খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে এশিয়া কাপে ভারতের ভরাডুবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
যে কারণে এশিয়া কাপে ভারতের ভরাডুবি

ফেবারিট হিসেবেই এশিয়া কাপ মিশন শুরু করেছিল টুর্নামেন্টের সাতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত দাপটের পর সুপার ফোরে উঠতেই খেই হারিয়ে ফেলে রোহিত শর্মার দল। ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই আশায় ছিলেন ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল দেখার। ফাইনালের দিনক্ষণও ঠিক করা ছিল ভারতের সাপ্তাহিক ছুটির দিন রোববার (১১ সেপ্টেম্বর)। তবে কে জানতো, গ্রুপ পর্বে উড়তে থাকা দলটির এমন ছন্দপতন হবে!

পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারে টুর্নামেন্ট থেকে একপ্রকার ছিটকেই গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। কাগজে-কলমে যা একটু আশা বেঁচে ছিল তাও শেষ হয়ে গেছে সবশেষ ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ে। চূড়ান্ত হয়ে গেছে দুই ফাইনালিস্ট। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাইয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে পাকিস্তান। এদিকে, এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে ভারত ও আফগানিস্তানের।

এশিয়া কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ শিরোপাধারী ভারতের এমন ভরাডুবি নিয়ে অনেকে অনেক মত দিচ্ছেন। মোটাদাগে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক।

এলোমেলো ব্যাটিং

সুপার ফোরে ভারতের টানা দুই হারের পেছনে বড় কারণ ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতা। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট ফলো করা একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভারতীয় দলে ব্যাটসম্যানের অভাব নেই, কিন্তু পাকিস্তানের আসিফ আলির মতো এক ওভারে তিন বাউন্ডারি হাঁকাতে পারে এমন ব্যাটসম্যান নেই।’ যদিও দিনেশ কার্তিকের মতো ফিনিশার ছিল রোহিতদের দলে। কিন্তু প্রথম ম্যাচের পর দলে জায়গাই পাননি এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার বদলে রিশভ পন্তকে দলে নেয়া হলেও তেমন কিছু করতে পারেননি তরুণ এ ক্রিকেটার। এছাড়া টুর্নামেন্টের মাঝপথে রবীন্দ্র জাদেজার মতো কার্যকরী অলরাউন্ডারের চোটে পড়াও ভুগিয়েছে ভারতকে। এশিয়া কাপ তো বটেই, ইনজুরিতে পড়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেছেন এই অলরাউন্ডার। জাদেজা ইনজুরিতে পড়ায় একাদশে পরিবর্তন আনতে হয়েছে ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মার। জাদেজার বদলে ফিনিশার হিসেবে খেলিয়েছেন অলরাউন্ডার দীপক হুদাকে। যদিও হুদা ওপরের দিকে ব্যাট করে থাকেন, কিন্তু জাদেজার মতো সাত নম্বরে খেলানো হয়েছে এই অলরাউন্ডারকে।

ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী তারকা রবিন উথাপ্পা মনে করেন, বেশি পণ্ডিতি দেখাতে গিয়েই সর্বনাশ হয়েছে ভারতীয়দের। হুদাকে ফিনিশার বানানোর চেষ্টা হিতে বিপরীত হয়েছে, মত তার। দলে দীনেশ কার্তিকের মতো দারুণ ফর্মে থাকা ফিনিশার থাকা সত্ত্বেও ভারত ওপরের দিকের ব্যাটারকে খেলিয়েছে তারা। তিনি বলেন, ‘গত দুই ম্যাচে ভারত যেটা করেছে, তা হলো যাদের দলে রেখেছে তাদের সঠিক পজিশনে খেলায়নি। দীপক হুদা ফিনিশার নয়। সে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে ফিনিশারের ভূমিকায় খেলেনি। অতীতে ভারতের হয়েও সে এ ভূমিকায় কখনও ব্যাট করেনি।’

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া টুইটারে লিখেছেন, বোলিং ভারতের দুর্বল জায়গা। এটার দিকে আঙুল তোলার দরকার নেই। শক্তির জায়গা ব্যাটিং সেটা তো জ্বলে উঠতে পারেনি। ১৫-২০ রানের ওভারগুলো নেই। এখানেই আসলে ভুল হয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভারতের ব্যাটিং পুরো ২০ ওভার ব্যাট করতে পারছে না, যে কারণে পুরোপুরি হাতখোলা ব্যাটিং দেখা যাচ্ছে না। দেশটির আরেক ক্রিকেটার চেতেশ্বর পুজারা বলেছেন, ৬ থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে ভারতের ব্যাটিং একটা সমস্যা তৈরি করছে।

এছাড়া হার্দিক পান্ডিয়া কিংবা সূর্যকুমার যাদবরাও প্রতি ম্যাচে ভালো শুরু পেলেও ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেননি। যে কারণে শুরুর দিকে কোহলি-রোহিতরা মজবুত ভিত গড়ে দিলেও শেষে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছে।

ধারহীন বোলিং
এশিয়া কাপ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। টিম ইন্ডিয়ার বোলিংয়ের `মেরুদণ্ড’ জসপ্রীত বুমরাহ ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। বুমরাহর অভাব আসরজুড়ে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে ভারত। যদিও ভারতের সাবেক ক্রিকেটার হরভজন সিং বলছেন, ‘আরও তো বোলার ছিল, তাদের কেন নেয়া হলো না। উমরান মালিক কোথায়, যিনি ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারেন। দীপক চাহার কোথায়। এরা কি সুযোগ দাবি করেন না?’ তরুণ পেসার আর্শদীপ সিং সুপার ফোরের দুই ম্যাচে শেষ ওভারে দারুণ বল করলেও শুরুর দিকে বেশ খরুচে ছিলেন। এছাড়া যুজবেন্দ্র চাহালদের স্পিন অ্যাটাককেও ততটা কার্যকর মনে হয়নি আসরজুড়ে।

অনেকে বলেন, ভারতের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির খেলোয়াড়দের নিয়েই একটা দল দাঁড় করানো যায়। তবে একটা প্রবাদ আছে, ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’। কাকে রেখে কাকে নেয়া হবে, তা নিয়েই হয়তো ভুগেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। এছাড়া রাহুল দ্রাবিড়ের অধিক আত্মবিশ্বাসকেও কাঠগড়ায় তুলছেন কেউ কেউ। সামনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এশিয়া কাপ ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত না নেয়া গেলে হয়তো হোঁচট খেতে হবে বিশ্ব আসরেও।

এন-কে

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।