খুঁজুন
রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে চট্টগ্রামে বায়ু দুষণ বাড়ছে, নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে চট্টগ্রামে বায়ু দুষণ বাড়ছে, নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : বর্তমানে পৃথিবীতে বসবাসের অযোগ্য নগরীর ৩নং স্থানে আছে ঢাকা। বর্ষাকালে পানিতে তলিয়ে যায় চট্টগ্রাম নগরী, শীতকালে ধুলাবালি, শিল্প বজ্য, পাহাড় কাটার মাঠি ক্ষয়, কলকারখানার কালো ধোঁয়ায় ক্রমাগত বায়ু দুষণের কারনে বাতাসে সীসা ছড়িয়ে বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়ছে দেশের বানিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রাম নগরীও।

বিশেষজ্ঞরা বায়ু দূষণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা স্তুপ, সমন্বয়হীন উন্নয়ন কর্মকান্ড, উন্নয়ন কর্মকান্ডে পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য পৃথক বরাদ্ধ থাকলেও তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করা, বিভিন্ন শিল্প কারখানা, যানবাহনের কালো ধুয়া নির্মগন, শিল্প বজ্য, পাহাড় কাটা ও ইট ভাটার কালো ধোঁয়া।

অন্যদিকে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) চট্টগ্রাম দাবি করছে, যে কোন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক এবং পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য পৃথক বরাদ্ধ রাখার বিধান থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে যথাযথ তদারকি করছে না।

উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন মানছে না খোদ সরকারী সেবা সংস্থা, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, টিএন্ডটি, কর্নফুলী গ্যাস ও সিটি কর্পোরেশন এর উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিয়োজিত ঠিকাদারগন।

যার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো নগরবাসীকে। চট্টগ্রামের বায়ুুর গুণগত মান ক্রমাগত অবগতি ও বায়ু দুষণের ফলে বসবাস অযোগ্য নগরীর মধ্যে অন্যতম হিসাবে চট্টগ্রামের নাম উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত এ দূষণের সাথে জড়িত সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়গুলি কঠোর ভাবে মেনে চলতে বাধ্য করা ও আইন অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবি জানিয়েছে ক্যাব চট্টগ্রাম।

গতকাল নগরীর জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) চট্টগ্রাম ও আমেরিকান কর্নারের যৌথ উদ্যোগে “পেতে হলে সুস্থ জীবন-রুখতে হবে বায়ু দুষণ” এর দাবিতে মানববন্ধন এ বিভিন্ন বক্তাগন এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের বায়ুর গুণগত মান ক্রমাগত দ্রুত অবনতির কারনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ক্লিন ও গ্রীন সিটি নির্মাণের অঙ্গীকার যেমন অপূর্ণ থেকে যাচ্ছে, তেমনি মানুষের নির্মল বায়ু প্রাপ্তি ও বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ অবস্থায় সাময়িক ভাবে মাক্স ব্যবহারে সুবিধা মিললেও দীর্ঘ মেয়াদে বায়ুর দূষণ থেকে বাঁচতে বায়ু দুষনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর হস্তে দমনের বিকল্প নাই।

বক্তাগন নগরীতে চলমান অপরিকল্পিত ও সমন্বয়হীন উন্নয়ন কর্মকান্ড, নগরীর রাস্তা খুড়ে বছরের পর পর ফেলে রেখে দুর্ভোগ সৃষ্ঠিকারী সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

যত্রতত্র ময়লা ফেলে রাখা, নালা-নর্দমার ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় তুলে রাখা, উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশ সংরক্ষনের তহবিলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে তদারিক নিশ্চিত করা, রাস্তার উপর ইট, সুরকি, বালি রাখা বন্ধ, বৃহৎ এপাটমেন্ট-বাড়ী নির্মানে পরিবেশ সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ধুলাবালি না ছড়াতে রাস্তা ও উন্নয়ন প্রকল্প এলাকায় প্রতিনিয়ত পর্যাপ্ত পানি ছিটানো, ক্যামিকেল বর্জ্য-কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করা, পাহাড় কাটা বন্ধ, ইট ভাটার কালো ধোয়া নির্গমন বন্ধ, পলিথিন ফেলে পরিবশে বিপর্যয় রোধে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।

এদিকে ক্যাব নেতারা জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের মতে একজন ধুমপায়ী নিজে তামাক সেবনের মাধ্যমে তার নিজের যে পরিমান ক্ষতি করেন, ধুমপানের ক্ষতিকর বায়ু ছড়িয়ে তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করেন শিশু ও গর্ভবতী মা’দের।

ঠিক একই ভাবে বায়ু ধুষণের কারনে শিশু ও মা’দের হাপানী, এ্যাজমা, ক্যান্সার, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, শিশুর মেধা বিকাশে প্রতিবন্ধকতা, জন্ডিসসহ নানা জঠিল রোগ ভয়াবহ আকার ধারন করছে।

ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক শাহাব উদ্দীন, বিএড কলেজের অধ্যাপক শামশুদ্দিন শিশির, লেডিস ক্লাবের জিনাত আজম, ইনার হুইল ক্লাবের রেবেকা নাহরিন, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বারের খালেদা আওয়াল, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব খুলসীর লায়ন প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, ক্যাব সদর ঘাটের শাহীন চৌধুরী, ক্যাব জামাল খানের নবুয়াত আরা সিদ্দিকী, হেলাল চৌধুরী, সালাহ উদ্দীন আহমদ, অ্যাডভোকেট সুচিত্রা গুহ, ক্যাব হালিশহরের উপদেষ্ঠা লায়ন এম আজিজ, ক্যাব চান্দগাঁও এর জানে আলম, অধ্যক্ষ মনিরুজ্জমান, আবু ইউনুচ, সেলিম সাজ্জাদ, ক্যাব পাঁচলাইশের মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, রেশমী আকতার, মুক্তা শেখ মুক্তি, অধিকার ফোরামের কায়সার আলী, ক্যাব হালিশহরের লায়ন এম আজিজ, বিবিএফ’র উৎফল বড়ুয়া, বিজয় একাত্তরের জসিম উদ্দীন, নারী যোগাযোগ কেন্দ্রের সালমা জাহান, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের জিয়া, ক্যাব আকবর শাহ থানার সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম প্রধান, ক্যাব পশ্চিম ষোলশহরের ইমতিয়াজ মোরশেদ খান, প্রশিকার শাহাদত হোসেন, নারী নেত্রী রেবা বড়ুয়া, মানবাধিকার ফোরামের জসিম উদ্দীন ও আমেরিকান কর্নারের পরিচালক রুমা দাস প্রমুখ।

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে অংশগ্রহনকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইনার হুইল ক্লাব, বেল্টা, ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাব, বিবিএফ, নারী যোগাযোগ কেন্দ্র, চাটগাইয়া নওজোয়ান, ভলান্টিয়ার্স ফর বাংলাদেশ, শপটোক, ব্রিটো, ইউপিওএল, ১/২৪, সামাজিক আন্দোলন, সিনেমা তারুন্য, টেকসই উন্নয়নের জন্য গ্লোবাল এইড, চট্টগ্রাম ব্লাড ব্যাংক, সিএসডিএফ, আইএসডিই বাংলাদেশ, প্রশিকা, ক্যাব যুব গ্রুপ প্রমুখ।

Feb2

রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনায় নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছেন এতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। এ রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে বলে আশা রাখি।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসাদুজ্জামান বলেন, রামিসার এই ঘটনায় জাতি বেদনাহত ছিল। এর পরেও আমরা রামিসাকে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তার বাবা-মার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। কিন্তু আমাদের যতটুকু করার আমরা সেটা করার চেষ্টা করেছি। ১৯ মে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনা তদন্ত করে ২৪ মে এর মধ্য চার্জশিট দিতে সক্ষম হয়েছি। ২৫ মে থেকে ৩১ মে অবধি সরকারি ছুটি ছিল। আমাদের নিম্ন আদালতগুলো ১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এক মাসের মধ্যে এই বিচারকার্য শেষ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। নিম্ন আদালতের ছুটি বাতিলের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এরপর মাননীয় প্রধান বিচারপতি সম্মতি দিয়েছিলেন দেশের শিশু ট্রাইবুনাল এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এর ফলেই চার্জশিট দাখিলের পর সিএমএম কোর্ট থেকে এই চার্জশিট ট্রাইবুনালে যায়।

তিনি বলেন, ১ জুন চার্জ গঠনের জন্য দিন ধার্য করেন। কার্যত ৬ কার্যদিবসের মধ্যে আমরা রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনার বিচার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা দেশের ইতিহাসে বিরল। এই উপমহাদেশে নদীয়ায় একবার এমন একটা ঘটনার বিচারকার্য এক দিনে শেষ করা হয়েছিল। এই ঘোষিত শাস্তিতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় কার্যকর থাকবে বলে আশা রাখি।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল হাইকোর্ট বিভাগে চলে যাবে। সেখানে যাওয়ার পর এসব মামলায় পেপারবুক প্রস্তুত করতে হয়, যা বাইরে করার সুযোগ নেই; সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানেই হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করবেন সুপ্রিম কোর্ট।

তিনি বলেন, আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় প্রধান বিচারপতির আদেশে দুটি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তার একটি ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা। আরেকটি ছিল বুয়েটের আবরার ফাহাদ মামলা।

তিনি বলেন, ‘রামিসার এ বিষয়ে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। যত দ্রুত সম্ভব এটি নিষ্পত্তি করব।’

রায় কার্যকর না হওয়ায়ই সমাজে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে কিনা, প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কার্যকর না হওয়া যেমন একটি হতাশার জায়গা। আবার এই কারণে এমন ঘটনা ঘটছে, সেটা আপনারা হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হচ্ছে না। এটা অন্যতম কারণ হতে পারে। ধরেন, রামিসার হত্যাকারী সোহেল মানসিকভাবে অপরাধী। এমন একটি ঘটনা ঘটিয়ে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিচারকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে মামলার রেকর্ডে নেই এমন আরেকজনকে টেনে আনতে চেয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল, বিচারপ্রক্রিয়া কতটা বিলম্বিত করা যায়।

সোহেল তো মানসিকভাবে অপরাধী। সে কত বড় ক্রিমিনাল এটা বোঝা যায়; সে বিচারকার্য বিলম্বিত করতে রেকর্ডে নেই এমন একজনকে টেনে আনতে চেষ্টা করেছে। সে চেয়েছে মানুষ এই ঘটনা ভুলে যায় কিনা। কিন্তু আমরা বিচারে ফোকাসড ছিলাম।

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদু্স কাজল।

তিনি বলেন, শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলে এত দ্রুত বিচার করা সম্ভব হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই : রামিসার বাবা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই : রামিসার বাবা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। যত দ্রুত রায় কার্যকর চাই।’

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে এসব কথা বলেন রামিসার বাবা।

রামিসার বাবা বলেন, আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই রায়ে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা মিটবে। রায়ে আমি শতভাগ খুশি হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি। বিচারপতি, পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিকসহ দেশের সব মানুষ যারা আমার এবং আমার পরিবারের বিপদের সময়ে পাশে ছিলেন আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

তিনি বলেন, আমার মেয়ে হত্যার যে রায় আজ আদালত দিয়েছেন, সেই রায় আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।