সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্যে দিশাহারা যাত্রীরা
মিরসরাইয়ের নিয়মের তোয়াক্কা করছে না সিএনজি চালকরা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল করতে সরকারের পরিকল্পনায় মিরসরাইয়ে গড়ে উঠছে ইকোনমিক জোন। পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে এই এলাকার মহামায়া লেক এবং খৈয়াছাড়া ঝর্ণার খ্যাতি রয়েছে পুরো দেশ জুড়ে। আর এসব পর্যটন এলাকাতে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক যাতায়াত করেন সিএনজি চালিত অটোরিকশায়। অথচ এ অটোরিশার ভাড়ার কারণে যাত্রীদের পড়তে হয় সীমাহীন দূর্ভোগে। প্রায় চালকদের সাথে যাত্রীদের বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ইচ্ছে মত বাড়ানো হচ্ছে ভাড়া। এতে ভুক্তভোগী যাত্রীরা হয়রানির শিকারসহ জিম্মি সিএনজি (অটোরিকশা) চালকদের হাতে।
জানাগেছে, ২০১৫ সালে সিএনজির জমা ৯’শ টাকা এবং যাত্রীদের জন্য প্রথম দুই কিলোমিটার ৪০ টাকা, পরে প্রতি কিলোমিটার ১২ টাকা এবং বিরতিকালীন চার্জ প্রতি মিনিটে ২টাকা করে নির্ধারণ করা হয়।
তবে এমন নিয়ম না মেনে যে যা পারছে নিজের ইচ্ছে মতো বাড়া আদায় করছে সিএনজি চালকরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বারইয়ারহাট থেকে জোরারগঞ্জ ৩ কিলোমিটার দুরত্বে নেয়া হয় ৭৫ টাকা, মিঠাছড়া থেকে বামনসুন্দর দারোগারহাট ৫ কিলোমিটার দুরত্বে নেয়া হয় ১’শ ২৫ টাকা,
মিরসরাই পৌর সদর থেকে সাধুরবাজার ৫ কিলোমিটার দুরত্বে নেয়া হয় ১’শ ২৫ টাকা। এভাবে পুরো উপজেলা জুড়ে চলছে ভাড়ার নৈরাজ্য।
ভুক্তভোগী মর্তুজা জানান, এভাবে সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে যার যার মত ভাড়া নেয়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি আমরা সাধারণ জনগণ। সাধুর বাজার থেকে মিরসরাই পর্যন্ত সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে প্রায় ২০ টাকা বেশি নেয়া হয়।
সিএনজি চালক আব্দুল মজিব বলেন, দৈনিক মালিককে ৩’শ ৫০ টাকা করে দিতে হয়। গ্যাস বিল, নিজের খরচ, পারিবারিক খরচ সবমিলিয়ে পুষিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হয়।
মিরসরাই উপজেলার সিএনজি ১৬/৯১ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনসুর আহমেদ বলেন, এরা যার যার মত ভাড়া নিচ্ছে। কেউ আমার কথা শুনে না। আমার কমান্ডে থাকলে আমি বলতাম কোন জায়গা থেকে কত ভাড়া নিবে।
মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিনহাজুর রহমান বলেন, খুব শীঘ্রই এবিষয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
২৪ ঘণ্টা /জেআর


আপনার মতামত লিখুন