খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাওয়া ভবনের তৈরি কসাই বাহিনীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে: নওফেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
হাওয়া ভবনের তৈরি কসাই বাহিনীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে: নওফেল

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, ‘হাওয়া ভবনের’ তৈরি কসাই বাহিনীকে অচিরেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করে সারাদেশে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চক্রান্ত শুরু করে। খালেদা জিয়ার কুপুত্র তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ মদতে সারাদেশে ছাত্রলীগ-যুবলীগের অসংখ্য দক্ষ সংগঠককে বেছে বেছে হত্যা করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

নওফেল বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামে ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার সম্পাদক মহিম উদ্দিনকে বিদেশ থেকে কৌশলে ডেকে এনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই কসাই বাহিনীর নেপথ্যে যারা ছিল তাদের অচিরেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মহিমের হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্তদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নগরীর জিইসি মোড়ে রয়েল গার্ডেন কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-পাঠাগার সম্পাদক ও ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মহিম উদ্দিন মহিমের ১৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বিভিন্ন ধরনের সরকারবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। তারা এদেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাসগুলোতে ধরনা দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত।

তিনি বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও গোষ্ঠী চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের লিপ্ত রয়েছে। এসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মীদের সজাগ ও সচেতন থেকে রাজপথে দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে।

আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ফটোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহাসমাবেশ সফল করতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, যুব সংগঠক এম আর আজিমের সভাপতিত্বে ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন আবুর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার।

বিশেষ বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বৈশাখী টেলিভিশনের বার্তা প্রধান ও সাবেক ছাত্রনেতা অশোক চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও শহীদ ছাত্রনেতা মহিম উদ্দিন মহিমের বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- সাবেক ছাত্রনেতা সরওয়ার মোর্শেদ কচি, জাহাঙ্গীর আলম, আবু সাঈদ সুমন, ফরিদ উদ্দিন ফরহাদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন, ভিপি ইউনুস, জসিম উদ্দিন খোন্দকার, নাজমুল আহসান, বিপ্লব মিত্র, কেন্দ্রীয় যুব লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, হাসান মনসুর, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস.এম. সাঈদ সুমন, হাবিব উল্লাহ নাহিদ, শহীদুল ইসলাম শামিম, আসহাব রসূল চৌধুরী জাহেদ, নেছার আহমদ, আছিফুর রহমান মুন্না, রাজিব দত্ত রিংকু, ফারুকুল ইসলাম অঙ্কুর, আব্দুল জলিল বাহাদুর, কাজী আলমগীর, মীর ইমরুল হাসান চৌধুরী রুবেল, শওকত উল্লাহ সোহেল, গোলাম ফোরকান, ওয়ালিদ মিল্টন, ওমর গণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু, অসীম বণিক, নুরুল আলম মিয়া, ফজলুল কবির সোহেল, ফখরুল আলম রিপন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আলী আবরাহা দুলাল, চসিক কাউন্সিলর এসরারুল হক এসরাল, কাউন্সিলর মোবারক আলী, কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু, রাশেদুল আজিম রাসেল, হাজী ইব্রাহিম, ওসমান গণি আলমগীর, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ মোর্শেদ, হাবিবুর রহমান তারেক, মোসলেহ উদ্দিন আহমদ শিবলী, ইলিয়াছ উদ্দিন, কফিল উদ্দিন আহমদ, অমল কৃষ্ণ নাথ টুটুল, হাসানুজ্জামান টিপু, ফরিদুল আলম, হামিদুর রহমান সাকিব, আলী রেজা পিন্টু, আবু সাঈদ সুমন, সাবের আহমদ, মো. সেলিম, আদনান মাহফুজ সজিব, এরশাদ হোসেন মনি, সাজ্জাদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার শিবলী সাদিক সোহেল, এপোলো বড়ুয়া, সোহেল ইমরান, বিপ্লব দত্ত, বখতেয়ার উদ্দিন, সায়েদ রহিম, এস.এম. মবিনুল হক মনিরাজ, আব্দুল করিম, নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইয়াছির আরাফাত কচি, একরামুল হক রাসেল, ফররুক আহমদ পাভেল, মাঈনুল হাসান চৌধুরী শিমুল, নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরী বাবু, নগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, নগর ছাত্রলীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কবির আহমদ, মিন্টু কুমার দে, আবুল মনসুর টিটু, তুষার ধর, সাব্বির সাকির প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…