পেকুয়ায় চার সিএনজি ছিনতাইকারী আটক
কক্সবাজার পেকুয়া উপজেলায় সিএনজি চোর চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে পেকুয়া থানার পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে চোরাই সিএনজি উদ্ধার হয়েছে।
পেকুয়া থানাধীন টৈটং ইউপির ৭ নং ওয়ার্ড এবিএম ব্রিকফিল্ডের দক্ষিণ পাশে মৌলভীপাড়া রাস্তার মাথা পেকুয়া-বাশঁখালী আঞ্চলিক সড়কের উপর গতকাল ১৭ অক্টোবর (সোমবার) আনুমানিক রাত সাড়ে ১০ টার সময় এই গঠনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন, ১)মো. সাইফুল (২৩) পিতা— নুরুল আমি, গ্রাম— ঈদগড় ভরাচর, ২) মো. সাইফুল ইসলাম প্র. বাপ্পি (২৩) পিতা— মো. মোশারফ, গ্রাম— ঈদগড়, চরপাড়া, ৩) মো. ছাদেকুর রহমান প্র. ছাদেক (২০) পিতা— শামশুল আলম, গ্রাম— পহরচাঁদা হারবাং, ৪) জাহেদুল ইসলাম (২০) পিতা— জায়নাল আবেদীন, গ্রাম— ঈদগাড় ৪ নং ওয়ার্ড। এ সময় শুক্কুর (২০) ঈদগড় ছগিড়া কাটা ৭নং ওয়ার্ড ব্যক্তি গটনা স্থাল থেকে পালিয়ে যায়৷
ফোরকান (বাদী) জানায়, ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮.৩০মি. চট্টগ্রাম মাইজ্জারটেক সিএনজি স্টেশনে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম।
তখন ৫ জন্য বক্তি মইজ্জারটেক হইতে পেকুয়া চৌমুহনী আসবে বলিয়া ৭৫০/— টাকা ভাড়া নির্ধারণ করিয়া আমার সিএনজিতে উঠে। রাত অনুমান সাড়ে ১০ টার সময় আমি পেকুয়া থানাধীন টৈটং ইউপির ৭ নং ওয়ার্ড এবিএম ব্রিকফিল্ডের দক্ষিণ পাশে
মৌলভীপাড়া রাস্তার মাথা পেকুয়া-বাশঁখালী আঞ্চলিক সড়কের উপর পৌছাইলে আমার ডান পার্শ্বে বসা যাত্রী আমার ঘাড় চাপিয়া ধরে এবং বাম পাশে থাকা যাত্রী তাহার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথায় সজোরে আঘাত করে মাথার খুলি ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়।
আমি গাড়ি থেকে নামিয়া ঘটনা বুঝার চেষ্টা করিলে অন্যান্য যাত্রীগণ একত্রিত হইয়া আমাকে মারধর করে সিএনজি থেকে রাস্তায় পাশে ফেলিয়া তাহারা আমার গাড়িটা নিয়ে ধনিয়াকাটা হয়ে পেকুয়া চৌমুহনীর দিকে দ্রুতবেগে চালাইয়া যাইতে থাকে।
আমি তাৎক্ষণিক ধনিয়াকাটা বাজারের দোকানদার সালাউদ্দিন সওদাগরকে ফোন করে গাড়ীটি আটকানোর জন্য বলি।
তখন সালাউদ্দিন আরো কয়েকজন লোকজন নিয়ে রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে সিএনজি আটক করিয়া গণপিটুনি দিয়ে পেকুয়া পুলিশ কে সোপর্দকরে৷
এ বিষয়ে তিনি পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পেকুয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চার আসামিকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার হয়।
২৪ ঘণ্টা / জেআর


আপনার মতামত লিখুন