবদুস শুক্কুরের সঙ্গে মর্তুজা বেগমের প্রায় সময় কলহ লেগে থাকত। কলহের জেরে স্ত্রীকে মারধর করতেন শুক্কুর।

মর্তুজার ভাই জসিম উদ্দিন বলেন, আবদুস শুক্কুর মাদকে আসক্ত। অন্য নারীর সঙ্গে তাঁর পরকীয়া। এ নিয়ে কয়েকবার সালিসও হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করায় গত শুক্রবার রাতে আমার বোনকে এক ঘণ্টা পিটিয়েছে শুক্কুর।

একই বিষয়ের জেরে গতকাল শনিবার রাতেও পেটান তিনি। মর্তুজা মরে গেলে লাশ বিছানায় রেখে দেন। আজ সকাল ছয়টার দিকে শুক্কুর পাশের বাড়ির এক নারীকে মর্তুজার বাবার বাড়িতে খবর দিতে বলেন। এর পর থেকে শুক্কুরকে এলাকায় দেখা যায়নি।

জসিম উদ্দিন আরো বলেন, গতকাল রাত ২টা ৪৬ মিনিটে শুক্কুর ফোন দিয়ে বলেন, তোর বোনকে এখন নিয়ে যা, নইলে মরা পাবি। আমি এলাকায় ছিলাম না। তাই শুক্কুরকে বলি, সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা কর। কিন্তু এর আগেই সে আমার বোনকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। গলায় রশি পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় সে।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরহাদ আলী বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মর্তুজার পরিবারের লোকজন লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা করা হবে।

জে-আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…