খুঁজুন
, ,

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন—২০০৯ অধিকতর প্রচারে সেমিনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 20 October, 2022, 5:45 pm
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন—২০০৯ অধিকতর প্রচারে সেমিনার

হাটহাজারীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন—২০০৯ অধিকতর প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ ২০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে সহকারী কমিশনার ভূমি আবু রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিমে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল আলম বাশেক,

ইন্সপেক্টর আমির হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিসালত আহমেদ, ক্যাব হাটহাজারী উপজেলার সভাপতি জিয়া চৌধুরী, প্রেস ক্লাব সভাপতি কেশব কুমার বড়–য়া,

সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য শ্যামল নাথ, পৌরসভা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আজম, নিসচা হাটহাজারীর সভাপতি ওজাইর আহমদ হামিদী,

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শাকিলা খাতুন প্রমূখ। এসময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, ইউপি সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

পুলিশে বড় রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 10:18 pm
পুলিশে বড় রদবদল

পুলিশের ঊধ্বর্তন ২১ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে। একই আদেশে হাইওয়ে পুলিশের প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদকে।

রোববার (২৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়। রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।

বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে- পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে, এনএসআইয়ের পরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডি প্রধান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামানকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ টেলিকমে এবং র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) ফারুক আহমেদকে হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এফডিএমএন কার্যালয়ের ডিআইজি প্রলয় চিসিমকে নোয়াখালী পিটিসিতে, সিআইডির ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিমকে এপিবিএনের এফডিএমএন কার্যালয়ে, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ ওসমান গণিকে রংপুর পিটিসিতে, এসবির ডিআইজি এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে খুলনা পিটিসিতে, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামানকে র‍্যাবে এবং এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্বে) এ কে এম আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।

একই আদেশে ময়মনসিংহ মুক্তাগাছা এপিবিএনের অধিনায়ক মো. কুতুব উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি, রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুনকে মুক্তাগাছা এপিবিএনের অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে কমান্ড্যান্ট রাঙ্গামাটি বেতবুনিয়া, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানকে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায়, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল ওয়ারীশকে রংপুর পিটিসিতে পদায়ন এবং খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তরে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহিদুর রহমানকে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায়, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সালমা সৈয়দ পলিকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ঝিনাইদহ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মো. শহীদুল ইসলাম এবং পুলিশ টেলিকমের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 4:43 pm
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি এই কথা বলেন।

এদিন সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আয়োজনে এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তারা। আপ্যায়নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এই মধ্যাহ্নভোজে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’র মাধ্যমে আসা ২১ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

এই শিক্ষার্থীরা মূলত সংসদ ভবন পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে এসেছিলেন। দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে তারা সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন। এছাড়া তারা সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সরাসরি সংসদ অধিবেশন কক্ষে বসে সংসদের কার্যপ্রণালী দেখার সুযোগ পান।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন দেখার পাশাপাশি সরকারপ্রধানের আমন্ত্রণে এমন আয়োজনে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আন্তরিক আপ্যায়ন ও দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ পাওয়ায় তারা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 4:26 pm
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়: ডিসি জাহিদ

সমাজের কোনো জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, মানুষ কোথায় জন্ম নেবে, তা তার নিয়ন্ত্রণে নয়; তবে পরিশ্রম, দক্ষতা ও বড় স্বপ্নের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তা ভোগে নয়, উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এ অর্থ জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকা।

রোববার (২৮ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত ‘অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ শীর্ষক ১৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করলেও অনেকেই এখনো উন্নয়নের মূলধারা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কোনো সমাপ্তি নয়; এটি নতুন পথচলার শুরু। বিশ্ববাজারের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত দক্ষতা বাড়াতে হবে। ‘আপনি যদি স্থির থাকেন আর পৃথিবী এগিয়ে যায়, তাহলে পৃথিবীর সঙ্গে আপনার দূরত্বই বাড়বে,’ বলেন তিনি।

সময়কে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ড. বি. আর. আম্বেদকরের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, অধিকাংশ সফল মানুষ প্রতিকূলতাকে জয় করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাই ব্যর্থতার অজুহাত না খুঁজে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার প্রকৃত সফলতা তখনই আসবে, যখন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবনমান পরিবর্তন করতে পারবেন। সরকার শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা বাড়াতে নয়, তাঁদের বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর আবাসন ও কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, তাঁদের প্রায় ২৫০টি পরিবারের আবাসনের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

সরকারি অনুদানের বিষয়ে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ করা হলে ব্যক্তি যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি সরকারের উদ্দেশ্যও সফল হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তব চাহিদাভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো এলাকায় কী ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়েই প্রশিক্ষণের বিষয় নির্ধারণ করা উচিত। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দক্ষতার ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নৈতিক অবক্ষয়ের প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না ঘটলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও বিবেক জাগ্রত করতে সামাজিক সংগঠনগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি মাদকের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলেন, মাদক মানুষের বিবেক ও বিচারবোধ নষ্ট করে দেয়। তাই একটি মাদকমুক্ত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সরকার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ১৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী জেলে, হিজড়া, সন্ন্যাসী, হরিজন ও সেবক সম্প্রদায়ের ২৫ জনকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান ও সনদ দেওয়া হয়। এছাড়া ২০৫টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মধ্যে ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার অনুদান এবং প্রতিবন্ধী, দুস্থ ও মেধাবী ১৩৫ শিক্ষার্থীকে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানে ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।