খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য-মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য-মেয়র

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন তথা এসডিজি’র প্রধান লক্ষ্য। এই এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সম্পৃক্ত করায় মেয়র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আজ শনিবার সকালে ইউকেএইড ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী- ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় বাস্তবায়িত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ উপলক্ষে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে বিশাল নারী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এলআইইউপিসি’র সদস্য সচিব, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এলআইউপিসি’র প্রকল্প পরিচালক আবদুল মান্নান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসি, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আবদুল্লাহ আল মামুন, সিডিসি’র সভাপতি কোহিনুর আক্তার।

এ সময় চসিক কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো. ইসমাইল বালী, মো. মোবারক আলী, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাসেমসহ সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরগণ ও অন্যান্য উর্ধবতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এলআইইউপিসি প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মোঃ সরোয়ার হোসেন খাঁন।

সিটি মেয়র বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় নগরীর ২৪টি ওয়ার্ডের ৪০০ সিডিসির ৫৮৮৪ জনকে ৪ কোটি ৮১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা আর্থ-সামাজিক অনুদান দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর্মমুখী দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষনের জন্য ৮২৯ জনকে ১ কোটি ১২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা, ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির জন্য ১৮৮৪ জনকে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা এবং উপকারভোগীদের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তার জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি হিসাবে ৩৩৭৪ জনকে ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত কর্মমুখী দক্ষতাবৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপবৃত্তি ও পরিবারের আয় বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসা নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকার মাধ্যমে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে মন্তব্য করেন সিটি মেয়র।

তিনি আরো বলেন এই অনুদান নগরীর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে যথাযথভাবে কাজে আসবে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়ন কর্মসূচী অব্যাহত রাখবে।

মেয়র বলেন, এসডিজি অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে মেয়র প্রত্যাশা করেন। এ প্রকল্পের ৫টি কম্পোনেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে আজকে ১টি কম্পোনেন্ট এর আওতায় ৫৮৮৪ জন পরিবারকে আর্থ-সামাজিক অনুদান দেয়া হয়েছে। অন্য কম্পোনেন্ট এর আওতায় জলবায়ু সহিষ্ণু ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্র বসতি এলাকায় আবাসন উন্নয়ন ও নিজস্ব পুঁজি গঠনের মাধ্যমে আয়বৃদ্ধিমূলক কাজ রয়েছে। সেগুলো ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প।

এ প্রসঙ্গে তিনি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আবাসন সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন দরিদ্র মানুষের আবাসনের জন্য সরকার মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী বছর থেকে এ পরিকল্পনার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে এবং ২০২৩ সালে শেষ হবে।

তিনি বলেন সরকারের সকল পরিকল্পনার মূলে রয়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য ও জীবনমান উন্নয়ন। এ লক্ষে সরকার নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব কর্মই অনুনেয় যে, এ সরকার জনকল্যাণ মুখী সরকার। তাই সরকারের সকল কাজে সহযোগিতা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মেয়র।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত উপকারভোগীদের মাঝে সিটি মেয়র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট একাউন্টের মাধ্যমে অনুদান তাৎক্ষনিক প্রেরণ করেন। এতে উপকারভোগীরা উল্লাসে ফেটে পরেন এবং সিটি মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Feb2

শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে ঘরের মাঠের এই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর কিউইদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাও। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের ফাইফারে কোনোরকমে দুইশ ছুঁয়ে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।

চট্টগ্রামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রান করে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের হয়ে ৩০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে সেরা বোলার মুস্তাফিজ।

২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। নতুন বলে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি পেসার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বাউন্স সামলাতে পারেননি হেনরি নিকোলস, টপ এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ৪ রান করে নিকোলস ফেরায় ভাঙে ৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

আরেক ওপেনার উইল ইয়াং উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। নাহিদ রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াং। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ বলে ১৯ রান।

৫৪ রানে ২ উইকেটে হারানোর পর বড় দায়িত্ব ছিল টম ল্যাথামের কাঁধে। কিন্তু উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক। ইনিংসের ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলটি মিডল স্টাম্পের ওপর করেছিলেন মিরাজ, সেখানে সুইপ করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে বল চলে যায় শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়িয়ে থাকা শরিফুলের হাতে। ১৩ বলে ৫ রান করেছেন ল্যাথাম।

৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন হাল ধরেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। বিশেষ করে ক্যালি দারুণ ব্যাটিং করছেন। ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। এই মাইলফলক ছুঁতে খেলেছেন ৬৮ বল। তবে ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৫৯ রান করে মুস্তাফিজের বলে আউট হয়েছেন তিনি। তাতে ভাঙে ৪৭ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

ভালো শুরু করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল। ৩৬ বলে ২৫ রান করেছেন তিনি। তাতে ১২৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যায় কিউইরা। এরপর ডিন ফক্সকর্ফট ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। তার ৭৫ রানের ইনিংস কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার।

ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য।

চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। তাতেই ভালো সংগ্রহের ভিত পেয়েছে টাইগাররা। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন।

এ দিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।

এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২২, শরিফুল ইসলাম ১, তানভীর ইসলাম শূন্য রানে আউট হন। এ ছাড়া ৩৩ রানে তাওহীদ হৃদয় ও ৩ রানে মুস্তাফিজুর রহমান অপরাজিত থাকেন।

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও দেশে দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গড়ে না ওঠায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধে সৃষ্ট সংকট সমাধানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সক্ষমতা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্পষ্ট। নিজস্ব শোধনাগার না থাকায় অপরিশোধিত তেল থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

জ্বালানি সংকট নিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) রয়েছে যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের পাঠাভ্যাস তৈরি করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের কাজ করার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানাল, এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদসহ শিক্ষা, প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। এ সময় কর্মসূচিটি কীভাবে সারাদেশের পড়ুয়াদের মধ্যে বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়েও হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন অধ্যাপক আবু সায়ীদ।