শৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট নিরসনে কাজ করছে
রাউজান পৌরসভার ৫৫ জন স্বেচ্ছাসেবক ৫৫টি পূজামণ্ডপে
ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে রাউজানে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। উপজেলার ২’শ ৪৭টি পূজা মণ্ডপের পাশাপাশি রাউজান পৌরসভার ৫৫টি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে পূজামণ্ডপের সার্বিকনিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করছেন পৌরসভার ৫৫জন স্বেচ্ছাসেবক।
একই সঙ্গে সড়কের যানযট নিরসনে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে লাঠি, বাঁশি, লালবাতি সম্বলিত সংকেত যন্ত্র, মুঠোফোন নিয়ে বিশেষ পোশাকধারী ১২জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছে।
গত ১ অক্টোবর (শনিবার) সন্ধ্যায় রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজের উপস্থিতিতে দায়িত্ববণ্টনের পর পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকদের পূজামণ্ডপ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রেরণ করা হয়।
রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় পৌরসভার প্রতিটি পূজামণ্ডপের শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক দেয়া হয়েছে।
তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি শৃঙ্খলা রক্ষা, যানজট নিরসনসহ সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি পৌর এলাকার ৫৫টি পূজামণ্ডপ মনিটরিং করা হচ্ছে।
পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পৌরসভার এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
উপজেলা পূজা কমিটির সভাপতি প্রিয়তোষ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সুমন দে বলেন, পূজাকে ঘিরে পৌরমেয়রের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
পূজা মন্ডপের পাশাপাশি সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবকগণ কাজ করছে। যার ফলে সড়কের পাশে মণ্ডগুলোতে পূজার্থীরা নির্বিগ্নে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলাচল করতে পারছে।
জানা যায়, রাউজান পৌরসভার মেয়র সম্প্রতি পৌরসভার পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় স্বেচ্ছাসেবক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তারই আলোকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাউজানের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় পৌরসভার পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও যানযট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেন পৌর মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ।
২৪ ঘণ্টা / জে-আর


আপনার মতামত লিখুন