খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীতে যোগ না দিতে দেশ ছাড়ছেন রুশ নাগরিকেরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
সেনাবাহিনীতে যোগ না দিতে দেশ ছাড়ছেন রুশ নাগরিকেরা

ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানোর পর থেকে রাশিয়ার নাগরিকেরা দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন। রাশিয়া ছাড়তে অনেকে জর্জিয়া সীমান্তে জড়ো হয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, জর্জিয়া সীমান্তে সড়কে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ি জমেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সীমান্তে গাড়ির যে জটলা তা প্রায় ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যক্ষদর্শীদের আরেকটি দল জানিয়েছেন, জর্জিয়া সীমান্ত পাড়ি দিতে তাঁদের প্রায় সাত ঘণ্টা সময় লেগেছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জর্জিয়া সীমান্ত দিয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ দেশ ছেড়েছেন। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ লোকজনের দেশ ছেড়ে পালানোর খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

জর্জিয়া সীমান্তে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রুশ নাগরিক বিবিসিকে বলেন, তিনি পাসপোর্ট সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দিকে রওনা দিয়েছেন। সঙ্গে তিনি কিছু নেননি।

ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন করে সেনা পাঠানোর ঘোষণা বুধবার দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপরই ওই ব্যক্তি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ তিনি এমন একটি দলের মধ্যে পড়েছিলেন যাদের যুদ্ধ করতে ইউক্রেনে পাঠানো হতে পারে।

রাশিয়ার এই পরিস্থিতিতে নিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি একটি সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে দিমিত্রি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছেন এএফপির সাংবাদিক। এই ব্যক্তি রাশিয়া ছেড়ে আর্মেনিয়া যাচ্ছেন। এএফপিকে জানান, স্ত্রী ও সন্তান রেখে আর্মেনিয়া যাচ্ছেন তিনি। দিমিত্রি বলেন, ‘আমি যুদ্ধে যেতে চাই না। যুক্তিহীন এই যুদ্ধে আমি প্রাণ হারাতে চাই না। এটা ভাইকে হত্যার যুদ্ধ।’

এদিকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণার পর এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় বিক্ষোভ শুরু হয় রাশিয়ায়। বিক্ষোভ থেকে এক হাজারের বেশি রুশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে রাশিয়ান পুলিশ। বিক্ষোভের সময় সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয় মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর থেকে। রাশিয়ান হিউম্যান রাইটস গ্রুপ ওভিডি-ইনফো জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১ হাজার ৩০০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিক্ষোভ হয়েছে সাইবেরিয়ার ইরকুতস্ক শহর ও ইয়েকাতেরিনবার্গের মতো শহরগুলোতে।

এন-কে

Feb2

প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা অপরিবর্তিত রেখে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে এ সিদ্ধান্তর কথা জানান মন্ত্রী।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। আর দূরপাল্লার পথে বাসভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা।

তিনি বলেন, ঢাকা এবং চট্টগ্রামের মধ্যে দূরপাল্লার গাড়িতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বেশি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তঃজেলার প্রতি কিলোমিটারেও বাড়ানো হয়েছে ১১ পয়সা।

মন্ত্রী বলেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর। শুধুমাত্র ডিজেল চালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সিএনজিচালিত বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচিত হবে না।

জ্বালানি তেলের দাম কমে গেলে ভাড়াও আবার কমবে। তবে রেলওয়েতে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। এতে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে।

উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে এর আগে সবশেষ ২০২২ সালে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।

চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন খননের সময় মাটি চাপায় নিহত ২ শ্রমিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন খননের সময় মাটি চাপায় নিহত ২ শ্রমিক

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে ওয়াসার সুয়ারেজ লাইন খননের সময় মাটি চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দু’জন।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) ভোররাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ২ শ্রমিক হলেন রাকিব ও তুষার। তাদের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। আহতরা হলেন- সাগর ও এরশাদ।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চিনা হাইড্রো কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান আগ্রাবাদ অ্যাক্সেস রোডসহ নগরীর বিভিন্ন জায়গায় ওয়াসার সুয়ারেজ পাইপলাইন খনন করছে। গতকাল রাতে খননের সময় একটি স্থানে ৪ শ্রমিক গর্তে পড়ে মাটি চাপা পড়েন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ও স্থানীয় মানুষ প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তাদেরকে উদ্ধার করে। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুইজনকে ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়েছে।

এ ঘটনায় চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে উত্তেজিত শ্রমিকরা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বলে জানা যায়। এসময় জরুরি বিভাগের কাচ ও আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরে এ ঘটনার জেরে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোর ৪টার দিকে আগ্রাবাদ অ্যাকসেস রোডের সিঙ্গাপুর মার্কেটের সামনে ওয়াসার পানির পাইপ বসানোর জন্য মাটি কাটার সময় চারজন শ্রমিক মাটি চাপা পড়েন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের স্যুয়ারেজ প্রকল্পের ট্রায়াল পিট করার কাজ চলছিল। গভীর রাতে কাজ করার সময় মাটি চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত ও দুজন আহত হয়েছে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রোর কাজটি করছে। তাদের কাছে এক্সিডেন্ট রিপোর্ট চেয়েছি।’

নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে ক্ষতিপূরণ পায়, সে বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমরা কথা বলছি। যদিও মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম জানান, চার শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত দুজন ক্যাজুয়াল্টি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মানবিক ডিসির গণশুনানি ধীরে ধীরে গণপ্রত্যাশায় রূপ নিচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসির গণশুনানি ধীরে ধীরে গণপ্রত্যাশায় রূপ নিচ্ছে

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নিয়মিত গণশুনানি কার্যক্রম ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হচ্ছে। অসহায়, দরিদ্র ও বিপর্যস্ত মানুষ তাদের শেষ আশ্রয় হিসেবে ভিড় জমাচ্ছেন এই গণশুনানীতে—যেখানে অভিযোগ শুধু শোনা হয় না, তাৎক্ষণিক সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

মাত্র ১৫ দিনের কোলের শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামী পরিত্যক্তা সুরাইয়া বেগম হাজির হন এই গণশুনানীতে। জীবনযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতায় দিশেহারা এই নারী সন্তানের চিকিৎসা ও লালন-পালনের জন্য সহায়তা চাইলে জেলা প্রশাসক তাকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত গণশুনানীতে এ দৃশ্য উপস্থিত সবার মনে গভীর মানবিক আবেদন সৃষ্টি করে।

একইভাবে আকবরশাহ থানার ফিরোজশাহ কলোনীর বাসিন্দা তাসলিমা আক্তার, যিনি কিডনি ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত, তিনিও পান সহায়তা। স্বামী পরিত্যক্তা এই নারী শারীরিক দুর্বলতার কারণে গার্মেন্টসের চাকরি হারিয়েছেন। দুই শিশু সন্তান—জিহাদুল ইসলাম ও আরাফাত ইসলামকে নিয়ে তার জীবনযাপন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ। তার আবেদন শুনে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত চিকিৎসা সহায়তা আনার আশ্বাস দেন।

বন্দর এলাকার মোছাম্মৎ লাইজু বেগমও এসেছিলেন সন্তানের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইতে। তার স্বামী দিনমজুর। সীমিত আয়ে সংসার চালানোর মধ্যেই ছোট সন্তানটির চোখের দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। জেলা প্রশাসকের সহায়তায় আবারও চিকিৎসার আশা দেখছেন তিনি।

সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীর নাজমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে চর্মরোগে ভুগছেন। স্বামী বার্ধক্যজনিত কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। মানুষের বাসায় কাজ করে কোনোভাবে সংসার চালালেও চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। গণশুনানীতে আবেদন জানালে তাকেও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

মিরেরশ্বরাই উপজেলার রেমন্ডু ফিলিপ রায় গুরুতর অসুস্থতায় একটি পা হারিয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। তার একমাত্র সন্তান দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় থাকা এই ব্যক্তি সহায়তা চাইলে জেলা প্রশাসক শুধু আর্থিক সহায়তাই দেননি, সন্তানের পড়াশোনার খোঁজও নেন।

এছাড়াও সহায়তা পেয়েছেন ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বিধবা মাছুমা, হৃদরোগে আক্রান্ত বাঁশখালীর মাবিয়া খাতুন, স্বামীহারা ও শারীরিকভাবে অক্ষম নাহার, অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য আবেদনকারী আর্জিনা আক্তার এবং চট্টগ্রাম কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী, যার আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

গণশুনানীতে আসা আবেদনকারীরা জানান, জেলা প্রশাসক তাদের কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বুধবার আয়োজিত এই গণশুনানীতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর থেকে আগত সেবাপ্রত্যাশীদের আবেদন, অভাব ও অভিযোগ শোনা হয়। সর্বশেষ আজকের গণশুনানীতে ৭৪ জন সেবাপ্রত্যাশীর সমস্যা শোনা হয় এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এ সময় অসুস্থ ৯ জন ব্যক্তি ও ১ জন শিক্ষার্থীকে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ৪৮ জন দুস্থ নারী-পুরুষের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়া গুঁড়া সম্বলিত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া কিছু আবেদন ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি সেবাপ্রত্যাশীদের জানানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই গণশুনানি কার্যক্রম এখন শুধু একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়—এটি ধীরে ধীরে মানুষের প্রত্যাশা ও নির্ভরতার জায়গায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে একজন মানবিক জেলা প্রশাসকের স্পর্শে বদলে যাচ্ছে অসংখ্য মানুষের জীবন।