খুঁজুন
, ,

‘নির্বাহী প্রকৌশলী বলছেন বৃষ্টিতে বাঁধা’

মিরসরাইয়ে সড়ক সংস্কারের কাজ বন্ধ : জনদুর্ভোগ চরমে!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 29 September, 2022, 5:03 pm
মিরসরাইয়ে সড়ক সংস্কারের কাজ বন্ধ : জনদুর্ভোগ চরমে!

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম মিঠাছড়া থেকে বামনসুন্দর দারোগারহাট সড়কটি। এ সড়ক ঘিরে তিন ইউনিয়নের প্রায় কয়েক লাখ মানুষের বসবাস। প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত। মিঠাছড়া স্কুল, মিঠাছড়া মাদরাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কয়েকশো শিক্ষার্থীর চলাচল। সড়কে চলাচল করে রিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেল, ট্রাক, বাস, পিক-আপ সহ কয়েকশো যানবাহন। তবে এত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হওয়া সত্তে¡¡ও গত কয়েকমাস ধরে নতুন ভাবে সড়কটি সংস্কারের কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এখানকার স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক সংস্কারের কাজ প্রায় শেষের দিকে বাকি ছিলো শুধু কার্পেটিং ঢালাই। তবে দীর্ঘ এই সাড়ে সাত কিলোমিটারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার সম্পূর্ণ না করেই গত কয়েকমাস ধরে কাজ বন্ধ থাকায় বৃষ্টি আর অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে চলাচলে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন সময় যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমন অবস্থায় দ্রæত সড়কটি সংস্কার না হলে যেকোন সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মিঠাছড়া বাজারের ব্যবসায়ি আক্তার হোসেন জানান, রাস্তার এমন অবস্থায় একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। এতে বাড়ি থেকে বাজারে আসার সময় অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে আসতে হয়।

যাতে দোকানে এসে পাল্টানো যায়। কারণ রাস্তা দিয়ে আসার সময় জমে থাকা পানি গায়ে পড়ে পুরো শরীর ভিজে যায়।

মিঠাছড়া হাই স্কুলের শিক্ষার্থী আবু ছালেহ্ বলেন, রাস্তার জন্য একটু বৃষ্টি হলে স্কুলে আসতে পারিনা কারণ পুরো রাস্তায় পানি জমে থাকে এবং অনেক সময় গাড়ি ¯িøপ কেটে পড়ে যায়। এরচেয়ে সংস্কারের আগে অনেক ভালো ছিলো।

মিরসরাই সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল আলম দিদার বলেন, গত মাসিক উপজেলা সমন্বয় সভায় রাস্তাটির বিষয়ে উপস্থাপন করেছি।

রাস্তাটার খুবই খারাপ অবস্থা গাড়িতো দূরে থাক হেঁটে যেতেও মানুষের কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আশাকরি খুব দ্রæত রাস্তাটা পুনরায় কাজ ধরবেন বলে প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রণী সাহা বলেন, মানুষের সাময়িক কষ্ট হচ্ছে বিষয়টি বুঝতে পারতেছি, মূলত বৃষ্টির কারণে রাস্তার কাজ বন্ধ আছে।

কারণ বৃষ্টির পানিতে কার্পেটিং এর কাজ করলে সেগুলো উঠে যাবে। আমরা প্রতিদিন আবহাওয়া দেখছি আশাকরি আগামী ১০-১২ দিন পর থেকে পুনরায় কাজ শুরু হবে।

২৪ ঘণ্টা / জে-আর

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।