খুঁজুন
, ,

১০০টি সেতু চালু হওয়ায় দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 November, 2022, 2:48 pm
১০০টি সেতু চালু হওয়ায় দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে ১০০টি সেতু উদ্বোধনকে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে বলেছেন, এটি দেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হল আমরা ১০০টি সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে দ্রুততর করতে পারবো।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ৮৭৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫টি জেলায় ১০০টি সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার পর বলেন, সেতুগুলো জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যেকোনো দুর্যোগে মানুষকে সাহায্য করা সহজ হবে, পণ্য পরিবহন এবং বিপণন ও দ্রুত এবং সহজ হবে। সেতুগুলো রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে, কারণ, এগুলো ৩৩টি রুট ফেরি পরিষেবা থেকে মুক্ত করেছে, যা, সড়ক যোগাযোগকে অবাধ, দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ করবে।

সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৬টি, সিলেট বিভাগে ১৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে সাতটি, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়টি এবং রংপুর বিভাগে তিনটি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত প্রায় ১৪ বছরে আমরা বিভিন্ন মহাসড়কে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩০৩ মিটার সেতু নির্মাণ বা পুনঃনির্মাণ এবং ২১ হাজার ২৬৭ মিটার কালভার্ট নির্মাণ বা পুনঃনির্মাণ করেছি। তাছাড়া, বহু সড়ককে তাঁর সরকার মহাসড়কে উন্নীত করেছে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়।

তিনি বলেন, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু নির্মাণ কাজ সমাপ্তকরণসহ খুলনা, পাকশী ও আশুগঞ্জে তিনটি বৃহৎ সেতু নির্মাণ করা হয়- যা মহাসড়ক নেটওয়ার্ককে নিরবচ্ছিন্নœ করে তোলে। তাঁর সরকার ’৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে একুশ বছর পর ক্ষমতায় এসেই সে সময়ে ১৯ হাজার বৃহৎ, মাঝারি, ছোট সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করে।

এসময় গণভবনের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সুনামগঞ্জ, বরিশাল, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলা প্রান্ত যুক্ত ছিল।

সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সময় প্রধানমন্ত্রী চলমান কোভিড-১৯ মহামারী থেকে উদ্ভূত বৈশ্বিক সংকট এবং রাশিয়া-ইউক্রেনকে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশি^ক মন্দা এবং বিশে^ খাদ্য সংকট সৃষ্টির যে আশংকা করা হচ্ছে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে সকলকে সাশ্রয়ী এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যায়ী হবার পাশাপাশি সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোতে তাঁর আহ্বান পূণর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের প্রত্যেকটা এলাকায় আপনারা যত পারবেন খাদ্য উৎপাদন করবেন। তরি-তরকারি যেটা পারেন উৎপাদন করবেন, হাঁস মুরগী ছাগল, ভেড়া- যেটা পারেন সেটা পালন করতে হবে। অর্থাৎ নিজেদের খাদ্য সংস্থান নিজেদের করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা, বিশ^ব্যাপী যে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিচ্ছে এর ধাক্কা যেন বাংলাদেশকে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্থ করতে না পারে।

তিনি বলেন, এই আঘাতটা আসবেই, কারণ, বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজ। কাজেই, কোন জায়গায় একটা সমস্যা দেখা দিলে এর অভিঘাতটা বাংলাদেশেও এসে পড়ে। পাশাপাশি, প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়াতে আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে খুবই সাশ্রয়ী হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আবারো বলেন, দেশের উন্নয়নের যে ধারাটা আমরা সৃষ্টি করেছি সেটা ধরে রাখতে উৎপাদন বাড়ান। আর যেসব জায়গায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেছে সেসব এলাকায় ঘর-বাড়ি এবং চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখেন এবং মশারি টানিয়ে ঘুমাতে যান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী সেতুগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন।

অনুষ্ঠানে সেতুর ওপর একটি ভিডিও-ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি, তৃণমূলের মানুষের জন্য দেশের যে উন্নয়ন করা হয়েছে তার সুফল পাচ্ছে দেশের মানুষ এবং সরকার কাজ করছে বলেই মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।

‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে আর কোনো অভাব হয়নি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের ফলে পার্বত্য অঞ্চলেও উন্নয়ন হচ্ছে। সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। তিনি বলেন, তাঁর সরকার এমন ভাবে সেতু সড়ক ও মহাসড়কগুলো নির্মাণ করছে, যেন, শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয় আমরা এশিয়ান হাইওয়ে এবং এশিয়ান রেলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারি। কারণ, ট্রান্স এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের যোগাযোগ যাতে আরো এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়েছি।

আমরা বাংলাদেশটাকে উন্নয়নের জন্য রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেভাবেই কাজ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2

জর্ডানকে উড়িয়ে দিয়ে বেঞ্চের শক্তি দেখাল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 10:31 am
জর্ডানকে উড়িয়ে দিয়ে বেঞ্চের শক্তি দেখাল আর্জেন্টিনা

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বেঞ্চের শক্তি পরীক্ষা করতে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তৃপ্তি নিয়েই মাঠ ছাড়ল কোচ লিওনেল স্কালোনির দল। নয়টি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেও দলটি জানিয়ে দিল, বেঞ্চের শক্তিতেও তারা কম যায় না।

শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল আর্জেন্টিনা। ১৭ মিনিটে বক্সের বাইরে ফাউলের শিকার হন জিওভানি লো সেলসো। সেখান থেকেই দুর্দান্ত বাঁকানো ফ্রি কিকে প্রথম গোলটি নিজেই করেন তিনি। বিশ্বকাপ অভিষেকে গোল পেয়ে স্মরণীয় করেন নিজের প্রথম ম্যাচ। উল্লেখ্য, ৫ মিনিটেই একটি গোল করেছিলেন লো সেলসো, তবে অফসাইডে বাতিল হয়ে যায় সেটি।

৩১ মিনিটে বক্সে ফাউলের শিকার হন মার্কোস সেনেসি। ভিএআর যাচাইয়ের পর রেফারি পেনাল্টি দেন। স্পটকিক থেকে গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এটি ছিল তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম গোল। এক বিশ্বকাপ খেলেও গোলের মুখ দেখেননি লাউতারো, এবার সেই অপেক্ষার অবসান হলো। দুই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মুসা আল তামারি ডান উইং থেকে নিচু ক্রসে পা ছুঁইয়ে গোল করেন। এটি ছিল এই বিশ্বকাপে জর্ডানের প্রথম গোল। আলজেরিয়া বা অস্ট্রিয়া কেউই আর্জেন্টিনার জালে বল জড়াতে পারেনি, সেই কাজটি করল জর্ডান।

৬০ মিনিটে মাঠে নামেন লিওনেল মেসি। লো সেলসোর জায়গায় আসেন তিনি। সঙ্গে মাঠে নামলেন থিয়াগো আলমাদা ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারও। তুলে নেওয়া হয় লাউতারো ও নিকো পাজকে।

মাঠে নেমেই ম্যাচে ছাপ রাখেন মেসি। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে দুর্দান্ত ফ্রি কিকে গোল করেন তিনি। স্কোর হয় ৩-১। আর এই গোলেই টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে ব্রাজিলের কিংবদন্তি জাইরজিনিওর ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন মেসি।

শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলে জিতে গ্রুপ জে-তে শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে উঠল আর্জেন্টিনা। পরের রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ হবে কেপ ভার্দে।

উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে ইতিহাসে প্রথমবার নকআউটে ডিআর কঙ্গো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 9:08 am
উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে ইতিহাসে প্রথমবার নকআউটে ডিআর কঙ্গো

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গো এবার এক অবিশ্বাস্য ইতিহাস লিখল। উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে দলটি। কেপ ভার্দের পর তারাই এই আসরের দ্বিতীয় বড় চমক হিসেবে রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা পেল।

শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না কঙ্গোর জন্য। মাত্র দশ মিনিটেই উজবেকিস্তানের তারকা ফরোয়ার্ড এলদোর শোমুরোদভ কঙ্গোর গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে দুর্দান্ত লব শটে এগিয়ে দেন তার দলকে। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল কঙ্গোর স্বপ্ন হয়তো শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের দল যেন আলাদা রূপ নিয়ে মাঠে নামল। শারীরিক লড়াইয়ে পুরোপুরি দাপট দেখাল কঙ্গো।

৬৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় কঙ্গো। ইউয়ান উইসা বক্সে ঢুকতেই উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভ ফাউল করেন তাকে। রেফারি পেনাল্টি দেন। উইসা নিজেই শান্তভাবে স্পটকিক নেন এবং গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভকে ভুল দিকে পাঠিয়ে সমতা ফেরান।

দশ মিনিট পরেই এগিয়ে যায় কঙ্গো। মেশাক এলিয়ার জোরালো শট ডিফ্লেকশন খায়। সেই সুযোগে ফিস্তন মায়েলে চটপট ফ্লিক করে বল পাঠান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে নিকট পোস্টে। ২-১ এগিয়ে যায় কঙ্গো।

স্টপেজ টাইমে সমতার জন্য মরিয়া হয়ে সামনে ছুটছিল উজবেকিস্তান। সেই সুযোগে কাউন্টার অ্যাটাকে উইসা বক্সের কিনারায় বল পেয়ে সুন্দর কার্লিং শটে বল পাঠান নিচের কোণে। ৩-১ হয়ে যায় স্কোর, কঙ্গোর বেঞ্চ ফেটে পড়ে উৎসবে।

গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে ১-১ গোলে ড্র করিয়েছিল কঙ্গো। সেই সাফল্যের পর এবার নকআউটে উঠে রীতিমতো ইতিহাস গড়ল তারা।

কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 8:27 am
কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল

গ্রুপসেরা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ব্যবধানেই ড্র হয়েছে। আর এই ড্রয়ের মাধ্যমে কলম্বিয়া গ্রুপসেরা ও পর্তুগাল রানারআপ হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখলো।

৩ ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্রয়ে কলম্বিয়ার সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট। সমান তিনটি ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে পর্তুগিজরা। এদিকে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে কঙ্গো। এই তিন দলই ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে দু’দল। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে কর্দোবার একটি দারুণ অন-টার্গেট শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিওগো কোস্তা।

এরপর ৩০ মিনিটে কলম্বিয়ার পক্ষে একটি পেনাল্টির জোরালো আবেদন উঠলে তা ভিএআর রিভিউয়ের মাধ্যমে নাকচ করে দেন রেফারি।

অন্যদিকে, ব্রুনো ফার্নান্দেস ও জোয়াও ফেলিক্সরা মাঝমাঠ থেকে চমৎকার কিছু আক্রমণ তৈরি করেন। ম্যাচের বিরতির ঠিক আগে পর্তুগালের একটি বিপজ্জনক আক্রমণ নষ্ট করে দেন কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার ডাভিনসন সানচেজ।

নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে কলম্বিয়ার হয়ে বল জালে জড়ান ইওয়ান উইসা। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয় গোলটি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়ে দু’দল।