খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশৃঙ্খল, কথা শোনে না এমন ছাত্রলীগ চাই না: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
বিশৃঙ্খল, কথা শোনে না এমন ছাত্রলীগ চাই না: ওবায়দুল কাদের

বিশৃঙ্খলার ছাত্রলীগ আমরা চাই না, কথা শোনে না এ রকম ছাত্রলীগ চাই না। আমরা সুশৃঙ্খল ছাত্রলীগ চাই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ শুক্রবার দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য স্লোগান বন্ধ করতে বলেন কিন্তু তারা স্লোগান বন্ধ না করে মঞ্চ ও মাঠে বিশৃঙ্খলা করতে থাকে। এসময় ওবায়দুল কাদের বক্তব্য শেষ করার ঘোষণা দিলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য মঞ্চে থাকা ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।

তখন কাদের বলেন, ‘আমি স্লোগান বন্ধ এবং প্ল্যাকার্ড নামাতে বলার পরেও যারা স্লোগান দিচ্ছ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে তাকে নেতা না বানাতে নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) বলে দিব। সে আর নেতা হতে পারবে না।’

কাদের বলেন, ‘বিশৃঙ্খলার ছাত্রলীগ আমরা চাই না, কথা শোনে না এ রকম ছাত্রলীগ চাই না। আমরা সুশৃঙ্খল ছাত্রলীগ চাই।’

এসময় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘আজকে জুমাবার, লেখকের মনে না থাকতে পারে; জয়ের কি মনে নেই? বক্তৃতা দিতে উঠলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দিতে হবে কেন?’

বিএনপিকে উদ্দেশ করে কাদের বলেন, ‘আক্রমণ করলে পাল্টা আক্রমণ হবে কি না সেটা সময় বলে দেবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে। পরশু রাতে রাজধানীর মতিঝিলে বিআরটিসি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। কারা করেছে সেটা আমরা খবর পেয়েছি। মামলা করব।’

এসময় বিএনপি জঙ্গিদের মাঠে নামিয়েছে বলে ইঙ্গিত করেন কাদের। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিদের মাঠে নামিয়েছে, আমাদের কাছে তথ্য আছে।’

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন, দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সাইদুর রহমান হৃদয় ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু উপস্থিত আছেন।

এদিকে শুক্রবার যৌথ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পদপ্রত্যাশীদের ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

করোনার কারণে গত তিন বছর ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।

Feb2

বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই কাজ হয়ে যাবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই কাজ হয়ে যাবে

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির প্রতিশ্রুতি বিএনপির পরিকল্পনা, জনগণের পরিকল্পনা। এটি যারা ভেস্তে দিতে চায় তাদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই বিএনপির কাজ হয়ে যাবে। কারণ এই দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। মালিক যদি সতর্ক থাকে আর কারোর কোনো টেনশন থাকবে না।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ডের ৩য় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, জনগণকেও তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা, শিক্ষার ব্যবস্থা করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা। কিন্তু বাংলাদেশ শুধু কোনো সরকার, দল বা পরিবারকে নিয়ে নয়, বাংলাদেশ ২০ কোটি মানুষের বাংলাদেশ। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হলে এই ২০ কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

তারেক রহমান বলেন, অতীতে যখনই দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা স্থিতিশীলতার পথে এগিয়েছে, তখনই বিভিন্ন সময়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছে, অবরোধ হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে। কিন্তু এখন দেশের মানুষ কাজ চায়, শান্তি চায় এবং ভালোভাবে বাঁচতে চায়।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের চার কোটি পরিবারের নারীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রায় তিন কোটি কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পোশাক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী পৌঁছে দিতে চায়। একই সঙ্গে খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ উন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিরোধীদের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, যারা বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা জনগণের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে কথা বলে। কারণ এই সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে চায়।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আমাদের শক্তির উৎস জনগণ। জনগণই আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, নির্বাচনের ফলাফলের পর তা শুধু বিএনপির প্রতিশ্রুতি নয়, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিএনপিকে পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তাই জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কিংবা সরকারকে কাজ করার সময় না দেওয়ার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা আজ নানা কথা বলছে, তাদের অনেককে গণতন্ত্রের আন্দোলনে দেখা যায়নি। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছে, যারা গুম হয়েছে, যারা জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে, তাদের বড় অংশই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করে ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, জনগণের অর্থ আর বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না। দেশের অর্থ দেশের মানুষের কল্যাণেই ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, এই দেশ স্বাধীন করেছে বাংলাদেশের জনগণ। এই দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে বাংলাদেশের জনগণ। কাজেই দেশকেও গড়ে তুলবে বাংলাদেশের জনগণই। আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গড়ার রাজনীতি। দেশ ও দেশের মানুষকে ঘিরেই আমাদের সকল কর্মপরিকল্পনা হবে। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।

একই সঙ্গে বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন রোগীর মধ্যে আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক সহায়তা, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের অনুদান এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র ও অনুদানের চেক বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে বিকেল ৪টায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরও ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অনুদানের চেকও বিতরণ করেন।

চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরের একটি অভিজাত শপিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছেন বিভাগীয় বিএসটিআই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বুধবার (১৭ জুন) নগরের সিডিএ অ্যাভিনিউ এলাকার সানমার ওশান সিটিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় বিউটিওলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাইয়ান ফেরদৌস। এ সময় বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা অন্তর চৌধুরী, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রিময় মজকুরী জয়, পরীক্ষক (মেট্রোলজি, ভৌত) দায়িত্ব পালন করেন।

বিএসটিআই সূত্র জানায়, অভিযানে বিউটিওলজি নামের প্রতিষ্ঠানটিতে ওজন হ্রাসের ওষুধ পাওয়া যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স রয়েছে মর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদান করছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩০ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, অননুমোদিত ও মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজারের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজারে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীকে পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের সঙ্গেসঙ্গেই উপকারভোগী এই টাকা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।

পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৫৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া, বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার, সিরোসিস, স্টোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক অনুদান, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান, চা শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র অনুদানের চেক উপকারভোগীর মধ্যে বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী গিতা রাণী কর জানান, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা দিয়ে বাচ্চার লেখাপড়ার খরচ চালাবেন। একইসঙ্গে হাঁস-মুরগি কিনে লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হবেন। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।