খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেশাগ্রস্থ সিএমপির ৪০ পুলিশ কারাগারে

প্রতিনিয়ত ডোপ টেস্ট হচ্ছে সিএমপি সদস্যদের

গণ পরিবহন প্রফিট শেয়ারিংয়ের চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
প্রতিনিয়ত ডোপ টেস্ট হচ্ছে সিএমপি সদস্যদের

রেন্ডম ডোপ টেস্ট হচ্ছে সিএমপি’তে। মাদক সেবনের প্রশাসনিক অপরাধে চাকুরিচ্যুতির পর ৪০ পুলিশ সদস্য বর্তমানে কারাগারে। এদিকে, রাস্তায় যানজট কমাতে গণ পরিবহন প্রফিট শেয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে সিএমপি’র পক্ষ থেকে। নগরীর ট্রাফিক সিস্টেম, বঙ্গবন্ধু টানেলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টানেলের উভয় পার্শ্বে দুটি থানাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ এখন অনিশ্চয়তায়।

পুলিশের অপরাধ সম্পর্কে এক কর্মকতার্ বলেন, মাদকাসক্ত হওয়ায় ৪০ জন পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে এদের সনাক্ত করার পর এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

যদিও ৭ হাজার পুলিশ সদস্যের মধ্যে এই সংখ্যা খুবই নগণ্য। তবুও রেন্ডম ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে সিএমপি’তে।
এদিকে, স্যোসাল মিডিয়ায় তুলে ধরা বিভিন্ন ঘটনার বিষয়গুলোতে কড়া নজরদারী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের।

অপরাধ হঠাৎ হতেই পারে ও আইনের প্রতি মানুষের অনাস্থা আসতেই পারে সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছে পুলিশ। কভিডের এর সময় জনগণকে নিরাপদ রাখতে পুলিশ ছিল সচেষ্ট।

কিন্তু নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশনের সঙ্গে সমন্বিত বৈঠক হয়েছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের, কিন্তু এখনো কোন পরিবর্তন চোখে দেখা যাচ্ছে না।

আরো জানা গেছে, সিএনজি টেক্সিকে একটি এ্যাপসের আওতায় আনা হয়েছে সঠিক পরিসংখ্যানের মাধ্যমে। শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সিএনজি ট্যাক্সি ও বাস চালাতে বাধ্য করার নানা কর্মসূচী সিএমপি’র। কারণ ক্রমান্বয়ে বাসকেও জরিপের মাধ্যমে এ্যাপসের আওতায় আনবে সিএমপি।

এদিকে, নগরীতে পাবলিক পরিবহন মালিকরা যদি প্রফিট শেয়ারিং পদ্ধতি অবলম্বন করেন তাহলে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম কমে যাবে এমন ধারনা পুলিশের। সিট ক্যাপাসিটি অনুযায়ী প্রফিট শেয়ারিং করার জন্য পুলিশ পরিবহন মালিক সমিতিকে প্রস্তাবনা দিলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি।

এদিকে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারায় নিমার্ণ শেষের অপেক্ষায় থাকা বঙ্গবন্ধু টানেলের উভয় পার্শ্বে দুটি থানা নিমার্ণের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে পুলিশ হেডকোয়াটার্সসহ সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে। ট্রাফিক ব্যবস্থা স্মুথ করতে এধরনের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। কারণ নিরাপত্তা প্রদান করবে থানা পুলিশ আর চট্টগ্রামে টানেলের পরিচালনা করবে নৌবাহিনী ।

সিএমপিতে আরো চারটি থানা বাড়িয়ে ২০টিতে পরিণত করার প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে হেডকোয়াটার্সে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর কারনে ট্রাফিক সিস্টেমের উপর চাপ পড়েছে লাখ লাখ গাড়ী চলাচল করছে চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে।

এছাড়াও জঙ্গীবাদ বন্ধে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে আরো শক্তিশালী করতে হবে জনবল বাড়ানোর মধ্য দিয়ে। টানেলকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু শিল্প পার্ক গড়ে তোলা হলে পুলিশের জনবল বাড়াতে সরকার ক্রমান্বয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।