খুঁজুন
, ,

রাজাকারের তালিকা ষড়যন্ত্রের অংশ ও সকারের মনগড়া:নোমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 17 December, 2019, 9:26 pm
রাজাকারের তালিকা ষড়যন্ত্রের অংশ ও সকারের মনগড়া:নোমান

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়াম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা অংশ গ্রহণ করেছিলাম। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল। সরকার যদি মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করতো তা হলে কোনো ধরনের অভিযোগ থাকতো না। এই রাজাকারের তালিকা সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ। রাজাকারের তালিকা সকারের মনগড়া।

সমাবেশে তিনি বলেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলেও মানবিক হবে, এটা আমরা আশা করেছিলাম। কিন্তু এটা হয়নি। নির্বাচন যেমন ৩০ তারিখের টা ২৯ তারিখ হয়ে গেছে। আজকে বিজয় দিবসও ১৬ তারিখের পরিবর্তে ১৭ তারিখে পালন করতে হচ্ছে আমাদের। এটা আমাদের নয়, জাতীয় লজ্জার বিষয়। বিএনপিকে যথা সময়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান পালন করতে দিচ্ছে না এ সরকার।

আজকে যদি বিজয় বিদবসের র‌্যালি বিজয় দিবসের দিন করার অনুমতি দিতেন, তাহলে সকলের সাথে বিজয় দিবসের আনন্দ ভাগাভাগি করা যেতো। বিজয় দিবস কোন একক দলের নয়।

তিনি আজ ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কাজীর দেউরী মোড়ে বিজয় দিবসের র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন।

এতে তিনি আরো বলেন, বিএনপিকে মিছিল করার অনুমতি প্রদান করে না প্রশাসন। মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে এমন কি এরশাদ সরকারের আমলেও প্রশাসন বাস্তব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। এখন এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না তারা। আমাদের মিছিলে পুলিশের হুমকি ধমকি দেখি। আমাদের সময় দেয়া হয় মাত্র ৫ মিনিট। ৫ মিনিটে কি একটা বিজয় মিছিল করা যায়?

তিনি বলেন, প্রথম বাংলাদেশ গান গাইতে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। শেষ বাংলাদেশ বলতে বলতে আমাদের সামনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শাহাদত বরণ করেছেন। তার আদর্শেআমরা উজ্জ্বীবিত। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়। তিনি যতদিন মুক্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলতে থাকবে। দেশনেত্রীকে জেলে রেখে দেশের সংকট দূর হবে না। তাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লড়াই করছি। আমাদের নেতাকর্মীরা সুশৃংখলভাবে এখন সে লড়াইয়ে অবতীর্ণ। ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের হবেই।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করের পরিচালনায় সমাবেশে ডা. শাহাদাত বলেন, মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণায় দিশেহারা জাতি মুক্তিযুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করেছিলো। আজকের এই বিজয় মিছিল প্রমাণ করেছে চট্টগ্রামের মাটি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার ঘাঁটি। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। বিজয়’র এই দিনে আজকে আমাদের শপথ নিতে হবে দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, বিনা ভোটের নির্বাচনে নিজেদেরকে বিজয়ী ঘোষণা করে পেশীশক্তির জোরে দেশ চালাতে গিয়ে সরকার সম্পূর্ণ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছে। তারা নিশ্চিত হয়ে গেছে যে, শাসনক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে জনগণের সমর্থন বা ভোটের প্রয়োজন নেই। আর এ কারণেই দেশ পরিচালনায় অবৈধ সরকারের নির্মম আচরণ দেশকে গভীর সংকটে ফেলেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষকের হাতে গড়া দল। এই দলকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। মিছিল মিটিং বন্ধ করে বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না। আওয়ামীলীগ যদি লালদীঘির মাঠে সমাবেশ করতে পারে তাহলে বিএনপি কেন পারবে না? আগামীতে আমরা লালদীঘির মাঠে সমাবেশ করতে চায়। আশাকরি সরকার জনগণের মনের ভাষা বুঝে বিএনপিকে লালদীঘির মাঠে সমাবেশ করতে সহযোগিতা করবে।

র‌্যালী ও সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহিলা দলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফাতেমা বাদশা, সি: যুগ্ম সম্পাদক ছকিনা বেগম, স্বেচ্ছাসেবকদলের সি: সহসভাপতি তফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক হাজী নুরুল হক, সদস্যসচিব এড. আবদুল আজিজ, শমিক দলের সভাপতি তাহের আহমেদ, নগরীর ১৫ টি থানা ও ৪৩ টি ওয়ার্ড ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে অংশ গ্রহণ করেন।

র‌্যালী ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, এড. আবদুস সাত্তার, হাজী মোহাম্মদ আলী, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, এস এম আবু ফয়েজ, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন প্রমুখ।

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।