খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইকুয়েডর!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইকুয়েডর!

কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগেই দেখা দিয়েছে বিতর্ক। ইকুয়েডরের খেলোয়াড় বায়রন কাস্তিয়োর নাগরিকত্ব নিয়ে ফের সংশয় দেখা দিয়েছে। গত মে মাসে কাস্তিয়োর নাগরিকত্বের প্রশ্ন তুলে তাকে ইকুয়েডরের হয়ে খেলার অযোগ্য দাবি করেছিল বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া চিলি।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কনমেবল অঞ্চলে সপ্তম হওয়ায় বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি আলেক্সিস সানচেজ-আরতুরো ভিদালের চিলি। এরপর গত মে মাসে বোমা ফাটায় তারা। অভিযোগ করে কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ইকুয়েডর দলে খেলা বায়রন ডেভিড কাস্তিয়োর জন্ম আদতে কলম্বিয়ায়। তবে গত জুনে কাস্তিয়োকে ইকুয়েডরের নাগরিক তথা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ফিফা। যার ফলে চিলির আবেদন নাকচ হয়ে যায় ও ইকুয়েডরের বিশ্বকাপ খেলতে আর কোনো বাধা থাকে না।

তবে এবার নতুন তদন্তে চিলির অভিযোগের পক্ষে বেরিয়ে এসেছে শক্ত প্রমাণ, যার ফলে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারে ইকুয়েডর।

নতুন করে বোমা ফাটিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। তাদের দাবি, ইকুয়েডর ফুটবল ফেডারেশন সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে অবৈধভাবে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে খেলিয়েছে কাস্তিয়োকে।

লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে সেরা চারে থেকে কাতার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। বাছাইপর্বে মোট আট ম্যাচ খেলেছেন কাস্তিয়ো, কিন্তু চিলির দাবি, ইকুয়েডর সনদ জালিয়াতি করে কলম্বিয়ার নাগরিক কাস্তিয়োকে এই ম্যাচগুলো খেলিয়েছে।

চিলির এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে বাছাইপর্ব সাত নম্বরে থেকে শেষ করা চিলিই পেত বিশ্বকাপের টিকেট। কারণ অভিযোগ প্রমাণ হলে কাস্তিয়োর খেলা সেই ৮ ম্যাচের সম্পূর্ণ পয়েন্ট পেত বিপক্ষ দল। সে ক্ষেত্রে পয়েন্ট তালিকার সেরা চারে ঢুকে যেত চিলি। কিন্তু জুন মাসে চিলির অভিযোগ নাকচ করে রায় দেয় ফিফা।

সেই তদন্ত চলাকালে বায়রন কাস্তিয়ার দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারের অডিও হাতে পেয়েছে ডেইলি মেইল। সেখানে স্পষ্টতই অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে কাস্তিয়ো জানিয়েছেন, কীভাবে কলম্বিয়ার নাগরিক হয়েও ইকুয়েডরের হয়ে খেলেছেন ও এ জন্য তাকে কী কী করতে হয়েছে তার সবই বলেছেন তিনি।

কাস্তিলো যা বলেন তার চুম্বুক অংশগুলোও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি। সেখানে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ-

* কাস্তিয়ো জানিয়েছেন, তার জন্মসাল ১৯৯৫; কিন্তু ইকুয়েডরিয়ান জন্মসনদে তার জন্ম ১৯৯৮ সালে।

* কাস্তিয়োর কলম্বিয়ান জন্মসনদে নাম—বায়রন হাভিয়ের কাস্তিয়ো সেগুরা। ইকুয়েডরিয়ান জন্মসনদে অবশ্য অন্য নাম—বায়রন ডেভিড কাস্তিয়ো সেগুরা।

*  ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে কলম্বিয়ার টুমাকো ছেড়ে ইকুয়েডরের সান লরেঞ্জোয় যাওয়ার বিষয়ে সাক্ষাৎকারে অনেক কথা বলেছেন কাস্তিয়ো।

* ইকুয়েডরে যে ব্যবসায়ী তাকে নতুন নাম দিয়েছিলেন, তাকে চেনার কথা সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন কাস্তিয়ো।

কাস্তিয়োর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন অবশ্য আগেও উঠেছিল। ২০১৫ সালে প্রথম এমন অভিযোগ ওঠে তার বিষয়ে। সেবার প্রথম ইকুয়েডরের ঘরোয়া ফুটবলে খেলেন কাস্তিয়ো। সে সময় জাল জন্মসনদ ব্যবহার করে কাস্তিয়োকে মাঠে নামানোয় নিষিদ্ধ করা হয় তার ক্লাব নর্তামেরিকাকে।

সেবার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সবকিছু স্বীকার করেছিলেন কাস্তিয়ো। সেই অডিও ক্লিপস ফিফার কাছে হস্তান্তর করবে মেই। এটা দেখে ফিফা নিজের সিদ্ধান্ত জানাবে বৃহস্পতিবার। সবকিছু বিবেচনা করে ফিফা যদি জুনে দেওয়া সিদ্ধান্ত বদলায়, তবে বিষয়টি তাদের জন্য বিব্রতকর হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে একই কাণ্ডের জন্ম দেয় বলিভিয়া। তারা খেলিয়েছিল প্যারাগুয়ের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা ডিফেন্ডার নেলসনকে। ফিফার নিয়মানুযায়ী, কোন দেশের হয়ে খেলার জন্য সে দেশে আগে পাঁচ বছর বাস করতে হবে। কিন্তু চার বছরের মাঠে নেমে যাওয়ায় সে বাছাইপর্ব থেকে বলিভিয়াকে সরিয়ে নিয়েছিল ফিফা।

এন-কে

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।