খুঁজুন
বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

চট্টগ্রামে বড় ভাইকে হত্যার দায়ে কলেজ পড়–য়া ছোট ভাই রায়হান চৌধুর কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গত ১১ সেপ্টেম্বর (রোববার) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নারগিস আক্তার এ রায় দেন। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু করেন। ১৩ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দিলেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফরিদ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদন্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি হাজির ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠান আদালত। তিনি তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে নগরের কোতোয়ালি থানার রাবেয়া রহমান লেনের গোলাম কিবরিয়া ভবনে থাকতেন।

আদালত সূত্র জানায়, আসামি রায়হান নগরের কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে কলেজ ফাঁকি দিয়ে ‘উচ্ছৃঙ্খল’ জীবনযাপন করতেন। এ বিষয়ে রায়হানকে তাঁর বড় ভাই সোহেল চৌধুরী শাসন করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরিকল্পিতভাবে সোহেল চৌধুরীকে রায়হান তাঁর কক্ষে ডেকে নেন। ঢোকার পরপরই দরজা বন্ধ করে দিয়ে একাধিক ছুরিকাঘাত ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে সোহেলকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার কিছুক্ষণ পরে তাঁদের মা রায়হানের কক্ষে সোহেলকে খুঁজতে গেলে রায়হান দ্রæত কক্ষ ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ রায়হানকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পরের বছরের ৪ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি রায়হান চৌধুরী পড়াশোনা ফাঁকি দিয়ে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করতেন। গভীর রাতে বাসায় ফিরতেন। এসব করতে বারণ করায় বড় ভাইয়ের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে খুন করেন।

জে-আর/জে-এম

Feb2

কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরে কৃষক কার্ডসহ সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরে কৃষক কার্ডসহ সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য বহুমুখীকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’-এর উদ্বোধন করা হয়। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০টি ভিন্ন ধরনের সেবা সরাসরি পাবেন।

আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জমির পরিমাণ হ্রাস এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষিখাত নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃষক কার্ড ১৪ এপ্রিল উদ্বোধন করা হয়। উক্ত কার্ডের মাধ্যমে ১০টি সেবা, যথা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য প্রাপ্তিসহ ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রদান, ইত্যাদি কৃষকগণের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে এ কার্ড প্রদান করা হবে। এ ছাড়াও কৃষির উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যা নিম্নরূপ:

প্রথমত, কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সরকার উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ, সুষম সার ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার কি. মি. খাল খননের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকি প্রদান করে ট্রাক্টর, হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা এবং জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ‘ক্রপ জোনিং’ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশের উপযোগী ফসল নির্ধারণ করা হয়। ফলে জমির অপচয় কমে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। একই সাথে পতিত জমি চিহ্নিত করে সেগুলো আবাদের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যেমন খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে পতিত জমি কৃষির আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, সিলেট অঞ্চলে পতিত জমিসহ চরাঞ্চলের পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তৃতীয়ত, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এক সময় ধান নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা এখন ধীরে ধীরে ফল, সবজি, ডাল, তেলবীজ, মসলা, ফুল চাষ খাতে সম্প্রসারণ করার জন্য সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

চতুর্থত, কৃষকদের জন্য প্রণোদনা ও সহায়তা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ, সার, কৃষিযন্ত্র ক্রয়সহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। তাছাড়া, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের কৃষিঋণ এবং ফসল বীমা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্যও বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের কল্যাণে প্রতি অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ‘কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা’

খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে ৭ শত কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। উক্ত বরাদ্দ হতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ বাবদ ৪ শত ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এতে ২৫ লক্ষ ২২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

পঞ্চমত, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ ও গুদাম নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে, উত্তরাঞ্চলে কৃষিপণ্য রপ্তানি অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং ক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

ষষ্ঠত, কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকার ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেমন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) এর মাধ্যমে অধিক ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং স্বল্পমেয়াদি নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে পরিবর্তিত পরিবেশেও কৃষি উৎপাদন বজায় থাকে।

সপ্তমত, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ‘ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি’ বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। লবণাক্ততা, খরা ও বন্যা সহনশীল ফসল চাষ, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে পরিবেশবান্ধব করা; কম সেচ, কম রাসায়নিক সার ও কম কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন; প্রি-পেইড মিটার স্থাপন এবং সেচের Alternate Wetting and Drying (AWD) পদ্ধতি প্রয়োগ করে খরাপ্রবণ অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা; মোবাইল অ্যাপ যেমন: ‘খামারি এ্যাপস’ ব্যবহার করে স্থানভিত্তিক উপযুক্ত ফসল চাষ করে সেচ, সারসহ অন্যান্য উপকরণের সর্বোত্তম ব্যবহার; প্রিসিশন এগ্রিকালচার ইত্যাদির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশের সামনে চাপাতি–হকিস্টিক নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
পুলিশের সামনে চাপাতি–হকিস্টিক নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু পুলিশ তখন নীরব ছিল।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্রলীগ যখন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাত, তখনও পুলিশ ও প্রশাসন নীরব থাকত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি একই ধরনের ঘটনায় পুলিশ নীরব থাকে, তাহলে তা প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের দায়িত্বে অবহেলায় যারা জড়িত এবং যারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি, তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ছাত্রশিবিরের এ নেতা জানান, সাম্প্রতিক হামলায় তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও বহিরাগতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তারা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ চাই। ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাদিক কায়েমের দাবি, গতকাল ছাত্রদলের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।

সাদিক কায়েম বলেন, শিবিরের এক ওয়ার্ড সভাপতি আশরাফুল গুরুতর আহত হয়েছেন। চাপাতির আঘাতে তার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা।

এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি তুলে দেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ শাখার অন্যান্য নেতারা।

৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

আগামী ৩ মে থেকে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার। চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ টন ধান-চাল ও ৫০ হাজার গম সংগ্রহ শুরু করবে হবে। এ সংগ্রহ চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ বছর প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে বোরো ধান, ৪৯ টাকা দরে সিদ্ধ চাল, ৪৮ টাকা দরে আতব চাল এবং ৩৬ টাকা দরে গম কেনা হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এবার এফপিএমসি সভা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ টন, আতপ চাল ১ লাখ টন এমং গম ৫০ হাজার টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবার ধান ও গম সংগ্রহ শুরু হবে ৩ মে থেকে এবং চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন পর্যাপ্ত চালের মজুত রয়েছে। এখন সরকারি গুদামে ১৭-১৮ লাখ টন চাল মজুত আছে।

তিনি বলেন, দেশে গমের মোট চাহিদা ৮০ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন মোট ৭০ থেকে ৭২ লাখ টন। বাকি ৮ লাখ টন জি টু জি পদ্ধতিতে আমদানি করা হয়।