খুঁজুন
, ,

সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য-মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 14 December, 2019, 9:07 pm
সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য-মেয়র

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন তথা এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য। এই এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সম্পৃক্ত করায় মেয়র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আজ শনিবার সকালে ইউকেএইড ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী- ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় বাস্তবায়িত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ উপলক্ষে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে বিশাল নারী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এলআইইউপিসি’র সদস্য সচিব, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এলআইউপিসি’র প্রকল্প পরিচালক আবদুল মান্নান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসি, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আবদুল্লাহ আল মামুন, সিডিসি’র সভাপতি কোহিনুর আক্তার।

এ সময় চসিক কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো. ইসমাইল বালী, মো. মোবারক আলী, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাসেমসহ সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরগণ ও অন্যান্য উর্ধবতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এলআইইউপিসি প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মোঃ সরোয়ার হোসেন খাঁন।

সিটি মেয়র বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় নগরীর ২৪টি ওয়ার্ডের ৪০০ সিডিসির ৫৮৮৪ জনকে ৪ কোটি ৮১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা আর্থ-সামাজিক অনুদান দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর্মমুখী দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষনের জন্য ৮২৯ জনকে ১ কোটি ১২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা, ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির জন্য ১৮৮৪ জনকে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা এবং উপকারভোগীদের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তার জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি হিসাবে ৩৩৭৪ জনকে ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত কর্মমুখী দক্ষতাবৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপবৃত্তি ও পরিবারের আয় বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসা নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকার মাধ্যমে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে মন্তব্য করেন সিটি মেয়র।

তিনি আরো বলেন এই অনুদান নগরীর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে যথাযথভাবে কাজে আসবে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়ন কর্মসূচী অব্যাহত রাখবে।

মেয়র বলেন, এসডিজি অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে মেয়র প্রত্যাশা করেন। এ প্রকল্পের ৫টি কম্পোনেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে আজকে ১টি কম্পোনেন্ট এর আওতায় ৫৮৮৪ জন পরিবারকে আর্থ-সামাজিক অনুদান দেয়া হয়েছে। অন্য কম্পোনেন্ট এর আওতায় জলবায়ু সহিষ্ণু ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্র বসতি এলাকায় আবাসন উন্নয়ন ও নিজস্ব পুঁজি গঠনের মাধ্যমে আয়বৃদ্ধিমূলক কাজ রয়েছে। সেগুলো ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প।

এ প্রসঙ্গে তিনি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আবাসন সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন দরিদ্র মানুষের আবাসনের জন্য সরকার মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী বছর থেকে এ পরিকল্পনার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে এবং ২০২৩ সালে শেষ হবে।

তিনি বলেন সরকারের সকল পরিকল্পনার মূলে রয়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য ও জীবনমান উন্নয়ন। এ লক্ষে সরকার নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব কর্মই অনুনেয় যে, এ সরকার জনকল্যাণ মুখী সরকার। তাই সরকারের সকল কাজে সহযোগিতা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মেয়র।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত উপকারভোগীদের মাঝে সিটি মেয়র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট একাউন্টের মাধ্যমে অনুদান তাৎক্ষনিক প্রেরণ করেন। এতে উপকারভোগীরা উল্লাসে ফেটে পরেন এবং সিটি মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Feb2

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 12:55 am
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, সংসদ সদস্য এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।

 

এর আগে আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও একই ফ্লাইটে এসেছেন।

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে গত সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী চীনের পথে যাত্রা করেন।

২১ জুন মালয়েশিয়া পৌঁছান তারেক রহমান। এ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক এবং পরে সীমিত পরিসরে আলোচনা হয়। এতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বৃহত্তর পরিসরে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন: মাহদী আমিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 2:08 pm
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন: মাহদী আমিন

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার চীন। এ কারণে আমাদের একটা বড় সুযোগ রয়েছে। একদিকে, তারা যেমন সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার, একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও চীনে রপ্তানি হয়। তবে তুলনামূলকভাবে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় বেইজিংয়ে হোটেল ‘দাইওইউতাই’-এ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা রপ্তানি বাড়াতে পারি কিনা, ডাইভার্সিফাই কীভাবে করতে পারি? বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বর্তমানে আমাদের ডিউটি ফ্রি ইমপোর্ট চীনে রয়েছে। এ থেকে আরো কীভাবে সুবিধা পাওয়া যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে চীনের বিশাল বাজারে রপ্তানির সুযোগ কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, তিস্তা প্রজেক্টের বিষয়ে আমাদের মহাপরিকল্পনা রয়েছে, যা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তারই আলোকে এই মহাপরিকল্পনার প্ল্যানিং স্টেজ থেকে শুরু করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইড করা, তার উপর ভিত্তি করে আমাদের প্রজেক্ট ডিজাইন করা, প্ল্যানিং, এক্সিকিউশন সব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে চীন সরকার যুক্ত হবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, ‘জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডি করাটা খুব প্রয়োজন। এত বড় একটি প্রজেক্টে সেই জয়েন্ট ফিজিবিলিটি স্টাডির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে চীন কাজ করতে চায় এবং টোটাল ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের ড্রেনেজ সিস্টেমে যে বিশেষজ্ঞ যেখানে রয়েছেন সেটি বাংলাদেশের কাজে লাগানো সম্ভব। দুই দেশের সরকার প্রধানই এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।’

মাহদী আমিন বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় চীনের যে মেগা সাইজ মার্কেট রয়েছে তাতে অবশ্যই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রোডাক্টের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই আমরা যদি আমাদের সাপ্লাই চেইনটাকে সেভাবে উন্নত করতে পারি, চীনের যে ডমেস্টিক ডিমান্ড আছে, সেটার সাথে এলাইন করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব।’

‘চীনের মার্কেটে আমরা অনেক কিছু রপ্তানি করতে পারি। তাৎক্ষণিকভাবে আজ বাংলাদেশ থেকে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল পাঁচ হাজার রপ্তানির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এই ধরনের ফ্রুট, ভেজিটেবল, অ্যাগ্রোভেইড প্রোডাক্ট, ফিশারিজ অনেক ক্ষেত্রে আমরা নতুন নতুন ডাইভার্সিফিকেশন করতে পারি।’

একই সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যালস, সিরামিক, হাইটেক বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে যেখানে বাংলাদেশে একদিকে যেমন চীনের বিনিয়োগ করা সম্ভব। ঠিক একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানিরও সুযোগ রয়েছে। এজন্য জয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান করার বিষয়ে কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমনভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবো যেখানে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে বেনিফিট পাওয়া যাবে। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশও রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতার মাধ্যমে উপকৃত হবে। একই সঙ্গে চীনও তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রফিট পাবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘চীন বাংলাদেশে ইনভেস্টমেন্ট করতে চায় এবং অবশ্যই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং প্রাইভেট সেক্টরে যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা ডিজিটাল ইকোনমি, আইটি, অ্যাগ্রিকালচার, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’

তিনি বলেন, ‘চীনের কিছু ব্যাংক আগামীতে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে চায়। আমাদের ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমটাকে আমরা যেভাবে রিকভারি করছি এবং সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। চীন মনে করছে যে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে।’

‘চীনেরও বেশ কিছু কোম্পানি রয়েছে, যাদের বিশ্বের উন্নত দেশে অফিস রয়েছে, সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও অফিস করবে। এ বিষয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন। আমরা সবসময় চাই পিপলস টু পিপলস কানেক্টিভিটি যেন বাড়ে।’

তিনি বলেন, ‘পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং চীনের প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় উঠে এসেছে। যেমন এডুকেশনের ক্ষেত্রে থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ। আমরা এটা শুরু করতে চাচ্ছি এবং এখানে বড় ধরনের সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশনে চীন সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এরই মধ্যে তারা হাসপাতাল নিয়ে কাজ করছে। চীনের বিনিয়োগকৃত হাসপাতালের সংখ্যা কীভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসা করতে চান। চীনে বাংলাদেশি রোগীদের ভিসা আরো সহজ করা, হেলথ কেয়ার ফ্যাসিলিটি কীভাবে বাংলাদেশিদের জন্য বাড়ানো যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেন সহজে চীনা ভিসা পায় এবং স্কলারশিপ বাড়ানোর সুযোগ পায়, সেই বিষয়গুলো নিয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতায় স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 1:50 pm
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতায় স্বাক্ষর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরের শেষ দিন চীনের তিন ক্ষমতাধর ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের মধ্যে নিজ নিজ দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন চীনকে একক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায় বাংলাদেশ।

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের হোটেল দিওয়াউতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ও তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, ১৭ সমঝোতার মধ্যে ১৩টি হয়েছে দুই দেশের মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি, ৩টি হয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিটার সঙ্গে। বাকি একটি সমঝোতা হয়েছে সরকার দল বিএনপি ও চীনের সরকারি দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রত্যেকটি বৈঠকে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী চীনকে একক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। একইসঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো আলোচনা হয়নি৷ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীন ও সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান।