খুঁজুন
, ,

সেবা সংস্থাগুলোর অর্থ বাণিজ্য

পাহাড়েই থাকতে চায় হতদরিদ্ররা

অবৈধ সংযোগই মূল সহায়ক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 November, 2022, 6:37 pm
পাহাড়েই থাকতে চায় হতদরিদ্ররা

পাহাড়ের পাদদেশ থেকে চূড়া পর্যন্ত থাকারা ঝঁুকিপূর্ণ। অপরাধে জড়িত থাকা গ্যাস, বিদ্যুত ও ওয়াসার অসাধুদের কারণে আবাসস্থলগুলোতে অবৈধ সংযোগ অব্যাহত আছে। চট্টগ্রামে পাহাড়ের চূড়ায় এবং পাদদেশে থাকা পরিবারগুলোকে সরানো যাচ্ছে না এমন অভিযোগ জেলা প্রশাসনের। কিন্তু বিভিন্ন সেবা সংস্থাগুলোর সুবিধা পেয়ে পাহাড়ে থাকারা সরছে না বলে অভিযোগ সচেতনদের।

অভিযোগ উঠেছে, পাহাড়ে ঝঁুকিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের একটি চক্র। সরকারি পাহাড়কে দখলে রেখে ভাড়া বাণিজ্য গড়ে তুলতে এ ধরনের অপপ্রয়াস চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক গড়ে তুলছে ঝঁুকিপূর্ণ আবাসস্থল। শুধু কাঁচাপাকা ঘরই নয়, ভিত্তিপ্রস্তর দিয়ে দ্বিতল ও ত্রিতল ভবনও গড়ে উঠেছে পাহাড়ের চূড়ায় ও মাস্তুলে।

লালখান বাজার এলাকার ওয়াসার ট্যাংকির পাহাড়ে যেমন ঝঁুকিপূর্ণ স্থাপনা অগণিত তেমনি চট্টগ্রামের ডিআইজির পাহাড় তথা জিলাপীর পাহাড়, ম্যাজিস্ট্রেট কলোনীসহ মতিঝর্না এলাকার প্রত্যেকটি পাহাড়েই রয়েছে ঝঁুকিপূর্ণ স্থাপনা।

কোন কোন স্থানে দুই থেকে আড়াই ফুট সরু গলি দিয়ে যাতায়ত এ এলাকার জনসাধারণের। অল্প ভাড়ায় থাকার সুবিধা থাকায় ঘনবসতিপূর্ন এ এলাকাটি ঝঁুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর পরিবারগুলোর জন্য।

এদিকে, রাতের আঁধারে ও দিনের আলোতেও পাহাড়ের পাদদেশে, চূড়ায় এমনকি পাহাড় কেটে ঝঁুকিপূর্ণ অবস্থানে গৃহ নির্মাণ করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা কোন ধরনের বাধা প্রয়োগ করছে না।

ফলে দুয়েক করে হাজারেরও ওপরে বসতিস্থাপন করা হয়েছে নগরীর প্রাণ কেন্দ্রে থাকা মতিঝর্না ও ওয়াসার ট্যাংকির পাহাড় এলাকায়।

এদিকে, বায়েজিদের মিয়ার পাহাড় থেকে শুরু করে বাংলা বাজার ও এশিয়ান উইমেন ইউনির্ভাসিটির আশপাশ এলাকায় গড়ে উঠেছে শত শত ঝঁুকিপূর্ণ স্থাপনা।

এমন বক্তব্য নগরীর লালখান বাজারস্থ মতিঝর্না এলাকা ও বায়েজিদের মিয়ার পাহাড় এলাকায় অভিযানকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের।

মূলত একটি শ্রেণীর আশ্রয়ে প্রশয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো কম ভাড়ার কারণে ঝঁুকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা স্থাপনায় মাথা গেঁাজার ঠাঁই নিয়েছে।

গৃহ নির্মাণকারী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনাসহ সেবা সংস্থাগুলোর অসাধুদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে ঝঁুকিপূর্ণদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ব্যবহারকারীরা বলছেন এসব সংযোগ বৈধ। কারণ তারা মাস শেষে ভূমির মালিক অথবা ঘরের মালিককে ভাড়ার সঙ্গে উপযোগ বিল পরিশোধ করছেন। কিন্তু অভিযানে নামলেই ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ওই সকল সংস্থার অসাধুরা এসব সংযোগ অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়ে বিচ্ছিন্ন করছে।

পরক্ষণে আবার ব্যবহারকারীদের সংযোগ প্রতিস্থাপনে সহায়তা করার মত অপরাধ করলেও কর্তৃপক্ষ মাসোয়ারার কারণে নিশ্চুপ হয়ে আছে।

প্রত্যক্ষভাবে দেখা গেছে, নগরীর আকবর শাহ থানাধীন রেলওয়ে হাইজিং সোসাইটি এলাকায় রয়েছে রেলের মালিকানাধীন প্রায় সাড়ে ৬ একর পাহাড়ী এলাকা। এখানেও কাঁচাপাকা ঘরের অভাব নেই।

একের পর এক গড়ে উঠছে ঝঁুকিপূর্ণ স্থাপনা। আবার সেখানেই ব্যবহার হচ্ছে গভীর নলকূপ থেকে পানি, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্যাস সংযোগ সে সঙ্গে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের বিদ্যুত সংযোগেরও অভাব নেই।

পাহাড়ের চূড়ায় বিদ্যুতের খঁুটি গেড়ে অনেকটা মালার মত ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে মিটার। পিডিবির পক্ষ থেকে এসব মিটারের রক্ষণাবেক্ষণ করার বললেও মূলত এসব মিটার থেকে স্থাপনার দূরত্ব দেড়শ থেকে ২শ গজও রয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, স্থাপনায় মিটার প্রতিস্থাপন না করে বৈদ্যুতিক পুলের মধ্যে মিটার স্থাপনের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ব্যবহারকারীকে খঁুজে না পাওয়া। সরকারের রাজস্বহানি হলেও এসব স্থানে পকেট পুরছে বিভিন্ন সেবা সংস্থার অসাধুরা।

অপরদিকে, বায়েজিদ বাংলাবাজার এলাকায় পাহাড়কেন্দ্রিক স্থাপনাগুলো গড়ে তুলেছে ছিন্নমূল বস্তিবাসী সমিতির নামে প্রভাবশালী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকজন। ভাড়ায় চলছে এসব কাঁচাপাকা স্থাপনা। মাস শেষে ভূমির মালিক ভূমির ভাড়া আদায় করেন কেয়ারটেকারের কাছ থেকে।

কেয়ারটেকার নিজ অর্থে কাঁচাপাকা ঘর নির্মাণ করে ভাড়া আদায় করছে মালিকের চেয়ে তিনগুণ। ফলে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণকারীর অভাব নেই। বায়েজিদের মিয়ারপাহাড়সহ এশিয়ান উইমেন ইউনির্ভাসিটি এমনকি চন্দ্রনগর পাহাড়েও ঝঁুকিপূর্ণ বসতির কমতি নেই।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।