বেড়েছে কালো চশমার কদর
হাটহাজারীতে কনজাংটিভাইটিস রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হঠাৎ চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর গ্রীস্মে ভাইরাস জনিত ছোঁয়াছে এ রোগের দেখা মিললও এবার শরতেই প্রকোপ বেড়েছে। রোদে এবং মানুষের কাছ থেকে নিজের চোখ লুকাতে আক্রান্ত রোগিরা ব্যবহার করছেন কালো চশমা। ফলে কালো চশমার কদর বেড়ে গেছে হাটহাজারীতে।
এখন রাস্তাঘাটে, শপিং মল, অফিস আদালত এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দেখা যাচ্ছে চোখে কালো চশমা পরিহিত অগণিত মানুষ।
এদিকে কালো চশমার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করছে ব্যবহারকারীরা।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, চশমার দোকান ও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল দোকানে বৃদ্ধি পেয়েছে কালো চশমার পরিমান। দোকানের সামনে সারি সারি টাঙ্গিয়ে রেখেছে কালো চশমা।
পৌরসদর এক চশমা দোকান মালিক জানান, এখন প্রতিদিন গড়ে ৩০—৪০টি উর্ধ্বে চশমা বিক্রি হচ্ছে। আগে যেখানে ৫—১০টি বিক্রি হত।
বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি চশমা আগের চেয়ে দিগুণ দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় সাপ্লাই কমে গেছে। চশমার ব্র্যান্ড অনুপাতে ১৫০ থেকে ৪’শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে কালো চশমা ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি চোখের ড্রপের বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে ফার্মেসী থেকে এসব ড্রপ ক্রয় করছেন রোগিরা।
পৌরসদরস্ত কলাবাগান এলাকার ফার্মেসী মালিক জানান, চিকিৎসকরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডে ড্রপ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। হঠাৎ ড্রপের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাপ্লাই কমে গেছে। ফলে বেড়েছে ড্রপের দাম। এখন ৮০—৯০ টাকার ড্রপ ১’শ থেকে ১’শ ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিৎ দত্ত জানান, এটা একটা ভাইরাসজনিত রোগ। কোন আক্রান্ত ব্যক্তি নিজের চোখে হাত দিয়ে অন্যজনের সংস্পর্শে যান, তাহলে ঐ সুস্থ ব্যক্তিও আক্রান্ত হবেন।
তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে, তাহলে সংক্রামন রোধ করা সম্ভব হবে। এ রোগের রুগীরা ৩—৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যান।
২৪ ঘণ্টা / জে-আর


আপনার মতামত লিখুন