শীতে শাক-সবজির বাজার ভরপুর
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ ভালো ভাবে শাক-সবজি ফলন বহুগুন। বাজারগুলো শীতের সবজিতে ভরে উঠছে। এসব সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। স্থানীয় একেকটি বাজারে দিনে প্রায় কোটি টাকার সবজি বিক্রি হচ্ছে। সবজির দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
কৃষক মাঠে শোভা পাচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, টমেটো, মুলাসহ হরেক রকম সবজি। অধিক লাভের আশায় কৃষকরা শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলনও ভালো।

গতবছর এই সময় স্থানীয় বাজারে এক বা দুটি ট্রাকে সবজি বোঝাই করা হতো। এবার সে চিত্র বদলেছে। দিনে অন্তত ২০-২৫টি ট্রাকে সবজি বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। প্রকারভেদে প্রতি ট্রাক সবজির মূল্য প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা।
কৃষক আবু বক্কর সময়ের কাগজকে বলেন, এবার দেড় বিঘা জমিতে বেগুন আবাদ করেছি। প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করছি। আশা করছি মৌসুম শেষে দেড় বিঘার বেগুনে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হবে।
চন্দনাইশ উপজেলার দিয়ারকুল কৃষক মমতাজ মিয়া বলেন, আমি বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করেছি,। এর মধ্যে পালংশাক তুলে বাজারজাত করেছি।
মমতাজ মিয়া আরো বলেন, সাত কাঠা জমিতে পালংশাক করেছি। খরচ হয়েছে তিন হাজার টাকা। তিন কাঠা জমির শাক কেটে সাড়ে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। বাকি যে শাক আছে তা বর্তমান বাজার অনুযায়ী প্রায় ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো।

কৃষকদের কাছে পাইকারি দরে ভালো মানের ফুলকপি ৩৫ টাকা, করলা ৪০, বেগুন ২২-২৫, লাউ প্রতি পিস ২৪, মুলা ৭-৮ টাকা কেজি দরে কিনছেন জানান সবজি ব্যবসায়ী মনির হোসেন। তবে এবার মুলা চাষ করে খরচের তুলনায় দাম না পেয়ে হতাশ চাষিরা।
এ বিষয়ে চাষি মনোয়ার হোসেন সময়ের কাগজকে বলেন, এবার ফুলকপি, লাউসহ অন্যান্য সবজির দাম অনেক ভালো। তবে মুলার দাম নেই। শ্রমিক দিয়ে জমি থেকে মুলা তুলে বিক্রি করে মজুরির দামই উঠছে না।
২৪ ঘণ্টা / জেআর


আপনার মতামত লিখুন