খুঁজুন
, ,

হরিণ দেখে উচ্ছাসিত শিশু

পরিপাটি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

পেখম মেলছে সুন্দরী ময়ূর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 November, 2022, 4:51 pm
পরিপাটি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

চট্টগ্রামের একটি মাত্র চিড়িয়াখানা যা দেখতে সম্পূর্ণ পরিপাটি। অতীতে যা ছিল শূণ্য খাঁচায় আর প্রাণ যায় যায় প্রাণীর অবস্থানে পরিপূর্ণ একটি খোঁয়াড়ের মত আঙ্গিনা। সেই দিনের পরিবর্তন করতে গিয়ে প্রশাসনের একজনের ভূমিকাকে দেখছেন সচেতনরা।

বাঘ, হরিণ জেব্রাসহ পুরোনো খাঁচা পরিপূর্ণ হয়ে এখন চিড়িয়াখানায় নতুনের সমারোহ। আবার শিশুদের আকর্ষণ কাড়তে কিডস কর্ণার রয়েছে। আগতদের খোলামেলা পরিবেশে পদচারণায় গড়ে তোলা হয়েছে পরিপাটি আঙ্গিনা।

সিংহ-সিংহীর বিয়ের মত অবাক হওয়ার মত ঘটনাও ঘটেছে এই দার্শনিক স্থানে। জেলা প্রশাসক সরাসরি এ চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধান করেন। ফলে ক্রমশ সুন্দর হচ্ছে চট্টগ্রামের একমাত্র চিড়িয়াখানা।

আগতরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম নগরীতে জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় একটি মাত্র চিড়িয়াখানা হলেও ঢাকাস্থ চিড়িয়াখানা থেকে অনেক গুনে ভাল ও পরিবেশ রুচি সম্মত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে্যর অবয়বে গড়া চিড়িয়াখানাটি ক্রমশ আগতদের মন জয় করে সরকারের আয়বর্ধক প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে ফয়স’ লেককে বেসরকারি খাতে লিজ দেয়ায় প্রকৃতির ছোঁয়া হারাচ্ছে এই আঙ্গিনা। আবার এই লেকে চিরসুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য হারিয়েছে দর্শনার্থীরা।

কারণ দর্শনার্থীদের অর্থ ক্ষমতার মধ্যে নেই লেকে প্রবেশাধিকার। জনপ্রতি ২’শ ৫০ টাকা থেকে সাড়ে ৪’শ টাকা পর্যন্ত নেয়ার রেকর্ড রয়েছে কনকর্ড এমিউজমেন্ট পার্ক কতৃর্পক্ষের।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার পক্ষ থেকে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক এম এ মান্নানের সার্বিক তত্ত্ব¡াবধানে চট্টগ্রামের ফয়’স লেক এলাকায় গড়ে উঠে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। তবে ২০১৮ সালে জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন আসার পর থেকে পরিবর্তন এসেছে অত্যধিক।

বর্তমানে প্রায় ১০০ প্রজাতির পশুপাখি রয়েছে এই চিড়িয়াখানায়। পক্ষীশালাসহ এ চিড়িয়াখানাটিকে মান সম্মত করে তুলতে বিভিন্ন প্রাণীর সমাগম ঘটানো হচ্ছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলেরই পদচারণা রয়েছে এই চিড়িয়াখানায়।

পাহাড় বেষ্টিত এই চিড়িয়াখানাটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়া। দর্শনার্থীরাও উপভোগ করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। বর্তমানে প্রতিমাসে প্রায় লাখের কাছাকাছি দর্শনার্থী এই চিড়িয়াখানায় আসছেন।

প্রতিমাসেই এখন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটছে এই চিড়িয়াখানায়। তবে ছুটির দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা তিন গুনেরও বেশি হয়। জনপ্রতি মাত্র ৩০ টাকা নেয়া হচ্ছে পরিদর্শনের জন্য।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।