খুঁজুন
, ,

খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনে আরো প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 9 November, 2022, 2:46 pm
খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনে আরো প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সাফল্য অর্জনের লক্ষে আরো প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি খেলোয়াড়দের জয়লাভের মনোভাব নিয়ে খেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের জন্য আমাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আরও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর কার্যালয়ে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ‘সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২২’ শিরোপা জয়ী বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জাতির পিতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এদেশের মানুষ অস্ত্র তুলে নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আমরা বিজয়ী জাতি। সব সময় এটা মাথায় রাখতে হবে। খেলার মাঠেও মাথায় রাখতে হবে যে যুদ্ধে জয় করেছি, খেলায়ও জয়ী হবো।’

‘এই চিন্তা নিয়ে সবাইকে চলতে হবে। তাহলেই সাফল্য আসবে। কারণ, মনোবল এবং আতœবিশ্বাস একান্তভাবে দরকার। আর সব সময় প্রশিক্ষণও দরকার,’ বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ কোনমতেই শিথিল করা যাবে না। যত বেশি প্রশিক্ষণ হবে তত বেশি খেলাধুলায় উৎকর্ষতা বাড়বে।

নিজের পরিবারের সদস্যদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সব সময় এটা মনে করি যে, খেলাধুলা আমাদের অপরিহার্য্য। আমার আব্বা ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবে খেলতেন, আবার আমার ভাই শেখ কামাল সে ও খেলতো, সবাই বিভিন্ন টিমের সঙ্গে জড়িত ছিল।

তিনি বলেন, কাজেই আমি এটা মনে করি যে, আমাদের ছেলে মেয়েরা যতবেশি খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত হতে পারবে, সংস্কৃতি চর্চার সাথে সম্পৃক্ত হতে পারবে,সাহিত্য চর্চা করবে, লেখাপড়ার পাশাপাশি এগুলো একান্তভাবে দরকার। শারীরিক, মানসিক সব দিক থেকেই আমাদের তরুণদের একটা আলাদা মানসিকতা ও দেশপ্রেম গড়ে উঠবে।
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ২৩ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক এবং ১১ জন প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তার প্রত্যেকের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে খেলোয়াড়রা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ‘সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২’ এর ট্রফি তুলে দেন এবং ফটো সেশনে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টারের আজ জন্মদিনে তার ওপর রচিত ‘ আহসানউল্লাহ মাস্টার জীবনালেখ্য’ নামক একটি গ্রন্থেরও মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাহউদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মেসবাহ উদ্দিন। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ‘সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২২’-এর উপর একটি ভিডিও-ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

সরকার প্রধান অভিভাবকদের প্রতি তাদের সন্তানদের সুস্থ মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বাইরে খেলার জন্য সময় দেয়ার পরামর্শ দেন।

তিনি সকল বিশেষ করে যুবকদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যকর্মে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখতে বলেন যা তাদেরকে দেশের যোগ্য নাগরিক হতে সাহায্য করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া সেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন ২০১১’ প্রণয়ন করে একটা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ফাউন্ডেশনকে করোনাকালীন ৩০ কোটি টাকা দিয়েছিলাম। মোট ৪০ কোটি টাকার সীড মানি দেওয়া হয়েছে। আমি আরো ২০ কোটি টাকা দেব।

এ ফাউন্ডেশন থেকে সমস্যাগ্রস্ত খেলোয়াড়দের সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফাউন্ডেশন থেকে যারা আমাদের খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত অনেক সময় তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে অথবা তাদের কোনরকম অসুবিধা দেখা দেয়, বয়স হয়ে গেলে বাড়িতে তাদের কোন কিছু করার থাকে না, সেখানে ফাউন্ডেশন থেকে সহযোগিতা করা যায়। আবার এই ফাউন্ডেশন তাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য অনেক কাজও করতে পারে।

খেলোয়াড়দের সহযোগিতা করতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের যারা বিত্তশালী আছেন তাদেরকে বলবো এসব জায়গায় তারা যেন আরো সহযোগিতা করেন। তাছাড়া প্রত্যেকটা ব্যবসায়ী ইন্ডাস্ট্রির মালিক বা অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরকে আমি আহ্বান জানাই প্রত্যেককে যেন আমাদের খেলোয়াড়দের চাকরি দেন, কাজ দেন। আমি মনে করি খেলোয়ারদের কোন একটা কাজ দিয়ে উৎসাহিত রাখা উচিত।

তিনি বলেন, যারা খেলাধুলা শেষ করে এখন ব্যবসা করে বেশ টাকা-পয়সার মালিক হচ্ছেন তাদেরতো উচিত এদিকের প্রতি আরও বেশি করে খেয়াল রাখা।

সরকার প্রধান বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতির পিতা অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালেই জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা গঠন করেন এবং ১৬টি জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন অনুমোদন করেন। ১৯৭৪ সালে আরও ১৮টি জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন এবং বিভিন্ন জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে অনুমোদন দেন। ১৯৭৪ সালে ‘বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অ্যাক্ট’ পাস করে আজকের ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ’ গঠন করেন। ১৯৭৫ সালের ৬ আগস্ট ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী ও সংস্কৃতিসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ অনুমোদন দেন।

গত ১৪ বছর ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের সফলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বিভিন্ন ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে মোট ৪৮৫টি স্বর্ণ, ৪৯৯টি রৌপ্য, ৫৯৫টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে; এবং ১১৪ বার চ্যাম্পিয়ন, ২৬ বার রানার্স আপ ও ২২ বার তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এশিয়ান গেমসে পুরুষদের ক্রিকেটে প্রথমবার স্বর্ণপদক পেয়েছে। ২০২২ সালের মার্চে ইন্দোনেশিয়ায় এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপ-এ বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল ওমান, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, সিঙ্গাপুরকে পরাজিত করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কাবাডি দল কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২১ সালের মে মাসে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শ্রীলংকার বিপক্ষে ওয়ান-ডে সিরিজ জয় করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার তৃণমুল পর্যায়ে খেলাধুলার বিকাশে প্রতিটি বিভাগে বিকেএসপি এবং প্রতিটি জেলায় ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মান করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন করছে। প্রথম পর্যায়ে ১২৫টি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৮৬টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে দেশের অবশিষ্ট ১৭৩টি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ চলমান। ইতোমধ্যে কাবাডি ও ভলিবল স্টেডিয়ামের উন্নয়ন, ১৩টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ, সারাদেশে ৫৬টি স্টেডিয়াম, ৮টি সুইমিংপুল, ৬টি সুটিং রেঞ্জ,৭টি ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।