খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৬৫তম বঙ্গবিপ্লবী হাবিলদার রজব আলী খাঁ দিবসের সেমিনারে অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
১৬৫তম বঙ্গবিপ্লবী হাবিলদার রজব আলী খাঁ দিবসের সেমিনারে অনুষ্ঠিত

ভারতবর্ষের স্বাধীনতাকামী দেশীয় সিপাহী বিদ্রোহের মহানায়ক বঙ্গবিপ্লবী হাবিলদার রজব আলী খাঁ ১৮৫৭ সালের ১২ নভেম্বর চট্টগ্রামের ৩৪ বেঙ্গল রেজিমেন্টের বঙ্গদেশীয় সৈনিকদের নিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। সে ঘটনার ১৬৫ বছর পালন ও ১২ নভেম্বর হাবিলদার রজব আলী খাঁ দিবস স্মরণে এক সেমিনার চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের উদ্যোগে ১৩ নভেম্বর বিকেলে চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ-নুরনাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবিপ্লবী হাবিলদার রজব আলী খাঁ চট্টগ্রামের ইতিহাসে কালজয়ী মনীষী ও ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী প্রাতঃস্মরণীয় বীরযোদ্ধা। ১৮৫৭ সালের ভারতবর্ষের সিপাহী বিদ্রোহে মহাবিপ্লবী মঙ্গল পাণ্ডে ও বঙ্গবিপ্লবী হাবিলদার রজব আলীর অবদান অপরিসীম। ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ নবাব সিরাজুদ্দৌলার পরাজয় ও হত্যার মধ্যে দিয়ে বাংলার শাসন ক্ষমতা দখল করে নেয় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। পরবর্তীতে সমগ্র ভারতবর্ষ ইংরেজদের করায়ত্ত হয়। ভারতবর্ষের অপার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায় ইংরেজরা। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে স্বাধীনতা হারানোর মর্মবেদনা ভুলতে পারেনি স্বাধীনতাকামী ভারতবর্ষ। এর শত বছর পর ১৮৫৭ সালে পরিকল্পিতভাবে চট্টল বীরসন্তান হাবিলদার রজব আলী ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সূচনা করেন। ১৮৫৭ সালের ১২ নভেম্বর হাবিলদার রজব আলী খাঁ চট্টগ্রামের ৩৪নং দেশীয় পদাতিক বাহিনীর ২, ৩ ও ৪নং কোম্পানীর চার শতাধিক সিপাহীসহ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মহাসংগ্রামে স্বাধীনতার জন্য জড়িয়ে পড়েন। ঐ সময় আতঙ্কিত ব্রিটিশ সৈন্যরা সমুদ্রের জাহাজে আশ্রয় নেন। তখন চট্টগ্রাম প্রায় ত্রিশ ঘন্টা ব্রিটিশ-শাসনমুক্ত ছিল। বক্তারা ১৮৫৭ সালের ১২ নভেম্বরের ঐতিহাসিক হাবিলদার রজব আলী ও তাঁর সিপাহী বিদ্রোহের প্রকৃত ইতিহাস নবপ্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য ইতিহাস গবেষক, লেখক ও সাংবাদিকদের কাছে আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি, ইতিহাসবেত্তা সোহেল মো. ফখরুদ-দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনবিদ, লেখক, গবেষক ও মানবাধিকার সংগঠক অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান। সেমিনারের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন উপপরিচালক, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ। সেমিনারের আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, সংগঠক প্রণব রাজ বড়ুয়া, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক সাইফী আনোয়ার, ইতিহাস গবেষক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইউনুছ কুতুবী, রাজনীতিবিদ এম নুরুল হুদা চৌধুরী, নজরুল গবেষক ও আলোকচিত্রী ওচমান জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ সাজ্জাদ, সাংবাদিক ইমরান সোহেল, আবু সুফিয়ান ছানবী, সাংবাদিক কামরুল হুদা, কবি কুতুবউদ্দিন বখতেয়ার, কবি দেলোয়ার হোসেন মানিক, কবি আলমগীর হোসাইন, অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল অদুদ, ইতিহাসবিদ এডভোকেট মোঃ সিরাজুল হক চৌধুরী, কবি ও প্রাবন্ধিক আবদুল্লাহ মজুমদার, প্রবীন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক অমর কান্তি দত্ত, প্রবীন শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ শিহাব উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠক কেএম আলী আহসান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক একেএম আবু ইউসুফ, মরমী কবি সৈয়দ শাহাবুদ্দিন আজিজ চন্দনাইশী, ডা. বিধান চন্দ্র পাল, মামুনুর রশিদ, উদয়ন বড়ুয়া প্রমুখ।

২৪ঘণ্টা/এসএ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…